Showing posts with label স্বাস্থ্য পরামর্শ. Show all posts
Showing posts with label স্বাস্থ্য পরামর্শ. Show all posts

Friday, January 15, 2016

গ্রামীণফোনে এখন পাচ্ছ ৩০০ MB ইন্টারনেট মাত্র ৪৫ টাকায়।


নতুন বছরের আনন্দে মেতে ওঠো বন্ধুদের সাথে কারন গ্রামীণফোনে এখন পাচ্ছ ৩০০ MB ইন্টারনেট মাত্র ৪৫ টাকায় (৩% সম্পূরক শুল্ক এবং সম্পূরক শুল্কসহ উল্লিখিত মূল্যের উপর ১৫% ভ্যাট প্রযোজ্য) যার মেয়াদ ৭ দিন। অফারটি পেতে ডায়াল *5000*150# & start enjoying!
বিস্তারিত জানতে কল ১২১

Sunday, January 10, 2016

গোসলে সাবান ব্যবহার শরীরের জন্য ক্ষতিকর !


আপনি রোজ গোসল করেন অনেকটা সময় ধরে। রোজ গায়ে দামি অথবা মাঝারি দামের সাবানও মাখেন?


এই নিয়ে আপনার গর্বের শেষ নেই? সবার মাঝে ফলাও করে বলেন, আপনি কত পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন?

আপনি ভাবেন এর জন্য আপনার ত্বক কত ভাল থাকবে? আপনি কত সুন্দর এবং টানটান হয়ে থাকবেন অনেক বয়স পর্যন্তও!

এক দম ভুল ভাবছেন। ইউরোপের ডাক্তাররা কিন্তু একেবারে ভিন্ন সুরে কথা বলছেন।

তাদের বক্তব্য, গোসল রোজ করছেন এটা খুবই ভাল। কিন্তু যে সাবান দিয়ে আপনি রোজ ঘসে ঘসে গা পরিষ্কার করছেন, চকচকে হচ্ছেন, সেটা কিন্তু মোটেই ভাল নয়।

সাবান মানেই ক্ষার। সেটা কম মাত্রা অথবা বেশি মাত্রা হতে পারে। কিন্তু রোজ আপনার শরীরে খার গেলে তা আপনার শরীরকে মোটেই চিরকাল ভাল রাখবে না। যার সুফল আজ টের পাচ্ছেন, তার অনকে বেশি কুফল কাল টের পেতে চলেছেন।

তাদের পরামর্শ গায়ে মাটি মাখুন। ত্বক আজও ভাল থাকবে। আগামীতেও ভাল থাকবে। মাটির থেকে ভাল গায়ে মাখার আর কিছু নেই। কিন্তু আপনি কি এখনই এসব মানবেন?

Thursday, January 7, 2016

কিভাবে বুঝবেন আলসার এবং গ্যাসট্রিক্স হয়েছে


আলসার এবং গ্যাসট্রিক্সকের লক্ষণ ও উপসর্গ
১. উদর বা তলপেটের উপরিভাগে অস্বস্তিবোধ কিংবা ব্যথা|
২. খাবারের প্রতি অভক্তি|
৩. বিতৃষনাবোধ|
৪. বুক জ্বলাপোড়া করা|
৫. বমি হওয়া|
৬. ঢেকুর ওঠা এবং গ্যাস হওয়া|
৭. কালো বা রক্তমিশ্রিত মল|

আলসার এবং গ্যাসট্রিক্স  হলে কী করা উচিত
১. যদি আপনার মনে হয় যে আলসার কিংবা গ্যাসট্রিটিস হয়েছে সেক্ষেত্রে ডাক্তারের শরণাপন্ন হোন।
২. প্রচুর পরিমাণে পানি এবং অন্যান্য পানীয় পান করুন যাতে করে আপনার শরীর পানি শূন্যতায় আক্রান্ত না হয়, তবে দুধ জাতীয় পানীয় পান থেকে বিরত থাকুন, কেননা এগুলো এসিডের উৎপত্তিতে সহায়ক ভূমিকা রাখে।
৩. এন্টাসিড সেবন করুন।
৪. এ্যাসপিরিন ইবুপ্রুফেন এবং অন্যান্য ননস্টেরোয়ডাল এবং প্রদাহ-নিরোধোক ওষুধ সেবন থেকে বিরত থাকুন।


আলসার এবং গ্যাসট্রিক্স  হলে কখন ডাক্তার দেখাবেন
১. যদি আপনার বমির সাথে রক্ত বের হয় কিংবা অন্য কিছু বের হয় যেটা দেখতে কফির পাতার গুড়োর মতো মনে হয়, সেক্ষেত্রে এটা হয়তো আপনার দেহাভ্যন্তরিণ রক্তপাতের লক্ষণ।
২. যদি আপনার মধ্যে আলসারের লক্ষণগুলো ধরা পড়ে এবং একই সাথে আপনার পিঠে প্রচণ্ড ব্যথা হয়; সেক্ষেত্রে আলসার হয়তো আপনার পাকস্থলী কিংবা গ্রহণী বা ডুডেনামের দেয়াল ছিদ্র করে ফেলছে বা ক্ষত সাধন করছে।
৩. যদি আপনার জ্ঞান হারাবার মতো অবþহা হয়, ঠাণ্ডা লাগে, এবং স্যাঁতস্যাঁতে বোধ হয় এবং আপনি প্রকৃতই জ্ঞান হারান। এগুলো হয়তো প্রচুর রক্ত ক্ষরণের কারনে উদ্ভুত কিছু উপসর্গ।
৪. যদি আপনার আলসার থাকে এবং একই সাথে রক্তশূন্যতার লক্ষণগুলোও দেখা যায়, যেমন অবসাদগ্রস্ততা, গায়ের রঙ্গে মলিনতা; এক্ষেত্রে আলসার থেকে হয়তো রক্তক্ষরণ হচ্ছে।
৫. যদি আপনার মলের সাথে গাঢ় লাল রক্ত বের হয়। কিংবা মলের রঙ রক্তাভ কিংবা কালো হয়।
৬. যদি আপনার পাকস্থলিতে প্রচণ্ড ব্যথা হয়।
৭. যদি আপনার আলসার এবং গ্যাসট্রিটিসের লক্ষণ ও উপসর্গগুলো দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরেও অপসারিত না হয়।

আলসার এবং গ্যাসট্রিক্স  কীভাবে প্রতিরোধ করবেন
১. আপনি যদি ধুমপায়ী হন তবে ধুমপান ছেড়ে দিন|
২. দৈহিক ও মানসিক চাপ থেকে স্বস্তি পেতে যা যা করণীয় করুন।
৩. যদি আপনার মদ বা এ্যালকোহল মিশ্রিত কোন পানীয় পান করার অভ্যাস থাকে তাহলে খুব কম পরিমাণে করবেন।
৪. এ্যাসপিরিন এবং ইবুপ্রোফেনের ব্যবহার যতোটা কমানো সম্ভব করুন।
৫. যেসব খাবার আপনার পাকস্থলিতে সমস্যা করে সেগুলো এড়িয়ে চলুন।
৬. আলসার যাতে আবার না হয়, সে জন্যে যে যে ওষুধগুলো ডাক্তারি পরামর্শ অনুযায়ী আপনি আলসারের চিকিৎসার উদ্দেশ্যে সেবন করছেন সেগুলো সঠিকভাবে সঠিক সময়ে সেবন করুন।

Signs and Symptoms
1. Pain or discomfort the upper part of the abdomen.
2. Loss of appetite.
3. Nausea.
4. Heartburn.
5. Vomiting.
6. Belching or gas.
7. Dark or bloody stools.
What to do now
1. Go to a doctor if you think you have a stomach ulcer or gastritis.
2. Drink lots of water and other liquids to prevent dehydration, but avoid milk, which can increase acid secretion.
3. Take antacids.
4. Avoid aspirin ibuprofen, and other non-steroidal anti-inflammatory drugs.

When to call a doctor
1. If you vomit blood or material that looks like coffee grounds; these symptoms indicate internal bleeding.
2. If you develop symptoms of an ulcer along with severe back pain; your ulcer may be perforating the stomach or duodenum wall.
3. If you feel faint, cold, and clammy, or you actually do faint. These may be symptoms of a shock, usually resulting from massive blood loss.
4. If you have an ulcer and develop symptoms of anemia, such as fatigue and pallid complexion; your ulcer may be bleeding.
5. If you pass stools that appear dark red, Bloody or black.
6. if you have severe stomach pain.
7. If you have symptoms of an ulcer or gastritis that last more than two weeks.

How to prevent it
1. If you smoke, quit.
2. Do what you can to reduce stress.
3. If you drink alcoholic beverages, do so in moderation.
4. Minimize use of aspirin and ibuprofen.
5. Avoid foods that upset your stomach.
6.To prevent an ulcer from recurring, carefully follow instructions for any ulcer drugs you are taking.

Saturday, December 12, 2015

জন্ডিসের লক্ষণসমূহ




‘জন্ডিস রোগ’! না  জন্ডিস কোনো রোগ নয়। এটি রোগের লক্ষণ মাত্র। আমাদের রক্তে বিলিরুবিনের(bilirubin, bil-ih-ROO-bin) মাত্রা বেড়ে গেলে জন্ডিস দেখা দেয়।

হেপাটাইটিস এ, বি, সি, ডি এবং ই ভাইরাসগুলো লিভারে প্রদাহ সৃষ্টি করে যাকে বলা
 হয় ভাইরাল হেপাটাইটিস। লিভারের স্বাভাবিক কর্মকাণ্ড বাঁধাপ্রাপ্ত হলে লিভারের প্রদাহ শুরু হয়। আমাদের দেশসহ সারা বিশ্বেই জন্ডিসের প্রধান কারণ এই হেপাটাইটিস ভাইরাসগুলো। এছাড়াও লিভার সংক্রান্ত রোগ এবং বংশগত কারণসহ আরও কিছু লিভারের রোগেও জন্ডিস হতে পারে। অনেক সময় ওষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার কারনেও জন্ডিস হয়। মাঝে মাঝে রক্তের নানা সমস্যা, পিত্তনালীর পাথর বা টিউমার এবং লিভার বা অন্য কোথাও ক্যান্সার হলেও জন্ডিস হতে পারে। তাই জন্ডিস মানেই লিভারের রোগ এমনটি ভাবা ঠিক নয়।

জন্ডিসের লক্ষণ নিয়ে আমাদের সচেতন থাকা উচিত। যখনই জন্ডিসের লক্ষণ নজরে পড়বে অবহেলা না করে যতো দ্রুত সম্ভব ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হবে। কারণ চিকিৎসায় দেরি হলে বা অবহেলা করলে যে রোগের লক্ষণ হিসেবে জন্ডিস হয়েছে তা মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে। জন্ডিসের লক্ষণগুলো জেনে নিন একনজরে-

জন্ডিসের প্রথম ও প্রধান লক্ষণ হলো চোখ হলুদ হয়ে যাওয়া। চোখের সাদা অংশ, হাত-পা এর তালু, মুখমন্ডল থেকে শুরু করে সমস্ত শরীরই হলুদ বর্ণের হয়ে যেতে পারে।


শরীর অনেক বেশি দুর্বল হয়ে পরা।


বমি বমি ভাব, এবং খাবার দেখলে ও খাবারের গন্ধ পেলে গা গুলিয়ে উঠা

শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে চুলকানি বৃদ্ধি পাওয়া।

পায়খানার রঙ ফ্যাকাসে হয়ে যাওয়া।

এইসকল লক্ষণগুলো দেখা দিলে দেরি না করে অবশ্যই একজন লিভার বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেয়া উচিত। বিশেষজ্ঞ শারীরিক লক্ষণ এবং রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে জন্ডিসের তীব্রতা ও কারণ নির্ণয় করে চিকিৎসার ব্যবস্থা গ্রহন করতে পারেন।

সূত্রঃ mayoclinic, উইকিপিডিয়া

রক্তদানের পূর্বে ও পরে করণীয়


প্রাপ্তবয়স্কঅর্থাৎ ১৮ বছর বয়সের পর সুস্থ স্বাভাবিক সকলেই স্বেচ্ছায় রক্ত দিতে পারেন। এবং পুরোপুরি সুস্থ সকলের রক্ত দেয়াই উচিত। আপনার দেয়া রক্তে হয়তো একজন অসুস্থ মানুষের জীবন বাঁচতে পারে। কিন্তু আপনি যদি নিজেই সম্পূর্ণ সুস্থ না হন তবে রক্ত দেয়ার প্রয়োজন নেই।

কিন্তু শুধু রক্ত দিলেই তো চলবে না, রক্ত দেয়ার ফলে রক্তদাতার যেনো শারীরিক কোনো সমস্যা না হয় সেদিকে নজর রাখতে হবে। রক্ত দেয়ার পূর্বে এবং পরে একজন রক্তদাতার বিশেষ কিছু কাজ করা উচিত নিজের স্বাস্থ্য ঠিক রাখার জন্য। চলুন তবে দেখে নেয়া যাক কি কি কাজ করা উচিত।

রক্ত দেয়ার পূর্বে করনীয়ঃ


১) আপনি যদি কোনো কারণে অসুস্থবোধ করে তবে সেদিনের মতো রক্ত দেয়া থেকে বিরত থাকুন

২) রক্ত দেয়ার পূর্বে পুষ্টিকর খাবার খেয়ে নিন, কিন্তু তৈলাক্ত কিছু খাবেন না।

৩) রক্ত দানের পূর্বে প্রচুর পরিমাণে পানি ও পানি জাতীয় খাবার খাবেন।

৪) যেদিন রক্ত দেবেন তার আগের রাতে অনেকটা সময় ভালো করে ঘুমিয়ে নেবেন।

রক্তদানের পরে করনীয়ঃ


১) অনেকটা সময় শুয়ে থাকবেন। হুট করে উঠে বসবেন না বা উঠে দাঁড়াবেন না।

২) প্রচুর পরিমাণে পানি ও পানি জাতীয় খাবার গ্রহন করুন। এই ব্যাপারে অবহেলা করবেন না মোটেও।

৩) আয়রন, ফোলাইট, রিবোফ্লাবিন, ভিটামিন বি৬ সমৃদ্ধ খাবার যেমন লাল মাংস, মাছ, ডিম, কিশমিশ, কলা ইত্যাদি ধরণের খাবার খাবেন।

৪) কয়েক ঘণ্টার জন্য শারীরিক পরিশ্রমের কাজ করা থেকে বিরত থাকুন। এবং বেশ কিছুদিন সাধারণ সময়ের তুলনায় একটু কম পরিশ্রম করে বিশ্রাম নিন।

৫) রক্তদানের ৩ মাস পর নতুন করে রক্ত দিতে পারবেন। এর আগে পুনরায় রক্ত দেবেন না।


সূত্রঃ emedicinehealth

বেশি বাঁচতে চান? তবে বেশি করে পানি ফোটানো বন্ধ করুন আজই।


বেশিদিন বাঁচতে চান? পানি

অতিরিক্ত ফোটানো বন্ধ করুন আজই পানি বিশুদ্ধ করার সবচেয়ে আদি
পদ্ধতি হল আগুনে ফুটিয়ে নেয়া।

অনেকেই পানিকে ফিলটারিং বা অন্য
কোন উপায়ে বিশুদ্ধ করার চেয়ে পানি
ফোটানোকে বেশি নিরাপদ মনে করে
থাকে।

পানি ফোটানো নিরাপদ হলেও দুই/তিনবার পানি ফোটানো বা দীর্ঘ
সময় যাবত ফোটানো কখনই নিরাপদ নয়। প্রথমবার পানি ফুটানো হলে এর মধ্যে
থাকা ক্ষতিকর উপাদান সব নষ্ট হয়ে
যায়। কিন্তু যখন এটি দুইবার ফোটানো
হয় বা ফোটানো পানি আবারও গরম করা
হয় বা পানি বেশি সময় যাবত ফোটানো
হয়, তখন এর মধ্যে থাকা বিভিন্ন রাসায়নিক উপাদানের পরিবর্তন ঘটে।
এর মধ্যে থাকা স্বাস্থ্যকর
উপাদানগুলো ক্ষতিকর হয়ে উঠে।
দীর্ঘক্ষণ পানি ফোটানোর কারণে
পানি গরম করার পাত্র থেকে কিছু
উপাদান পানিতে মিশিয়ে যায়, যার কারণে কিডনিতে পাথর হতে পারে।

পানি অতিরিক্ত ফোটানোর কারণে
যেসকল স্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্যে আপনি
পড়তে পারেন সেগুলো এক নজরে দেখে
নিন। 


১। নাইট্রেট
মাটি, পানি, বায়ুসহ পৃথিবীর সব
স্থানে নাইট্রেটের দেখা পাওয়া
যায়। পানি অধিক ফোটানোর ফলে এই
নাইট্রেটের রাসায়নিক পরিবর্তন
ঘটে। উচ্চতাপে নাইট্রেট/Nitrate পরিণত হয় nitrosamines-এ , যা
থেকে ক্যান্সার রোগ সৃষ্টি হতে পারে।
জরায়ু, কোলন, অগ্ন্যাশয়, খাদ্যনালী ও
পাকস্থলীর ক্যানসার মত রোগও সৃষ্টি
হতে পারে এর কারণে। 

২। ফ্লোরাইড
গবেষণায় দেখা গেছে, দীর্ঘ সময়
উত্তপ্ত পানির মধ্যে ফ্লোরাইড পাওয়া
যায়। যা মানবদেহের মারাত্মক ক্ষতি
করে থাকে। এটি শিশুদের মস্তিষ্কের
গঠন প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করে থাকে। শিশুদের আইকিউ কম হওয়ার
কারণ হিসেবে পানির ফ্লোরাইডকে
দায়ী করেছে এনভায়রনমেন্ট হেলথ
সায়েন্সেস’ সাময়িকী। ২০১৩ সালে এর
আরেক গবেষণায় পানির ফ্লোরাইডকে
সন্তান জন্মদান ক্ষমতা হ্রাসের কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। 

৩। আর্সেনিক
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে পানি
অধিক ফোটানোর কারণে পানিতে
আর্সেনিকের প্রভাব দেখা দিতে
পারে। আর আর্সেনিক থেকে হতে পারে
ডায়াবেটিস এবং হৃদরোগ ও ফুসফুসের নানা রোগে। আর্সেনিকের বিষক্রিয়া
পরিপাক অঙ্গ এর ওপর ক্ষতিকারক
প্রভাব ফেলে।

Friday, December 11, 2015

খাঁটি মধু যাচাই করতে হবে চারটি উপায়ে



সব মধুর চেহারা একই রকম হওয়ায় বোঝা দায় কোনটি আসল, কোনটি নকল। তবে আপনার যদি কিছু কৌশল জানা থাকে তবে সহজেই চিনে নিতে পারবেন আসল মধুটি। এ জন্য চারটি পদ্ধতির যেকোনো একটি কিংবা ভালোভাবে নিশ্চিত হতে একাধিক পদ্ধতি অবলম্বন করতে পারেন।

১. এক গ্লাস পানিতে এক চামচ পরিমাণ মধু দিন। তারপর আস্তে আস্তে গ্লাসটি নাড়া দিন। মধু পানির সঙ্গে মিশে গেলে নিশ্চিত হবেন সেটা ভেজাল মধু। আর মধু যদি ছোট পিণ্ডের মতো গ্লাসের পানিতে ছড়িয়ে যায়, তাহলে বুঝবেন সেটা খাঁটি মধু।

২. পরিষ্কার সাদা কাপড়ে অল্প একটু মধু লাগিয়ে শুকিয়ে নিন। একটু পর কাপড়টি ধুয়ে ফেলুন। কাপড়ে দাগ থেকে গেলে বুঝতে হবে এই মধু নকল। আর কাপড়ে দাগ না থাকলে সেটা খাঁটি মধু।

৩. মধুর আসল-নকল নির্ধারণ করতে এক টুকরো কাগজে অল্প একটু মধু লাগিয়ে নিন। এবার যেখানে পিঁপড়া আছে সেখানে রেখে দিন। তারপর অপেক্ষা করতে থাকুন। মধুতে যদি পিঁপড়া ধরে তাহলে বুঝে নেবেন আপনার কেনা মধুতে ভেজাল আছে।



৪. মধু ডিপ ফ্রিজে রেখে দিন। ভেজাল মধু হলে এটা জমে যাবে। আর না জমলেও ভেজাল মধুর নিচে জমাট তলানি পড়বে।

Thursday, December 10, 2015

হৃদরোগীদের খাবার ও অপারেশনের পরবর্তী সময়।


হার্টের অপারেশনের পর অনেকেই চিন্তিত থাকেন রোগীকে কী ধরনের খাবার খাওয়াবেন। সাধারণত সার্জারির ৬-৮ সপ্তাহ সময় লাগে রোগীর ক্ষত শুকানোসহ খাবারের রুচি ও শরীরের শক্তি পুনরায় ফিরে পেতে। এমনকি কোনো কোনো ক্ষেত্রে সুস্থ হতে তিন মাসের মতো সময় লাগে। সাধারণত একজন হৃদরোগীকে কী ধরনের খাবার দিতে হবে, তা নির্ধারণ করা হয় রোগীর করনারি হার্টের অসুখ আছে কি না, রোগীর ওজন কত, তার রক্তচাপ ও লিপিড প্রোফাইল কেমন এ বিষয়গুলো বিবেচনায় রেখে। আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশন হৃদরোগীদের এমন খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেয়, যাতে ফ্যাট, সম্পৃক্ত চর্বি, কোলেস্টেরল ও খাওয়ার লবণ কম থাকে এবং পূর্ণ শস্য, ফল, শাকসবজি, আমিষ ও খাদ্য আঁশ বেশি থাকে।


অপারেশনের পর তিন ধরনের খাবারের প্রতি লক্ষ রাখা দরকার। এগুলো হলো-

* ফ্যাট হকোলেস্টেরল হলবণ

সাধারণত দুই ধরনের ফ্যাট আছে- সম্পৃক্ত ফ্যাট ও অসম্পৃক্ত ফ্যাট। সম্পৃক্ত ফ্যাট হার্টের জন্য ক্ষতিকর। তাই পুরোপুরি বাদ দিন। সম্পৃক্ত ফ্যাট থাকে এমন খাবার হলো তেলে ভাজা যেকোনো খাবার, নারিকেল, পামতেল, গোশত, মাখন, ছানা ইত্যাদি।

যে খাবারগুলোতে কোলেস্টেরল বেশি সেগুলো বাদ দিন।
যেমন- ডিমের কুসুম, খাসির মাংস, কলিজা, পূর্ণ ননিযুক্ত দুধ ইত্যাদি।
বর্জন করতে হবে লবণযুক্ত খাবার। যেমন- আচার, লবণ দেওয়া বাদাম, চিপস, বিস্কুটসহ নানা রকম প্রসেস ফুড।

অপারেশন রোগীদের খাদ্য তৈরি বা পরিবেশনের সময় যে নিয়ম মেনে চলতে হবে

* সম্পৃক্ত চর্বির পরিমাণ মোট ক্যালরির ৭ শতাংশের কম রাখা।

* ট্রান্স ফ্যাট মোট ক্যালরির ১ শতাংশের কম হওয়া।

* প্রতিদিন কোলেস্টেরল গ্রহণের পরিমাণ ৩০০ মিলিগ্রামের নিচে রাখা।

* সপ্তাহে কমপক্ষে দুই দিন তেলসমৃদ্ধ মাছ খাবারে যুক্ত করা।

* খাদ্য তালিকায় আঁশযুক্ত খাবার ও পূর্ণ শস্য রাখা।

* ফল ও শাকসবজি বেশি খাওয়ানো।

* দুধ ও দুধজাতীয় খাবারের ক্ষেত্রে ননিবিহীন বা কম ননিযুক্ত খাবার বাছাই করা।

* লবণাক্ত যেকোন ধরনের খাবার বর্জন। তেমনি বেশি মিষ্টি ও চিনিযুক্ত খাবার পরিহার করা।

* কম লবণ দিয়ে রান্না করা। একজনের জন্য দিনে সর্বোচ্চ এক চা চামচ (২০০০ মিলিগ্রাম) লবণ বরাদ্দ

* কফি ও অ্যালকোহল না দেওয়া।

* ওজন বেশি হলে প্রয়োজনীয় মোট ক্যালরির তুলনায় কিছুটা কম দেওয়া।

উপকারী খাবার

অপারেশনের পরের সময় বিশেষ কিছু খাবার খেলে উপকার পাওয়া যায়। তাই প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় মিষ্টি আলু, সবুজ শাক, তাজা ফল, গাজর, মিষ্টি কুমড়া, লাউ, লাল আটার রুটি, পেঁয়াজ, রসুন ইত্যাদি রাখুন।

ক্ষতিকর খাবার

এমন কিছু খাবার আছে যেগুলো বাদ দিতে হবে। যেমন- চর্বিযুক্ত মাংস, কলিজা, লাল মাংস, মার্জারিন, লবণাক্ত যেকোন খাবার, চিনি, আইসক্রিম, ডুবো তেলে ভাজা খাবার, ডিমের কুসুম, প্রসেস ফুড ।
অপারেশন-পরবর্তী সমস্যা ও সমাধান

প্রথম কয়েক সপ্তাহ রোগীদের মধ্যে খাবারে অরুচি, খাবারের স্বাদ পরিবর্তন, বমি বমি ভাব, গলা শুকিয়ে যাওয়া ও কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দেয়।
এ সমস্যাগুলো থাকলে কী করবেন?

* প্রতিটি রোগীরই খাবারে অরুচি থাকে। সে জন্য রোগীকে একবারে বেশি না খেতে দিয়ে কম করে বারবার খেতে দিন। এমন খাবার দিন, যা খেতে সহজ ও হজম হয় সহজে। যেমন- স্যুপ, নরম ভাত, সাগুদানা, ফল ইত্যাদি।

* বমি করার প্রবণতা থাকলে গরম খাবারের পরিবর্তে ঠাণ্ডা খাবার দিন। ঠাণ্ডা কাস্টার্ড, দই, ফলের রস, স্যান্ডউইচ বা সালাদ দিতে পারেন।

* বারবার গলা বা মুখ শুকিয়ে এলে পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করান। এ ছাড়া চুইংগাম বা মিন্ট চকোলেট মুখে রাখতে পারে। অথবা ফলের রস বা সবজির সালাদ খাওয়ানো যেতে পারে। পানি পান করতে ভালো না লাগলে লেবুর শরবত খেতে দিন।

* কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করতে আঁশযুক্ত খাবার যেমন ডাল, পূর্ণ শস্য, তাজা ও শুকনা ফল, শাকসবজিসহ দিনে ৮-১০ গ্লাস তরল খেতে দিন। কমপক্ষে ৮ গ্লাস পানি পান করান।

গ্যাস্ট্রিক সমস্যার সমাধান তাও আবার ওষুধ ছাড়াই!!


দীর্ঘসময় যাবৎ খাবারের অনিয়ম এবং অতিরিক্ত তৈলাক্ত ও ভাজাপোড়া খাবারের কারণে অনেককেই গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় পড়তে দেখা যায়। যারা এই সমস্যায় ভোগেন তাদের খাবারে সামান্য একটু অনিয়ম হলেই শুরু হয়ে যায় গ্যাস্ট্রিকের মারাত্মক ব্যথা। অনেক সময় অতিরিক্ত অনিয়মে এই সাধারণ গ্যাস্ট্রিকের সমস্যাই সৃষ্টি করে আলসার। তাই শুরুতেই সতর্ক হওয়া জরুরি। আজ জেনে নিন গ্যাস্ট্রিক সমস্যার চটজলদি দারুণ কিছু প্রাকৃতিক সমাধান। সম্পূর্ণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াবিহীন এই সমাধানগুলো দূর করবে সাধারণ গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা।

* বেকিং সোডা

বেকিং সোডা পেটের অ্যাসিডের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে এবং গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থেকে তাৎক্ষণিক রেহাই পেতে সাহায্য করে। ১ গ্লাস পানিতে ১/৪ চা চামচ বেকিং সোডা মিশিয়ে পান করুন। ভালো ফলাফল পাবেন।

* আদা

আদার ওষধি গুণ গ্যাসের সমস্যা, বুক জ্বালাপোড়া, হজমে সমস্যা এবং অ্যাসিডিটির সমস্যা দ্রুত সমাধানে সক্ষম। কাঁচা আদা চিবিয়ে খেতে পারেন অথবা আদার রস বের করে পান করতে পারেন কিংবা আদা পানিতে ফুটিয়ে চায়ের মতো পান করে নিলেও সমস্যার সমাধান হবে।

* কাঁচা আলুর রস

আলু স্লাইস করে কেটে ওপরে কিছুটা লবণ ছিটিয়ে রেখে দিন পুরো রাত। পরের দিন এই আলুর রস বের করে পান করুন। দিনে ৩ বার আধা কাপ আলুর রস পান করলে খুব ভালো ফলাফল পাবেন।

* পেয়ারা পাতা

২ কাপ পানিতে পেয়ারা পাতা দিয়ে ফুটিয়ে নিন। পানি ১ কাপ পরিমাণে হলে ছেঁকে পান করুন। এতেও বেশ ভালো উপকার হবে।

* হলুদের পাতা

হলুদের পাতা কুচি করে কেটে প্রতিদিন দুধের সাথে মিশিয়ে পান করে নিন। এতে করে পেটে ব্যথা এবং গ্যাসের সমস্যার সমাধান হবে।

* আপেল সাইডার ভিনেগার

গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থেকে তাৎক্ষণিক রেহাই পেতে এর জুড়ি নেই। ১ গ্লাস কুসুম গরম পানিতে ২ টেবিল চামচ আপেল সাইডার ভিনেগার মিশিয়ে পান করে ফেলুন।

* দারুচিনি

দারুচিনি খুব সহজেই গ্যাস্ট্রিকের সমস্যার সমাধান করতে কার্যকরী। দারুচিনি অ্যাসিডিটি সমস্যা কমায়, গ্যাস দূর করে। দারুচিনি প্রদাহ কমায় এবং ব্যাকটেরিয়া দূর করতেও বিশেষভাবে কার্যকরী। ভালো ফলাফল পেতে কফি, দুধ অথবা ওটমিলের সাথে দারুচিনি গুঁড়ো যোগ করে নিন।

ক্যানসারের ঝুঁকি আছ চিপ্সে!!!


টক-ঝাল-নোনতা মচমচে আলু চিপসের ভক্ত ছোট বড় সবাই। অথচ এই চিপস বহন করছে এক্রাইলামাইড নামক একটি উপাদান যা ক্যানসারের জন্য দায়ি।


সুইডিস ন্যাশনাল ফুড অথোরিটির গবেষণায় বলা হয়েছে আলু এক প্রকার উচ্চ শ্বেতসার সমৃদ্ধ সবজি। এই আলুর পাতলা স্লাইস অতিরিক্ত লবণ, তেলে অনেকক্ষণ ভাজাসহ সংরক্ষণ করতে উচ্চতাপ ব্যবহার করতে হয়। এতে খাদ্যগুণই শুধু নষ্ট হয় না, এক্রাইলামাইড জাতীয় জটিল জীবননাশক যৌগ উৎপাদনে এটি বিশেষ ভূমিকা রাখে।


এক্রাইলামাইড দ্রুত মানবদেহে ক্যানসারের বাসা বাধতে সহযোগিতা করে। তবে পুষ্টিবিদদের মতে, নিয়ন্ত্রিত তাপমাত্রায় খাদ্যগুণাগুণ বজায় রেখে চিপস তৈরি করা সম্ভব। প্রস্তুতকারকদের সদিচ্ছা আর সুসংহত খাদ্য ব্যবস্থাপনার আওতায় তা বাস্তবে রূপ দেয়া সম্ভব। কিন্তু এই প্রিয় খাবারের মাঝে যে লুকিয়ে আছে মারাত্মক প্রাণঘাতি ব্যাধি তা কেউ কখনো চিন্তা করে না।

বাচ্চারা তো আছেই, বড়রাও কাজের ফাঁকে অন্যকিছুর বদলে টক-ঝাল-নোনতা এই মচমচে চিপসেরই ভক্ত। অথচ এই মজার স্ন্যাকস বহন করছে ক্যানসার হওয়ার জন্য দায়ি উপাদান এক্রাইলামাইড।

পানিতে ডুবে গেলে কী করবেন?




প্রায়ই পত্রিকার পাতায় খবর আসে, পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু। খুবই মর্মান্তিক একটি বিষয় এটি। ২০১৩ সালে সারা বিশ্বে প্রায় চার লাখ লোক মারা গেছে পানিতে ডুবে। এর মধ্যে ৮২ হাজারই পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু। ৯৬ শতাংশ পানিতে ডুবে মৃত্যু হয় নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আয়ের দেশগুলোতে। বাংলাদেশেও প্রতিবছর পানিতে পড়ে শিশু মারা যায়। বাংলাদেশ স্বাস্থ্য ও ইনজুরি সার্ভের (বিএইচআইএস) মতে, প্রতিবছর প্রায় ১৭ হাজার শিশু মারা যায় পানিতে ডুবে, এদের বয়স এক থেকে চার বছরের মধ্যে। অর্থাৎ প্রতিদিন প্রায় ৪৬ শিশু মারা যায়।

বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ। আইসিডিডিআরবির গবেষণামতে, দেশে প্রায় সাড়ে ছয় হাজার পুকুর রয়েছে, খাল আছে চার হাজার, নদী-নালা বাদেই। তাদের মতে, বেশির ভাগ মৃত্যুর ঘটনা ঘটে পুকুর ও খালে; এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর মাসে; এক থেকে দুই বছরের শিশুদের মধ্যে; সকাল ৯টা ও দুপুরে, বিশেষ করে মা যখন কাজে ব্যস্ত থাকেন।

কেউ পানিতে ডুবে গেলে আতঙ্কিত না হয়ে প্রথমে তাকে তুলে নিয়ে আসুন। ডুবন্ত কাউকে সাহায্য করতে গেলে সাবধান। কারণ, ডুবন্ত ব্যক্তি উদ্ধারকারীকে সজোরে জড়িয়ে ধরে, ফলে দেখা দিতে পারে বিপত্তি। এ জন্য ডুবন্ত ব্যক্তিকে পেছন থেকে হাতসহ জড়িয়ে ধরে পানি থেকে তুলতে পারেন। পানির ওপরে তোলার পর উপুড় করে দেখতে হবে শ্বাস-প্রশ্বাস আছে কি না। ডুবন্ত ব্যক্তির নাম ধরে ডাক দিয়েও দেখা যেতে পারে তিনি সাড়া দেন কি না। যদি শ্বাস-প্রশ্বাস না থাকে বা শ্বাস নিতে কষ্টকর হয়, তাহলে দেখতে হবে শ্বাসনালির কোথাও কিছু আটকে আছে কি না। এ জন্য আঙুল দিয়ে মুখের মধ্যে কাদা-মাটি থাকলে বের করে দিতে হবে। তার পরও শ্বাস না নিলে মাথা টানটান করে ধরে মুখ হাঁ করতে হবে। এবার উদ্ধারকারী ব্যক্তিকে পেট ভরে শ্বাস নিতে হবে।

ডুবন্ত ব্যক্তির মুখের সঙ্গে মুখ এমনভাবে লাগাতে হবে যেন কোনো ফাঁকা না থাকে। শিশু কম বয়সী হলে নাক-মুখ একসঙ্গে মুখের মধ্যে পুড়তে হবে আর বেশি বয়সী হলে নাক হাত দিয়ে চেপে ধরে মুখে মুখ লাগাতে হবে। এ অবস্থায় উদ্ধারকারী জোরে শ্বাস নিয়ে ডুবন্ত ব্যক্তির মুখে মুখ দিতে হবে। দেখতে হবে, শ্বাস দেওয়ার ফলে ডুবন্ত ব্যক্তির পেট ফুলে যায় কি না। যদি পেট ফুলে যায়, তাহলে বোঝা যাবে শ্বাস দেওয়া ঠিকমতো হচ্ছে। ডুবন্ত ব্যক্তি নিজে থেকে শ্বাস না নেওয়া পর্যন্ত এমন চলতে থাকবে।

হাত ধরে বা গলার পাশে উঁচু অংশ, যেটাকে আডম অ্যাপেল বলে, তার পাশে হাত দিয়ে দেখতে হবে নাড়ির স্পন্দন আছে কি না। যদি না থাকে, তাহলে বুকে চাপ দিতে হবে। বুকের বাঁ পাশে হাত রেখে জোরে জোরে চাপ দিতে হবে যেন বুক বেশ খানিকটা দেবে যায়। যদি শিশু এক থেকে দুই বছরের হয়, তাহলে শিশুর বুক দুই হাত দিয়ে ধরে বুড়ো আঙুল দিয়ে চাপ দিতে হবে। এভাবে পাঁচবার চাপ দেওয়ার পর আগের মতো শ্বাস দিতে হবে। এভাবে নাড়ির গতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত চালাতে হবে।

এভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা চলার পাশাপাশি দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। শিশু পানিতে থাকার কারণে শরীরের তাপমাত্রা কমে যায়। তাই শরীর গরম রাখার জন্য কাপড়চোপড় দিয়ে ভালো করে ঢেকে রাখতে হবে।

অনেকে পানি থেকে তুলেই পেটে চাপ দিয়ে বা শিশুকে উল্টো করে পেটে চাপ দিয়ে পানি বের করার চেষ্টা করেন। এটা ঠিক নয়। এতে শিশু বমি করে দিতে পারে। পরে তা আবার ফুসফুসে প্রবেশ করে জটিলতা দেখা দিতে পারে।

পানিতে ডোবা প্রতিরোধে সাঁতার শিখুন। ছোট শিশুরা বাথটাবে, পানিভর্তি বালতিতেও ডুবতে পারে। কারণ শুধু নাক-মুখ পানিতে ডুবে গেলে শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হয়ে শিশু মারা যেতে পারে। তাই সাবধান হতে হবে। বেড়াতে গিয়ে শিশু পুকুর-নদীতে গোসল করতে গিয়ে ডুবতে পারে। তাই শিশুকে একা ছাড়বেন না। নদীপথে যাত্রার সময় লাইফ জ্যাকেট পরিধান করুন। যাদের খিঁচুনি আছে, তারা পুকুরে বা সুইমিংপুলে সাঁতার কাটতে যাবেন না। গ্রামে পুকুর-খালের চারপাশে বেড়া দিয়ে দিন, যেন শিশু পুকুরে যেতে না পারে।


লেখক : মেডিকেল অফিসার, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

প্রাণিজ চর্বিতে বাড়ে হৃদরোগের ঝুঁকি



হৃদরোগের পেছনে সব ধরনের ফ্যাটকে দায়ী করার একটি প্রবণতা আছে। সম্প্রতি এক গবেষণায় জানা গেছে, বাটার ও অন্য স্যাচুরেটেড ফ্যাট হৃদরোগের সম্ভাবনা বাড়ানোর সঙ্গে সম্পর্ক নেই। তবে এক্ষেত্রে মূলত প্রাণিজ চর্বি থেকে আগত ‘ট্রান্স ফ্যাট’ ঝুঁকিপূর্ণ। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে আইএএনএস।
ক্ষতিকর ট্রান্স ফ্যাট পাওয়া যায় মূলত প্রাণীদেহে। এগুলো হৃদরোগ ও অনুরূপ রোগের মাধ্যমে মৃত্যুঝুঁকি বাড়ায়। এ ছাড়া এগুলোর কারণে করোনারি হার্ট ডিজিজ, স্ট্রোক ও টাইপ টু ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ে।

এ বিষয়ে গবেষণাটি করেছেন ম্যাকমাস্টার ইউনিভার্সিটির গবেষকরা। গবেষণাপত্রটির প্রধান লেখক ও অন্যতম গবেষক প্রফেসর রাসেল ডি সোউজা এ বিষয়ে বলেন, ”বহু বছর ধরে সবাই ফ্যাট কমাতে বলছেন। ট্রান্স ফ্যাটে কোনো স্বাস্থ্যগত সুবিধা নেই এবং এতে হৃদরোগের সম্ভাবনাও বেড়ে যায়। কিন্তু স্যাচুরেটেড ফ্যাটের বিষয়টি এ ক্ষেত্রে অপেক্ষাকৃত অস্পষ্ট।”

গবেষণা দলটি স্যাচুরেটেড ফ্যাট বেশি মাত্রায় গ্রহণের সঙ্গে হৃদরোগ বাড়ার সম্পর্ক খুঁজে পায়নি। তাই তাদের পরামর্শ হলো প্রাণিজ চর্বি বা ট্রান্স ফ্যাট বাদ দিয়ে অন্য বিকল্পগুলো ব্যবহার করতে। এসব বিকল্পের মধ্যে রয়েছে ভেজিটেবল অয়েল, বাদাম ও হোল গ্রেইন পণ্য।
গবেষণার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে ব্রিটিশ মেডিক্যাল জার্নালে।

দাঁতের সুরক্ষায় করণীয়


দাঁত  মানুষের দেহের গুরুত্বপূর্ণ এক অংশ। বর্তমানে আমাদের দেশে দাঁত সুরক্ষার জন্য বেশ আধুনিক চিকিৎসা চালু হয়েছে। দাঁতের সুরক্ষায় করণীয় সম্পর্কে পরামর্শ দিয়েছেন দেশের খ্যাতনামা বিশিষ্ট ডেন্টাল সার্জন ডা. সৈয়দ তমিজুল আহসান রতন।
প্রশ্ন : দাঁতের চিকিৎসা এখন আমাদের দেশে অত্যন্ত আধুনিক। বিশ্বে যে ধরনের আধুনিক দাঁতের চিকিৎসা রয়েছে, তার সবই বাংলাদেশে আছে। আপনার দৃষ্টিতে দাঁতের সুরক্ষার জন্য আধুনিক চিকিৎসা মানে কী?
উত্তর : মুখ হচ্ছে একটা মাত্র প্রবেশদ্বার শরীরের ভেতরে যাওয়ার। এত বড় প্রবেশ দ্বার আর নেই। সে জন্য এটা যদি ঠিক না থাকে ভেতরের জিনিসগুলো কীভাবে ঠিক থাকবে? তাই দাঁতের পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার বিষয়টি যদি ঠিক রাখি, সব ঠিক থাকবে। এখন মুখের পরিচ্ছন্নতা ঠিক রাখার বিষয়টি কী? আন্তর্জাতিকভাবে বলা হয়, ছয় মাস পরপর সম্পূর্ণ চেকআপ করা। তার মুখের কোথায় কী সমস্যা আছে সেটি দেখা। এখন চেকআপ করার পর দেখা যায় তার ক্ষয়, গর্ত আছে। এই দাঁতটা যাতে ফেলে না দিতে হয়, এর আধুনিক চিকিৎসা বের হয়ে গেছে অনেক ধরনের।

প্রশ্ন : কী ধরনের?

উত্তর : এখন যদি একটা লোকের সাধারণ গর্ত হয়, তখন ফিলিং করে  বন্ধ করে দিতে পারি, তাহলে এটা এরপর আর ক্ষতি হবে না। যদি ক্ষতি হয়েই যায় তাহলে দাঁত ফেলতে হবে না। কারণ আধুনিক চিকিৎসা রয়েছে। রুট ক্যানেল করে ওষুধ দিয়ে চিকিৎসা করে সেই দাঁতটাকে মমি করে অনেক দিন পর্যন্ত রাখা যায়।
তিনটি লেয়ার রয়েছে দাঁতের। প্রথম লেয়ার, দ্বিতীয় লেয়ার এবং তৃতীয় লেয়ার। এরপরে যদি সমস্যা হয়, তখন আর সাধারণ ফিলিং দেওয়া সম্ভব হয় না। রোগী আর থাকতে পারে না। প্রচণ্ড ব্যথা হয়। আগেকার দিনে চিকিৎসা ছিল ফেলে দেওয়া। আধুনিক চিকিৎসা হলো দাঁতটা রাখা। এখন আর দাঁতটা ফেলতে হয় না। তাকে রুট ক্যানেল করলে হয়। রুট ক্যানেল করার পর সেখানে আমরা একটি ক্যাপ লাগিয়ে দিই। এই দাঁতটি দিয়ে সে সারা জীবন স্বাভাবিক দাঁতের মতো থাকতে পারে।

প্রশ্ন : ফিলিং করে দাঁত রক্ষা করার ক্ষেত্রে বিভিন্ন রকম ফিলিং আছে। কোনোটা কালো, মেটালিক, মার্কারি বেইজ। এই রকম ভেদ কেন এবং এর মধ্যে ভালো কোনটা?

উত্তর : যখন কোনো ধরনের ফিলিং ম্যাটেরিয়াল ছিল না তখন মেটাল জাতীয় ফিলিং মেটেরিয়ালগুলো ব্যবহার করা হতো। এলয় এবং মার্কারি এর সমন্বয়ে একটি জিনিস তৈরি করা হয় সেটাকে মেটাল ফিলিং বলে। কিন্তু মার্কারি হলো ক্ষতিকর এবং কারসিনোজেনর রয়েছে। তাই আন্তর্জাতিকভাবে সবাই বলছে এই জিনিসগুলো ব্যবহার করা যাবে না। এর পরিবর্তে অনেক ধরনের জিনিস বের হয়েছে। কম্পোজিট ম্যাটেরিয়াল দিয়ে দাঁতের রঙে ফিলিং করা যায়। পাশাপাশি এর শক্তি অনেক বেশি হয়। কেউ যদি মনে করে এটা কি চিরস্থায়ী ফিলিং? আসলে চিরস্থায়ী বলে তো পৃথিবীতে কিছু নেই। কারণ প্রতিটি ফিলিংই পাঁচ বছর পরপর চেকআপ করে পরিবর্তন করা উচিত। এই কম্পোজিট ফিলিংগুলো অনেকদিন থাকে, তবে পরির্বতন করতে হয়। দাঁতটা বেঁচে যায় তবে ফিলিং ম্যাটেরিয়ালগুলো ক্ষয় হবে।

প্রশ্ন : অনেকে মনে করে ম্যাটালিক ফিলিং শক্ত বেশি। মাড়ির দাঁতের জন্য তাই কসমেটিক ফিলিং হবে কি না?

উত্তর : আমরা মাড়ির দাঁতে এই ফিলিং অহরহ করছি। কোনো সমস্যা নেই।

প্রশ্ন : এই ফিলিং করার জন্য যে আল্ট্রাভায়োলেট-রে দেওয়া হয়। এই রে যে মাত্রায় দেওয়া হয় সেটা ক্ষতিকর কি না?

উত্তর : না, একদমই কোনো ক্ষতি করে না। এখানে যতটুকু রে ব্যবহার করা হয়, সেটা তেমন ক্ষতিকর নয়। যে চিকিৎসক করছেন তাঁর কি ক্ষতি হচ্ছে না? আসলে জিনিসটি এত স্বল্প মাত্রায় এতে ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা নেই।

প্রশ্ন: আধুনিক চিকিৎসা বলতে এখন একটি শব্দ জড়িয়ে গেছে সেটা হলো লেজার চিকিৎসা। মুখের বা দাঁতের আধুনিক চিকিৎসায় লেজারের ভূমিকা কী?

উত্তর : অনেকের দেখা যায় গাম বা মাড়ির রং বিভিন্ন হয়। এই রং প্রাকৃতিক করার জন্য লেজারের কিছু ভূমিকা রয়েছে।

প্রশ্ন : আর দাঁতের সমস্যায়?

উত্তর : আসলে দাঁতের সমস্যায় সার্জারির কিছু ভূমিকা রয়েছে। দাঁতের সমস্যায় এখনো রুট ক্যানেল, সার্জারি করা হয়। আসলে আমাদের দেশে দাঁতের সমস্যায় এখনো তেমন লেজারের ব্যবহার নাই। আমাদের দেশে যদি লেজার ব্যবহার করতে যাই, আসলে এগুলো এত দামি যে সব দন্ত্যচিকিৎসকের ক্ষেত্রে করা সম্ভব নয়। একটা রুট ক্যানেল করতে বাইরের দেশে এক হাজার ২০০ ডলার নিচ্ছে। আমরা তো সেটা নিতে পারি না। আমরা এখন অনেক আধুনিক মেশিন ব্যবহার করছি। যেমন ডিজিটাল এক্সরে মেশিন রয়েছে। তবে সব দন্ত্যচিকিৎসক লেজার ব্যবহার করতে পারবেন না। আর রংটা দূর হয় ঠিকই তবে কিছুদিন পর আবার আগের রং ফিরে আসে। আমরা ব্লিচিং করি। ব্লিচিং থাকে কিছুদিন। তবে একপর্যায়ে স্পর্শকাতর হয়ে যায়। আমি সাধারণত কম উৎসাহী করি, বলি খুব বাধ্য না হলে করো না।

প্রশ্ন : একটা সময় ছিল দাঁতে ব্যথা হলে, দাঁত ভেঙে গেলে, ক্রাউনের অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হলে সেটা ফেলে দেওয়া হতো। দাঁত ফেলে দেওয়ার অনেক ক্ষতি রয়েছে। মানুষ সচেতন, এটা বোঝেন। এই দাঁতটা রাখতে হলে রুট ক্যানেল এবং ক্যাপ করেন আপনারা। এই বিষয়টি কী?

উত্তর : আসলে দাঁতকে ফেলে দেওয়ার পরিবর্তে যে মমি করা হয়, ভেতরের যে নার্ভগুলো সেগুলো যদি দিনকে দিন ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যায় তখন এটা করতে হয়। এক একটা দাঁতে এক একটা নার্ভের ঘর থাকে। পাল্প থাকে। আমরা সেগুলোকে বের করি। এরপর সম্পূর্ণ পরিষ্কার করি। এরপর এর ভেতরে কৃত্রিম ফিলার দিয়ে দিই। আমি সাধারণত দাঁত ফেলি না। এর উপরে একটা কভার লাগিয়ে দিই। এই দাঁত দিয়ে সে সব করে।

প্রশ্ন : অনেকে প্রশ্ন করে রুট ক্যানেলে আপনি নার্ভ ফেলে দিচ্ছেন, রক্তনালি ফেলে দিচ্ছেন, দাঁতটা তো মরে যাবে। এর ওপর একটি কাভার বসিয়ে দেবেন। এই দাঁত দিয়ে খেয়ে কি আমি স্বাদ পাব?

উত্তর : কোনো সময় কেউ কি খেয়াল করেছে আমি নির্দিষ্ট দাঁত দিয়ে খেয়ে আরাম পাচ্ছি, স্বাদ পাচ্ছি। স্বাদ প্রকাশ পায় জিহ্বে। দাঁত কেবল চাবায়। আসলে দাঁতের কাজ চিবিয়ে খাওয়া। এটা তখন হয়। আর পাল্প ফেলে দিলে পুরোপুরি মরে যাওয়ার যে ধারণা, সেটা আসলে হয় না। দাঁতের সঙ্গে হাড়ের সম্পর্ক থাকছে। রুট ক্যানেল করলে সে আরো শক্ত হয়ে যায় হাঁড়ের সঙ্গে। আর সে ভাঙতে চায় না।
সূত্র : এনটিভি

Wednesday, December 9, 2015

ফর্সা হাত পা পাওয়ার কিছু ঘরোয়া টিপস

আমাদের অনেকেরি শরীরের অন্য অংশের তুলনায় হাত পা একটু বেশি কালো হয়। মুখ, হাত ও পা এর রঙের ভিন্নতা প্রায় সবাইর দুশ্চিন্তার কারণ।


ফর্সা হাত পা ছাড়া আপনি অনেক ফ্যাশন থেকেই হয়তো নিজেকে সরিয়ে রাখছেন। হয়তো হাতাকাটা জামা কিনার সাহস পাচ্ছেন না। অথবা এক জোড়া জুতা যা খুবই সখ করে কিনেছেন কিন্তু পরতে পারছেন না। কারণ সেটা আপনার কালো পায়ে মানাচ্ছে না।

ফর্সা হাত পা পেতে যা করবেনঃ

১. ফর্সা হাত পা এর জন্য কাঁচা দুধঃ

কাঁচা দুধ খুবই কার্যকরী ফর্সা হাত পা এর জন্য। কাঁচা দুধে ল্যাকটিক এসিড আছে, যা ত্বকের ভিতর থেকে ফর্সা করতে কার্যকরী। তাই কাঁচা দুধে তুলার বল ভিজিয়ে হাত ও পায়ে হালকা ভাবে ঘসে লাগিয়ে নিন। আপনি চাইলে হাত দিয়েও লাগাতে পারেন। শুখিয়ে গেলে এবার লাগিয়ে নিতে পারেন। না হয় একবার লাগিয়েই ১০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। প্রতিদিন কাঁচা দুধ হাত ও পায়ে লাগালে আপনি খুব কম সময়েই পাবেন ফরসা হাত পা।

২. শুকনা কমলার খসা ও দুধঃ

শুকনা কমলার খোসা ত্বকের জন্য খুবই উপকারি। বিশেষ করে এটি ত্বকের কালচে ভাব দূর করে ও ত্বকের ময়লা পরিস্কার করে। তাই কড়া রোঁদে কমলার খোসা রেখে তা ভালোভাবে শুকিয়ে নিন। শুখিয়ে গেলে তা ভালোভাবে পাউডার করে একটি পাত্রে সংরক্ষন করুন। তারপর ৪ টেবিল চামচ শুখনা কমলার খোসার গুঁড়ো নিয়ে তার সাথে দুধ মিশিয়ে খুব ভালোভাবে পেস্ট করে নিন। পেস্টটি হাতে ও পায়ে লাগিয়ে নিন এবং ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এই মাস্কটি আপনার হাত ও পা থেকে ময়লা দূর করবে এবং আপনাকে দিবে ফর্সা হাত পা। সপ্তাহে ৩ দিন এই মাস্কটি ব্যাবহার করুন।

৩. ফর্সা হাত ও পা এর জন্য টম্যাটোর রস, চন্দনের গুঁড়া ও হলুদের মাস্কঃ

টম্যাটোর রসে আছে প্রাকৃতিক ব্লিচিং উপাদান। ত্বকের যত্নে হলুদের কোন তুলনা নেই। হলুদ ত্বক থেকে বয়সের দাগ, রোঁদে পোড়া দাগ ও ব্রনের দাগ দূর করে। চন্দনের গুঁড়া ত্বকের ভিতর থেকে ময়লা পরিস্কার করে ও ত্বককে ফর্সা করতে সাহায্য করে। ২ টেবিল চামচ টম্যাটোর রস, ১ চামচ হলুদের গুঁড়া ও ২ টেবিল চামচ চন্দনের গুঁড়ার সাথে গোলাপ জল মিশিয়ে ঘন পেস্ট করে নিন। পেস্টটি হাত পায়ে লাগিয়ে ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ২ দিন এই মাস্কটি ব্যাবহার করে আপনি পেতে পারেন ফর্সা হাত ও পা।

৪. মধু ও দারুচিনির মাস্ক ফর্সা হাত পা এর জন্যঃ

শুধু মাত্র মধুই ত্বককে অনেক ফর্সা করতে সাহায্য করে। কালো হাত পা থেকে মুক্তি পেতে মধু বেশ সহায়ক। মধুর সাথে দারুচিনির গুঁড়া মিশিয়ে কালো হাত পা এর সমস্যা থেকে সহজেই মুক্তি পাওয়া যায়। ২ চা চামচ দারুচিনির পেস্টের সাথে ২ টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে পেস্ট করে নিন। হাত ও পায়ে মাস্কটি লাগিয়ে নিন ২০ মিনিট এর জন্য। তারপর ধুয়ে ফেলুন। এই মাস্কটি সপ্তাহে দুই দিন ব্যাবহার করে আপনি পেতে পারেন ফর্সা হাত ও পা।

৫. এলো ভেরা ও শসার রসঃ

এলো ভেরার রস বহু গুনাগুন সম্পন্ন। এলো ভেরার রস স্বাস্থ্য, ত্বক ও চুলের যত্নে বেশ উপকারি। এটি ত্বকের ভিতরের কোষ গুলোকে পরিষ্কার করে ও দাগ দূর করে। শসার রস কালো দাগ দূর করতে বেশ প্রচলিত। ১ টেবিল চামচ এলো ভেরার রসের সাথে ৩ টেবিল চামচ শসার রস মিশিয়ে নিন। তারপর মিশ্রণটি হাতে ও পায়ে লাগিয়ে নিন। ১০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। আপনি চাইলে মাসাজ করতে পারেন। হাত পা এর কালো দাগ ও রোঁদে পোড়া দাগ করতে এটি বেশ উপযোগী। তাই সপ্তাহে ২ বার মিশ্রণটি হাত পায়ে লাগিয়ে পেয়ে যান ফর্সা হাত ও পা।

৬. আলু ও লেবুর রসঃ

আলু ও লেবু ত্বকের পোড়া দাগ ও কালো দাগ দূর করতে বেশ সহায়ক। তাই আপনি আলু ও লেবুর রস (১ টেবিল চামচ) করে মিশিয়ে মিশ্রণ করে নিন। তারপর মিশ্রণ টি হাত ও পায়ে লাগিয়ে রাখুন ১৫ মিনিট এর জন্য। তারপর পরিস্কার পানি দিয়ে খুব ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ৪ দিন করেই দেখুন আপনি কিভাবে কালো হাত পা থেকে মুক্তি পেয়ে ফর্সা হাত পা পাবেন।

৭. হাত পা ফর্শা করার ময়েসচারাইজিং জেল বানিয়ে নিন ঘরেইঃ

হাত পা ফর্শা করতে বাজার থেকে কিনছেন লোশন, ক্রিম ও ময়েসচারাইজার? কিন্তু হাত পা থেকে কালচে ভাব যাচ্ছে না! তাই ঘরে বসেই বানিয়ে নিন ময়েসচারাইজিং জেল। একটি খালি বোতলের অর্ধেকটা ভরে নিন গোলাপ জল দিয়ে। বাকি অর্ধেক অংশের অর্ধেকটা ভরে নিন অলিভ অয়েল ও বাকি অর্ধেকটা গ্লিচারিন দিয়ে। তারপর বোতলটি ঝাকিয়ে নিন। রাতে ও গোসলের পর এই জেল টি পায়ে ও হাতে লাগিয়ে নিন। প্রতিদিন এই ভাবে ২ বার লাগালে ধীরে ধীরে আপনার হাত পা ফর্সা ও কোমল হয়ে উঠবে

Monday, November 30, 2015

অসহ্য দাঁতে ব্যাথার কিছু ঘরোয়া সমাধান দেখে নিন।


দাতে ব্যাথা খুব কষ্টকর একটা রোগের নাম।নিজের না হলে বোঝা যায়না এটা কতটা যন্ত্রনাদায়ক।দাঁতে ব্যাথার মত এর চিকিৎসা ব্যাবস্থাটাও অনেক কষ্টকর।তাই ডাক্টারের কাছে না যেয়ে ঘরোয়া উপায়ে এটা সমাধান করতে পারলে সেটাই রোগীর জন্য মঙ্গল।চলুন তাহলে দেখে নেয়া যাক দাঁতে ব্যাথার কিছু ঘরোয়া সমাধান সম্পর্কে।


দাঁতে ব্যাথার সমাধান

১। নুন ও গোলমরিচ- নুন ও গোলমরিচ সম পরিমাণে মিশিয়ে জল দিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন। দাঁতের উপর এই পেস্ট লাগিয়ে করেক মিনিট রাখুন। দাঁতে ব্যথা কমে গেলেও এটা কয়েক দিন করে গেলে আরাম পাবেন।

২। রসুন- এক কোয়া রসুন থেঁতো করে অল্প নুনের সঙ্গে মিশিয়ে দাঁতে লাগিয়ে রাখুন। খুব বেশি যন্ত্রণা হলে এক কোয়া রসুন চিবিয়ে খান। যন্ত্রণা কমে যাবে।

৩। লবঙ্গ- দুটো লবঙ্গ থেঁতো করে কয়েক ফোঁটা অলিভ অয়েলের সঙ্গে মিশিয়ে দাঁতে লাগান। আধ গ্লাস জেল লবঙ্গ তেল মিশিয়ে খেলেও উপকার পাবেন।

৪। পেঁয়াজ- পেঁয়াজের অ্যান্টিসেপটিক গুণ যে কোনও ক্ষত, ব্যথা সারাতে সাহায্য করে। দাঁতে ব্যথা হলে এক টুকরো কাঁচা পেঁয়াজ চিবিয়ে খেয়ে নিন। যদি বেশি ঝাঁঝ লাগে তবে দাঁতের উপর পেঁয়াজ রাখলেও আরাম পাবেন।

৫। হিং- এক চিমটে হিং বা আধ চা চামচ হিং গুঁড়ো দুই টেবিল চামচ লেবুর রসের সঙ্গে মিশিয়ে দাঁতে লাগান। এতে খুব তাড়া়তাড়ি ব্যথা কমে যাবে।

৬। নুন গরম জল- দাঁত, মাড়ি, গলায় ব্যথা কমাতে খুব ভাল কাজ করে নুন গরম জল। এক গ্লাস গরম জলে এক চা চামচ নুন মিশিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। এতে যে কোনও ইনফেকশন সেরে যাবে।

৭। পেয়ারা পাতা- দাঁতে ব্যথা হলে একটা বা দুটো পেয়ারা পাতা চিবিয়ে খেয়ে নিন। দাঁতের গো়ড়ায় পাতার রস ঢুকে ব্যথায় আরাম পাবেন।

৮। ভ্যানিলা এক্সট্রাক্ট- একটা তুলোয় কয়েক ফোঁটা ভ্যানিলা এক্সট্রাক্ট নিয়ে দাঁতের উপর লাগিয়ে রাখুন। যত ক্ষণ না ব্যথা কমে কয়েক বার এটা করতে থাকুন।

৯। দূর্বার রস- দূর্বার রস দাঁতে ব্যথা কমাতে খুব উপকারী। দাঁতের স্বাস্থ্য ভাল রাখতে প্রতি দিন দূর্বার রস খান।

১০। আইস কিউব- তুলোয় মুড়ে এক টুকরো বরফ ব্যথা দাঁত, মাড়িতে কিছু ক্ষণ চেপে ধরুন। এতে ব্যথা কমতে থাকবে।

এগুলোতে কাজ না হলে বুঝতে হবে আপনার সমস্যাটা অল্পের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই।তাহলে দ্রুত ডাক্টারের পরামর্শ নিন।

Saturday, November 28, 2015

শীতকালে সর্দি-কাশি সমস্যা?


সতর্কতা

শীত কিন্তু দরজায় প্রায় কড়া নাড়ছে। সেই সঙ্গে বাড়ছে সর্দি-কাশি আর ঠাণ্ডায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা। এই শীতকালীন সর্দি-কাশি সম্পর্কে আমাদের অনেকের মধ্যেই রয়েছে ভয় আবার অনেকের মধ্যেই রয়েছে অনেক ভ্রান্ত-ধারণা। আমাদের অনেকেই এ সময়ে সামান্য সর্দি-কাশি হলেই দারস্থ হন নিকটস্থ ফার্মেসির। কেউ কেউ আবার ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়াই গ্রহণ করেন বিভিন্ন ধরনের এন্টিবায়োটিক ওষুধ। কিন্তু কতটুকু যুক্তিযুক্ত  এ ধরনের প্রবণতা। সে সম্পর্কে আমাদের অনেকেরই নেই সঠিক ধারণা। তাই আসুন জেনে নিই শীতকালীন সর্দি-কাশি সম্পর্কে কিছু কথা এবং নিজেকে প্রস্তুত করি অনাকাক্সিক্ষত অসুস্থতার হাত থেকে।

শীতকালে সর্দি-কাশি কেন হয় :

শীতকালে ভাইরাসের সংক্রমণের কারণে সর্দি-কাশির প্রকোপ বৃদ্ধি পায়। এসব ভাইরাসের ভেতর রাইনোভাইরাস অন্যতম। প্রায় ২০০-এর বেশি ভাইরাস রয়েছে যেগুলো এ ধরনের সংক্রমণের জন্য দায়ী। শীতকালে ঠাণ্ডার হাত থেকে বাঁচতে আমরা সাধারণত অধিক সময় ঘরের ভেতর থাকতে পছন্দ করি যার ফলে আমরা অন্যান্য মানুষের সংস্পর্শে বেশি আসি এবং ভাইরাস একজন থেকে অন্যজনে সহজেই ছড়াতে পারে। এ ছাড়া শীতকালে বাতাসে আর্দ্রতা কম থাকে, সর্দি-কাশির জন্য দায়ী ভাইরাসগুলো কম আর্দ্রতায় অধিক হারে বংশবৃদ্ধি করে এবং অধিক হারে মানুষকে আক্রান্ত করে। একজন মানুষ আক্রান্ত হলে তার নিকটজনও আক্রান্ত হতে পারে, তাই সতর্ক থাকতে হবে। ভাইরাস আক্রান্ত শীতকালীন সর্দি একটি ছোঁয়াছে রোগ। এটাকে আপার রেসপিরেটরি ট্রাকট ইনফেকশন বলা হয়।


একজন আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি-কাশির মাধ্যমে নিজের হাতে ভাইরাস ছড়িয়ে দিতে পারেন এবং পরবর্তীতে ওই হাতে কোনো ব্যবহার্য জিনিস স্পর্শ করলে সেখানেও ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে। তাই পরিবারের সবাই ব্যবহার করে এমন জিনিস যেমন- জগ, গ্লাস, পানির কল ইত্যাদি ব্যবহারের আগে ভালোভাবে ধুয়ে নিন অথবা ব্যবহারের পর হাত ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন। সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত ব্যক্তি হাঁচি-কাশি দেওয়ার সময় রুমাল বা টিস্যু দিয়ে নাক-মুখ ভালোভাবে ঢেকে নিন এবং পরবর্তীতে ভালোভাবে হাত ধুয়ে ফেলুন।


সর্দি-কাশি নিরাময়ে এন্টিবায়োটিক কতখানি কার্যকর

এন্টিবায়োটিক এমন একটি ওষুধ যা তৈরি করা হয়েছে ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণে সৃষ্ট অসুখ নিরাময়ের জন্য। অর্থাৎ এন্টিবায়োটিক ব্যাকটেরিয়া নিধনে কার্যকর একটি ওষুধ। কিন্তু ভাইরাস সংক্রমণে সৃষ্ট অসুখ নিরাময়ে এর কোনো কার্যকর ভ‚মিকা নেই। সাধারণ সর্দি-কাশি ভাইরাসজনিত একটি রোগ হওয়ায় এটি নিরাময়েও এন্টিবায়োটিকের কোনো কার্যকর ভ‚মিকা নেই। তাই সর্দি-কাশি নিরাময়ে কোনো ধরনের এন্টিবায়োটিক গ্রহণ না করার পরামর্শ দেওয়া হয়। কেননা এতে উপকারের পরিবর্তে ক্ষতির আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়, কারণ অপ্রয়োজনে এন্টিবায়োটিক গ্রহণ করলে এবং সঠিক নিয়ম অনুসরণ না করলে এন্টিবায়োটিক রেজিস্টেন্স তৈরি হয় যা পরবর্তী সময়ে এই ওষুধের কার্যকারিতা কমিয়ে দেয় এবং চিকিৎসায় বিঘ্ন ঘটায়।
তবে সর্দি-কাশির সঙ্গে তীব্র জ্বর থাকলে অবশ্যই একজন ডাক্তারের শরণাপন্ন হয়ে ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী ওষুধ গ্রহণ করতে হবে।

সর্দি-কাশি নিরাময়ে কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি :

০. সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত হলে বেশি করে তরল খাবার খান। যেমন- পানি, আদা চা, ফলের জুস ইত্যাদি পান করলে নাক বন্ধ হয়ে থাকা ভাব কমবে।
০. তরল খাবারের ভেতর পানি পানে জোর দিতে হবে বেশি। দৈনিক অন্তত ৮ থেকে ১০ গ্লাস পানি পান করা উচিত। এ ছাড়া গরম স্যুপ খেলে উপকার পাবেন।
০. গরম পানির ভাঁপ নিতে পারেন। এক গামলা গরম পানি নিয়ে নাক দিয়ে বাষ্প টানুন, এতে নাক বন্ধ হয়ে থাকা এবং নাক দিয়ে পানি পড়া কমবে। তবে সাবধান থাকবেন বাষ্প অতিরিক্ত বা অসহ্য গরম মনে হলে ধীরে ধীরে টানুন।
০. শরীর উষ্ণ রাখুন এবং পর্যাপ্ত বিশ্রাম গ্রহণ করুন। শরীর উষ্ণ রাখতে গরম জামা বা কম্বল গায়ে জড়িয়ে রাখতে পারেন।
০. লেবুর রস এবং মধুমিশ্রিত পানি দিয়ে গড়গড়া করুন। দুই কাপ গরম পানিতে এক টেবিল চামচ লেবুর রস এবং এক চা চামচ মধু মেশান। মিশ্রণটি স্বাভাবিক তাপমাত্রায় ঠাণ্ডা করে সেটি দিয়ে গড়গড়া করুন।
০. উষ্ণ তরল পানি পান করুন। গরম চায়ের সঙ্গে এক চা চামচ মধু মিশিয়ে পান করতে পারেন, এতে শ্বাস-প্রশ্বাস চলাচলের পথ পরিষ্কার হবে।
০. কুসুম গরম পানি দিয়ে গোসল করুন।
০. নাক বন্ধ থাকার কারণে ঘুমাতে অসুবিধা হলে মাথার নিচে একটি অতিরিক্ত বালিশ ব্যবহার করতে পারেন, এতে আপনার নিঃশ্বাস নিতে সুবিধা হবে।

কীভাবে সর্দি-কাশি প্রতিরোধ করবেন :

সর্দি-কাশি প্রতিরোধ করতে সব সময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকুন। নিয়মিত সঠিক নিয়মে হাত ধুবেন। এর ফলে সর্দি-কাশিতে  আক্রান্ত হওয়ার এবং ভাইরাস ছড়ানোর সুযোগ কম থাকে। যারা দীর্ঘস্থায়ী ফুসফুসের অসুখে ভুগছেন (যেমন- হাঁপানি, ক্রনিক ব্রঙ্কাইটিস, পুরাতন টিবি, আইএলডি ইত্যাদি জাতীয় অসুখ) তাদের জন্য শীতকালীন সর্দি-কাশির ক্ষেত্রে অধিক সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। কারণ ভাইরাল সংক্রমণে এ জাতীয় অসুখের তীব্রতা অনেক ক্ষেত্রে বাড়িয়ে দেয় এবং ঘন ঘন ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয় বা হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়। তাই এ ধরনের রোগীদের সতর্কতার পাশাপাশি বছরে প্রতি নভেম্বরে একটি করে ফ্লুসট (ভেক্সিন) নেওয়া উচিত।
সর্বোপরি শীতকালীন সর্দি-কাশি মারাÍক কোনো রোগ নয়। তাই এ নিয়ে ভয়ের কোনো কারণ নেই, তবে এটি অনেক ক্ষেত্রে বিড়ম্বনা এবং স্বাভাবিক জীবন যাত্রাকে ব্যাহত করে। তাই সচেতন হোন এবং শীতকালীন সর্দি-কাশি খুব সহজেই প্রতিরোধ করন।

Friday, November 27, 2015

কাটা বা ক্ষত স্থানের প্রাথমিক চিকিৎসা


সুপ্রাচীনকাল থেকে মানুষ কাটাছেড়া বা ক্ষত নিরাময়ের জন্য বিভিন্ন ভেষজ উদ্ভিদ ব্যবহার করে আসছে।কিন্তু আধুনিক যুগে আমরা সামান্য কাটা ছেড়ার জন্য বস্তায় বস্তায় ঔষধ কিনে খাই।সামান্য সমস্যার জন্য এই গাদায় গাদায় ঔষধে উপকারের চেয়ে ক্ষতির পরিমানি বেশি।

আজ আমরা পাঠকদের জন্য তুলে ধরবো কিভাবে ঘরোয়া উপকরণ ব্যবহার করে সাধারণ কাটাছেঁড়ার প্রাথমিক চিকিৎসা করতে পারেন।



১. হলুদের গুঁড়া


হলুদের রয়েছে কিছু প্রাকৃতিক অ্যান্টিসেপ্টিক গুণাগুণ, তাই কেটে যাওয়া স্থানে হলুদের গুঁড়া লাগালে দ্রুত কার্যকর একটি ফলাফল পাওয়া যায়। এতে করে কেটে যাওয়া স্থানের রক্তক্ষরণ বন্ধ হয় এবং কোন ধরনের ইনফেকশন হতে দেয় না।



২. আপেল সিডার ভিনেগার


ভিনেগার এমনিতেই জীবাণুনাশক হয়ে থাকে। আর ক্ষত নিরাময়ে আপেল সিডার ভিনেগার বেশ কার্যকর। যেকোনও কাটাছেঁড়ায় আপনি নির্ভয়ে ব্যবহার করতে পারেন আপেল সিডার ভিনেগার।



৩. চিনি


অতিরিক্ত চিনি সেবন শরীরের জন্য ক্ষতিকর হলেও, কাটাছেড়া নিরাময়ে চিনির ভূমিকা অসাধারণ। চিনি ক্ষত অংশের পানি শোষণ করে নেয় এবং অল্প কিছুক্ষণের মধ্যেই এর ক্ষত স্থানটিকে পরিষ্কার করে ফেলে।



৪. মধু


মধু কোন ক্ষত স্থানের জন্য অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল এজেন্ট হিসেবে কাজ করে থাকে। এটি ক্ষত স্থান্টিকে দ্রুত শুকিয়ে নিতে সাহায্য করে এবং কোন ধরনের ইনফেকশন হতে দেয় না। কাটাছেঁড়া ছাড়াও মধু পুড়ে যাওয়া অংশের নিরাময়ে বেশ ভালো ভূমিকা রাখে।



৫. অ্যালোভেরা


অ্যালোভেরা প্রাকৃতিক ভেষজ গুনাগুণসমৃদ্ধ একটি উদ্ভিদ। অ্যালোভেরার রয়েছে অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান। তাই ক্ষত, পুড়ে যাওয়া এবং কেটে যাওয়া অংশের নিরাময়ে অ্যালোভেরা অনেক কাজ করে।



এছাড়া চায়ের গুঁড়া যা চা হওয়ার পর রয়ে যায় এর রয়েছে ক্ষত নিরাময়ের ভালোগুণ। তাই ক্ষত নিরাময়ে ব্যবহার করতে পারেন চায়ের গুঁড়া, আরো আছে কিছু বনজ লতাপাতার ক্ষত নিরাময়ের ভালো গুণাগুণ।

পেটের মেদ কমিয়ে নিজের অন্যরকম পার্সোনালিটি ফুটিয়ে তুলুন।


সবার মাঝে নিজেকে একটু বিশেষ ভাবে ফুটিয়ে তুলতে কে না চায় ? কিন্তু চাইলেই সবজিনিস পাওয়া যায়না।বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা আপনার চাওয়া আর পাওয়ার ভেতরে বাঁধার সৃষ্টি করে।এমন অবস্থায় আপনাকে হাতগুটিয়ে বসে থাকলে চলবেনা।মনে রাখবেন প্রতিটা সমস্যার রয়েছে সঠিক সমাধান।

আজ আমি আপনাদের একটি গুরুত্বপূর্ন সমস্যা সমাধানের পথ দেখানোর চেষ্টা করবো।



সুশ্রী গড়ন কিংবা সুস্থ থাকা, উভয়টার জন্য পেটের মেদ ঝরানো খুবই দরকার। পেটের অংশ টান টান ও মেদ বর্জিত হয়, তাহলে আকর্ষণীয় তো দেখতে লাগবেই, সুস্থও থাকবেন৷ তবে তার জন্য নিয়মিত এক্সারসাইজ করতে হবে৷ না হলে ফ্ল্যাট অ্যাবস পাওয়া কিন্তু দূর অস্ত্৷ ফ্ল্যাট অ্যাবসের জন্য নানা ধরনের এক্সারসাইজ হয়৷ তবে নেহাত সময় না থাকলে, বাড়িতেই কিছু এক্সারসাইজ করা যেতে পারে৷ আধ ঘণ্টার মতো সময় দিলেই হল৷ সেই রকমই ব্যায়ামের কথা শেয়ার করলাম, যেগুলো করাও খুব সহজ৷ কোনো ফিটনেস ইকুইপমেন্টসও লাগে না৷ ইউ টিউবে সার্চ করেও এক্সারসাইজগুলির ভিডিও দেখে নিতে পারেন৷

ভি সিট পুল ব্যাক


দু-পা সামনের দিকে ছড়িয়ে সোজা হয়ে বসুন৷ হাত দুটো কাঁধের সমান করে সামনের দিকে রাখুন৷ হাঁটু দুটো ভাঁজ করে নিন৷ এবার পেটের ওপর চাপ দিয়ে সামনের দিকে ঝোঁকার চেষ্টা করুন৷ এবার শরীরটা ডানদিকে ঘুরিয়ে হাত দিয়ে মাটি ছোয়ার চেষ্টা করুন৷ আবার নতুন করে শুরু করুন৷ এবার একই ব্যায়াম বাঁ দিক দিয়ে করুন৷ মোট ২০ বার এই ব্যায়ামটি করুন৷ এই ব্যায়ামটি নিয়মিত করলে পেটের মেদ অনেকটাই কমে যাবে৷ পেটের পেশিও টোনড হয়ে উঠবে

প্ল্যাঙ্ক আপ


যেমন ভাবে প্ল্যাঙ্ক এক্সারসাইজ করেন সেই পজিশনে থাকুন৷ অর্থাত্ মেঝেতে টানটান হয়ে উপুড় হয়ে শুয়ে পড়ুন৷ হাত দুটি ভাঁজ করে কাঁধ বরাবর রাখুন৷ এবার পা দুটোকে টানটান রেখে হিপ এরিয়া মাটি থেকে তুলুন৷এই সময় খেয়াল রাখুন, আপনার পেটের অংশে যেন চাপ পড়ে৷ এই পজিশনে ২ গুনুন৷আবার প্রথম পজিশনে ফিরে আসুন৷ ১০ বার রিপিট করুন৷ নিয়মিত করলে পেট সহ শরীরের নীচের অংশের মেদ কমবে৷ গঠনও সুন্দর হবে৷

ওয়াইপ অ্যাওয়ে


মাটিতে চিত হয়ে শুয়ে পড়ুন৷ হাতদুটো টানটান করে কাঁধের দুপাশে রাখুন৷ পা যেন জোড়া অবস্থায় থাকে৷ এবার জোড়া অবস্থাতেই পা দুটিকে সোজা ওপরে তুলুন৷ পেটের ওপরে যেন চাপ পড়ে অনেকটা ৯০ ডিগ্রি কোনের মতো দেখতে লাগবে৷ এবার ৪৫ ডিগ্রি কোন করে পা দুটিকে নামিয়ে নিয়ে এসে, ডান দিকে নিয়ে যান৷ আবার ৯০ ডিগ্রি কোনের পজিশনে ফিরে যান৷ এবার ৪৫ ডিগ্রি কোন করে নামিয়ে পা দুটি বাঁদিকে করুন৷ এইভাবেই ১০ বার করে এক্সারসাইজটি রিপিট করুন৷

হিল টুইস্ট


হাঁটু মুড়ে বসুন৷ হিপ এরিয়া যেন হাটুর উপরে থাকে৷ এবার হাত দুটি কনুই থেকে ভাঁজ করে মাথার পিছনে রাখুন৷ এবার এই অবস্থায় ডান দিকে ঘুরে ডান হাত দিয়ে ডান গোড়ালি স্পর্শ করার চেষ্টা করুন৷ হিপ এরিয়া যেন একই পজিশনে থাকে, সেদিকে খেয়াল রাখুন৷ পেটেও চাপ পড়তে হবে৷ একদম শুরুর পজিশনে ফিরে যান৷ একই ভাবে বাঁদিকে ঘুরে বাঁ হাত দিয়ে বাঁ গোড়ালি স্পর্শ করুন৷ ১০ বার রিপিট করুন৷

প্ল্যাঙ্ক সোয়াইপ


প্ল্যাঙ্ক পজিশন করে শুয়ে পড়ুন৷ ডান গোড়ালির উপরে বাঁ পায়ের পাতা রাখুন৷ শরীর টানটান করে রাখুন৷ এবার বাঁ পা সামান্য তুলে বাঁ পাশে নিয়ে আসুন৷ একদম প্রথম পজিশনে ফিরে আসুন৷ ছ’বার রিপিট করে ডান দিয়ে একই রকম ভাবে এক্সারসাইজটি করুন৷

এয়ার সার্কেল


মাটিতে চিত হয়ে টানটান হয়ে শুয়ে পড়ুন৷ হাত দুটি সোজা ওপরের দিকে রাখুন৷ শরীরের ওপরের অংশ মাটিতে রেখে পা দুটিকে ওপরের দিকে তুলুন৷ হিপ এরিয়া থেকে ৯০ ডিগ্রি কোন করে থাকবে এমন পজিশনে, পা দুটিকে বৃত্তাকারে ঘোরাতে থাকুন৷ একবার ডান দিক থেকে বাঁদিকে আর একবার বাঁদিক থেকে ডানদিকে৷ ১০-১২ বার এইভাবে করুন৷ পেটের মেদ অনিবার্যভাবে কমবে৷

গ্যাষ্ট্রিক থেকে বাচার সহজ উপায়


গ্যাষ্ট্রিক কম বেশি সবার আছে। তবে এটিকে কখনো ইগনোর করা উচিত হবে না কারন দীর্ঘদিন যাবৎ এই রোগ লালন করলে বা এই রোগ তিব্রতার দিকে ধাবিত হতে থাকলে এবং চিকিৎসা না করালে নিশ্চিত মৃত্যু তার দিকে এগিয়ে আসবে সন্দেহ নেই। খাদ্যনালী শুকিয়ে যাওয়া, এপেনডিসাইট, আলসার সহ বিভিন্ন জটিলতা পরিপাক ব্যবস্থা দেখা দিবে সন্দেহ নেই। সুতরাং উচিৎ অবহেলা না করে এই রোগের ব্যপাড়ে সচেতন হওয়া এবং প্রাকৃতিক উপায় উপকরন বিধি ব্যবস্থার মাধ্যমে এই রোগ নিয়ন্ত্রনে রাখা।



গ্যাষ্ট্রিক থেকে বাচার উপায় গুলো অবশ্যই অনুসরন করুন।


১। কম পানি পান না করে পানি বেশি পান করুন।

২। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এবং রাত্রে খাবার পর ইসুবগুল বুসি এক চা চামচ এক গ্লাস পানির সাথে মিশিয়ে  পান করুন।

৩। দুপুড়ে ও রাত্রে খাবার পেট ভরে খাবেন। পেট খালি থাকে এমন ভাবে খাবার খাবেন না।

৪। ভাজা ও তৈলাক্ত জাতীয় খাবার এবং ফাষ্টফুট জাতীয় খাবার এরিয়ে চলুন।

৫। দুপুড়ে খাবারের সঙ্গে একটি এবং রাত্রে খাবার এর সঙ্গে একটি কাচা মরিচ খাবার অভ্যাস অবশ্যই গড়ে তুলুন। এটা যদি ধরে রাখতে পারেন তাহলে আপনাকে কোনদিন এই রোগের জন্য মেডিসিন খেতে হবে না।

৬। তরকারীতে তেল কম ব্যাবহার করুন । তরকারিতে তেল বেশি দিলে সেটা গ্যষ্ট্রিক রোগীদের জন্য বেশি ক্ষতির কারন হয় অন্যান্যদের তো হয়ই।

৭। টক জাতীয় খাবার পরত্যাগ করুন। যেমন, তেতুল, কামরাঙ্গা, চালতা, আমড়া, আচার ইত্যাদি। খেলেও কম খাবেন তবে তেতুল ব্যতিত।

৮। সকালে রুটি না খেয়ে ভাত খেলে ভালো উপকার পাবেন।

৯। প্রোটিনযুক্ত খাবার বেশি খাওয়ার চেষ্টা করুন। মুগ ডাল, মাশের ডাল, সলাবুট, সয়া প্রোটিনে প্রোটিন বেশি পাবেন।

১০।ধারাবাহিক গরুর মাংস খাওয়া বন্ধ করুন।

১১। শাক সবজি খাবার অভ্যাস করুন প্রতিদিন।

আরো কিছু গ্যাষ্ট্রিক থেকে বাচার উপায়ঃ

আদা


পেটে গ্যাসের সমস্যায় সবচেয়ে সহজ ঘরোয়া সমাধান হলো আদা। প্রতিবেলা খাবার খাওয়ার পর এক টুকরা আদা মুখে নিয়ে চিবিয়ে রস খান। তাহলে পেটে গ্যাস জমবে না এবং গ্যাস্ট্রিকের ব্যথার থেকে মুক্তি মিলবে। যারা আদা সরাসরি খেতে পারেন না তারা রান্নায় বেশি করে আদা ব্যবহার করুন।

আলুর রস


আলু বেটে কিংবা ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে রস বের করে নিন। এই রস প্রতিবার খাওয়ার আগে ১ চা চামচ খেয়ে নিন। এভাবে তিন বেলা খাওয়ার আগে আলুর রস খেলে কয়েকদিনের মধ্যেই গ্যাসের সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে।

হলুদ


পেটে গ্যাস হলে তরকারিতে সামান্য বেশি পরিমাণে হলুদ দিন। হলুদ পেটের গ্যাস কমাতে খুবই কার্যকর।

লেবুর ব্যবহার


একটি মাঝারী লেবুর রস, আধা টেবিল চামচ বেকিং সোডা এক কাপ পানিতে মিশিয়ে নিন। ভালো করে মিশে যাওয়া পর্যন্ত নাড়ুন। এবার মিশ্রণটি খেয়ে নিন। নিয়মিত খেলে গ্যাসের সমস্যায় আরাম পাওয়া যায়। গ্যাসের ব্যাথায় দ্রুত আরাম পেতে চাইলে হালকা গরম পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে খান। কিছুক্ষণের মধ্যেই ব্যাথা কমে যাবে।

তেঁতুল পাতা


তেঁতুল পাতা খুব ভালো করে বেটে নিন।  তেঁতুল পাতা বাটা এক গ্লাস দুধের সঙ্গে মিশিয়ে প্রতিদিন পান করুন। গ্যাসের সমস্যা দূর হয়ে যাবে একেবারেই

এই গ্যাষ্ট্রিক থেকে বাচার উপায় গুলো মেনে দেখুন আপনার গ্যাষ্ট্রিক থাকবে না এবং কোনদিন গ্যাষ্ট্রিকের জন্য মেডিসিন খেতে হবে না ।

স্মরনশক্তি বৃদ্ধির সহজ কিছু উপায়।



অধিক মানষিক চাপ আমাদের স্মরনশক্তিকে দুর্বল করে দেয়।অনেক সময় দেখা যায় আমরা জানা জিনিসটাও ভুলে যাই।অর্থাৎ আমাদের স্মরন শক্তি দুর্বল হয়ে যায়।

আজ আপনাদের এই স্মরনশক্তি বৃদ্ধির কিছু কার্যকারি উপায় সম্পর্কে জানাবে।না এটা আমাদের মনগড়া কথা না,এটা বিশেষগ্যদের দারা প্রমানিত।

নতুন নতুন খাবার আর ওষুধ খেলেই যে স্মরনশক্তি বৃদ্ধি পাবে এমনটা নয়। মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা কম না বেশি হবে, তা নির্ভর করে আপনার ওপরেই।

মস্তিষ্ক হলো ধারালো একটি ছুরির মতন, একে যত শান দেবেন, ততই এর ধার বেড়ে যাবে। আর যতই অকেজো রাখবেন, ততই ভোঁতা হয়ে যাবে। তবে ধার দিতে হবে বুঝেশুনে। যত মাপ আর কায়দামতো এই ধার দেওয়ার কাজটি করবেন, আপনার স্মরণশক্তি ততই বাড়বে।এখানে এমন ১০টি দৈনন্দিন কাজকর্মের কথা বলা হয়েছে, যেগুলো আপনার স্মরণশক্তি বৃদ্ধি করায় উপযুক্ত ভূমিকা রাখতে পারে।

১. প্রতিদিনই কোনো না কোনো জায়গায় আমাদের যাওয়া হয়। বাড়ি ফিরে স্মৃতিশক্তি থেকে সেই জায়গার একটা ম্যাপ এঁকে ফেলুন।

২. যখন খাবার খাবেন, তখন খাবারে কী কী উপাদান ব্যবহার হয়েছে, সেগুলো আলাদা করে ধরার চেষ্টা করুন। প্রতিটির আলাদা স্বাদ মাথায় গেঁথে ফেলুন।

৩. প্রতিদিন একটি করে ক্রসওয়ার্ড পাজল সমাধান করুন।

৪. আপনার বন্ধুবান্ধব এবং পরিচিত ১০ জন মানুষের ফোন নম্বর মুখস্থ করে ফেলুন, যাঁদের নিয়মিত ফোন দেওয়া হয়। এর পর পারলে আরো করুন।

৫. কোনো পেনসিল, কলম, ক্যালকুলেটর বা কম্পিউটারের সাহায্য ছাড়া কোনো গণিতের সমস্যা দেখে সেটির উত্তর বের করার চেষ্টা করুন।

৬. মনে মনে কোনো একটি শব্দ ধরুন এবং এর বানানটা খেয়ালে রাখুন। এবারে আরেকটি এমন শব্দ মনে করার চেষ্টা করুন, যার শুরু অথবা শেষে আগের শব্দটির অন্তত দুটি বর্ণ রয়েছে।

৭. বাজারের লিস্টে কী কী আছে তা মনে করুন, অবশ্যই যদি অন্তত ডজনখানেক আইটেম থাকে তবেই!

৮. বাজার করার সময় কত টাকা খরচ হচ্ছে, তার একটি চলমান হিসাব মাথার মধ্যে চালু রাখুন।

৯. দিনে ১০ মিনিট বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাজধানীর নাম মনে করার চেষ্টা করুন।

১০. আপনার প্রিয় কোনো গানের কথা মনে রাখার চেষ্টা করুন।