Showing posts with label লাইফ স্টাইল. Show all posts
Showing posts with label লাইফ স্টাইল. Show all posts

Friday, January 15, 2016

গ্রামীণফোনে এখন পাচ্ছ ৩০০ MB ইন্টারনেট মাত্র ৪৫ টাকায়।


নতুন বছরের আনন্দে মেতে ওঠো বন্ধুদের সাথে কারন গ্রামীণফোনে এখন পাচ্ছ ৩০০ MB ইন্টারনেট মাত্র ৪৫ টাকায় (৩% সম্পূরক শুল্ক এবং সম্পূরক শুল্কসহ উল্লিখিত মূল্যের উপর ১৫% ভ্যাট প্রযোজ্য) যার মেয়াদ ৭ দিন। অফারটি পেতে ডায়াল *5000*150# & start enjoying!
বিস্তারিত জানতে কল ১২১

Thursday, January 7, 2016

ভালোবাসার কথা মুখ ফুটে বলতে পারছেন না? দেখেনিন কিছু কৌশল।


ভালোবাসার কথা মুখ ফুটে বলেতে পারেনা অনেকেই।হয়তো আপনিও তাদের দলে।একজনকে প্রচন্ড ভালোবাসেন কিন্তু ভালোবাসার কথা তাকে বলতে গেলেই রাজ্যের সব জড়তা আপনার উপর ভর করে।



হয়তো সেও আপনাকে ভালোবাসে।আর আপনার প্রপোজালের জন্য গভীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে।কিন্তু দুজনার এই নীরবতা শেষ করে দিতে পারে আপনাদের সম্ভাবনাময় পবিত্র ভালোবাসাকে।



তাই সব জড়তা আর ভয় দুর করে আজকেই তাকে ভালোবাসার কথা জানিয়ে দিন।দেখেনিন ভালোবাসার কথা জানানোর বিশেষ কিছু কৌশল।



» মনে কোনো ভয় বা সংশয় না রেখেই সরাসরি তাকে মনের কথাটি বলে দিন। সে আপনার প্রস্তাব গ্রহণ করুক বা নাই করুক সেটি কোনো বিষয় নয়। তবে তার সম্পর্কে আপনার মনে যে ভাল লাগা বা সুন্দর অনুভূতি রয়েছে সেগুলি তার সামনে প্রকাশ করুন। আপনি যদি সরাসরি বলতে সক্ষম হন তাহলে আপনি উপকৃত হবেন এবং আপনার মনে শান্তি থাকবে।



» আপনার কোনো বন্ধুকে আপনার মনের কথা বলুন যাতে সে আপনার হয়ে তাকে আপনার মনের কথা বলে দিতে পারে। তবে একটি বিষয় ভেবে নিবেন আপনার ক্ষতি করতে পারে এমন কোনো বন্ধুকে আপনার মনের কথা বলবেন না।



» আপনি যদি তাকে সরাসরি বলতে না পারেন তাহলে তাকে ইঙ্গিতের মাধ্যমে বুঝিয়ে দিন যে আপনি তাকে কিছু একটি বলতে চাচ্ছেন বা তার সম্পর্কে আপনার মনে কোনো অনুভূতি কাজ করছে। আপনি যদি তাকে আপনার অনুভূতি সম্পর্কে তাকে ইঙ্গিতের মাধ্যমে বুঝিয়ে দিতে পারেন তাহলে সেও আপনাকে তার মনের আসল কথাটি বলে দিবে।



» মনের ভাষা প্রকাশের জন্য চিঠির আবেদনই আলাদা। চিঠি এখন বিলুপ্তপ্রায় হলেও আপনি একটু রোমান্টিক হয়েই নাহয় লিখে ফেলুন একটি চিঠি। আর তারপরে পৌঁছে দিন প্রিয়জনের ঠিকানায়। এবার সে আপনার আহবানে সাড়া দিতেও পারে!



বলেদিন প্রিয় মানুফটিকে ভালোবাসার কথা আর গড়ে তুলুন আপনাদের নতুন ভালোবাসার সম্পর্ক।আপনার জন্য রইলো আমাদের অনেক অনেক শুভকামনা।

পাঁচটি ভালোবাসার কথা, যা সে প্রতিদিনি আপনার মুখ থেকে শুনতে চায়।


ভালোবাসার কথা শেয়ার করতে পারেন?আপনার ভালোবাসার মানুষটি কিন্তু প্রতিদিনি আপনার মুখ থেকে কয়েকটি বিশেষ কথা শোনার জন্য অধির আগ্রহে অপেক্ষা করে।কিন্তু কি সেই পাঁচটি কথা?

আজ আপনাদের সাথে সেই পাঁচটি ভালোবাসার কথা নিয়ে আলোচনা করবো যা আপনার প্রিয় মানুষটি আপনার মুখ থেকে শুনতে চায়।
শুভসকাল
প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠেই আপনার প্রিয়জনকে হাসি মুখে শুভ সকাল বলুন।আপনার প্রিয় মানুষটি আপনার মুখ থেকে শুভ সকাল শুনে মিষ্টি হাসি উপহার দিবে আপনাকে। সেই সঙ্গে সারাদিন তাঁর মন ভালো থাকবে আপনার এই দুই শব্দের এই কথাটির কারণে। তাই প্রিয় মানুষটিকে খুশি করতে প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠে সরাসরি অথবা ফোন করে শুভ সকাল বলুন।

আমি তোমাকে অনেক ভালোবাসি
আপনি আপনার ভালোবাসার মানুষটিকে প্রতিদিনই অন্তত একবার করে বলুন ‘আমি তোমকে অনেক ভালোবাসি। এই কথাটি শুনার জন্য সবসময়েই সে অধির আগ্রহে অপেক্ষা করে। আপনি থাকে ভালোবাসার কথা জানালে আনন্দে ভরে উঠবে তাঁর মন এবং মন থেকে সে আপনাকে ভালোবাসবে আরো বেশি। আপনার প্রতি তাঁর আস্থা সৃষ্টি হবে প্রতিদিন একবার অন্তত ভালোবাসার কথা জানালে।

তোমাকে খুব সুন্দর লাগছে
আপনার ভালোবাসার মানুষটি সব সময়েই চায় আপনার চোখে তাকে যেন সুন্দর দেখাক। আর এর জন্য সে অনেক সময় নিয়ে নিজেকে গুছিয়ে রাখে। তাই প্রিয় মানুষটিকে দিনে অন্তত একবার বলুন তাকে সুন্দর দেখাচ্ছে।সৌন্দর্যের প্রশংসা করে খুব সহজেই ভালোবাসার মানুষটিকে খুশি করা যায়।এতে আপনাদের সম্পর্কের মধুরতা বৃদ্ধি পাবে।

তোমাকে সাহায্য করি?
সবাই চায় তাঁর ভালোবাসার মানুষটি সাহায্য করুক তাকে। নারী কিংবা পুরুষ সবাই প্রিয়জনের কাছ থেকে সাহায্য চায়। তাই আপনি আপনার ভালোবাসার মানুষটিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিন। হতে পারে সেটা ছোট কোনো কাজ অথবা বড় কোনো কাজ। আপনি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলে আপনার ভালোবাসার মানুষটির মন আনন্দে ভরে উঠবে এবং দুজনের সম্পর্ক আরো গভীর হবে।

তোমর রান্না মজা হয়েছে
আপনার ভালোবাসার মানুষটি আপনার জন্য রান্না করে নিয়ে আসলে খেতে যেমনই হোক প্রশংসা করুন। কারণ কষ্ট করে রান্না করে নিয়ে আসলে প্রশংসা না করলে তাঁর মন খারাপ হয়ে যেতে পারে। তাই খুব সামান্য কিছু রান্না করে নিয়ে আসলেও খেয়ে প্রশংসা করুন। এতে সে আগ্রহ পাবে এবং খুশি হবে।

প্রতিদিন তার সাথে এভাবে ভালোবাসার কথা শেয়ার করতে পারলে আপনাদের ভালোবাসায় মধুরতা বৃদ্ধি পাবে। ভালোবাসা দীর্ঘস্থায়ী করতে আপনাকে অবশ্যই এইসব টুকিটাকি জিনিসকে গুরুত্ব দিতে হবে।

ভালোবাসা ধীর্ঘস্থায়ী করতে যা কিরতে পারেন।


ভালোবাসা একটি অনুভূতির নাম।সবাই ভালোবাসা নামক সম্পর্কটা গড়তে পারে।কিন্তু এই ভালোবাসা নামক সম্পর্কটাকে দীর্ঘদিন টিকিয়ে রাখতে কজনে পারে?অনেক ভালোবাসায় সত্যতা থাকলেও দীর্ঘস্থায়ী হয়না।

চলুন তাহলে দেখেই নেয়া যাক কিভাবে ভালোবাসা দীর্ঘস্থায়ী করা যায়।
১ কৃত্রিম কোনো কিছুই করবেন না।
আজ ওর কাছে যাবেন, তাই খুব সাজগোজ করতে হবে, সাজানো কিছু কথা বলতে হবে, তা নয়। আপনি যা, তা আপনার বন্ধুকে জানতে দিন। এ জন্য পারলারে যাওয়ার দরকার নেই। সে যদি আপনাকে সত্যিই ভালোবাসে, তাহলে অতি সাধারণ পোশাক, মিষ্টি হাসি ওর কাছে অসাধারণ লাগবেই। সরলতা আপনার সঙ্গীকে আরও কাছে টেনে আনবে।

২ সচেতন থাকুন।
নিজের দুর্বলতা সম্পর্কে নিজে সচেতন থাকুন, কিন্তু খুব কাছের বন্ধু হিসেবে ওকে সবকিছু জানতে দিন। তাহলে সেও তার নিজের দুর্বলতাগুলো আপনার কাছে মেলে ধরবে। এভাবেই সম্পর্ক ঘনিষ্ঠতর হয়।

৩ সন্দেহবাতিকে পড়বেন না।
আপনি যদি সব সময় আপনাদের সম্পর্ক নিয়ে কেবল দুর্ভাবনায় থাকেন, তার প্রতিফলন ঘটবে সব কাজে ও কথায়। এটা আপনার সঙ্গীকে দূরে সরিয়ে দেবে। একে অপরের প্রতি মর্যাদা প্রেমের একটি অন্যতম শর্ত। ও কি আমাকে সত্যিই ভালোবাসে—এ রকম প্রশ্ন একদম প্রশ্রয় দেবেন না। কারণ, কিছু প্রাথমিক শর্ত পূরণ না হলে তো আপনাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক হতো না।

৪ সঙ্গীর পাশে থাকুন।
মনে রাখবেন, প্রেম হলো এক অর্থে দুই স্নায়ুতন্ত্রের (নার্ভাস সিস্টেম) মধ্যে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান। জীবনে নানা ঘটনার ঘাত-প্রতিঘাত থাকে। সেই সংকটের মুহূর্তে দৃঢ়তা নিয়ে আপনার সঙ্গীর পাশে দাঁড়ান। এটা সম্পর্ক দৃঢ়তর করার এক পরীক্ষা।

৫ তাকে নিজের মত গড়ে তোলার চেষ্টা করবেন না।
নিজের মতো করে আপনার ভালোবাসার মানুষটিকে গড়ে তোলার চেষ্টা করবেন না। এতে প্রেমের আবেগে সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। প্রত্যেক মানুষেরই থাকে নিজস্ব ব্যক্তিত্ব। নিজের আলাদা কিছু চিন্তাভাবনা। ভালো লাগার বিষয়। ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যের বৈচিত্র্যকে মর্যাদা দেওয়ার চেষ্টা করতে হবে।

ভালোবাসা দীর্ঘস্থায়ী করাটা খুব কঠিন কাজ।তবে দুটি মন যখন এই সম্পর্কটা দীর্ঘস্থায়ী করার চুক্তি করতে পারে তখন এটি খুব সহজ হয়ে যায়।

মেয়েদের মন বুঝতে চান? দেখে নিন বিশেষ কিছু কৌশল।


মেয়েদের মন বোঝা সহজ নয়।কথাটার সত্যতা থাকলেও সব ক্ষেত্রে এটি সত্যি নয়।অনেক সময় চোখ কান খোলা রাখলেই মেয়েদের মন বোঝা সম্ভব।তবে এ ক্ষেত্রে আপনাকে কিছু কৌশল অবলম্বন করতে হবে।


চলুন তাহলে মেয়েদের মন বোঝার কৌশল গুলো দেখে নেয়া যাক।
১) মেয়েরা নিজেরাও মাঝে মাঝে জানেন না তারা আসলে কী চান। সেই সময়ে তাদের হ্যাঁ এর সাথে হ্যাঁ মিলিয়ে চলাই ভালো।

২) মুড অফ, রাগ, দুঃখ, অভিমান যে ধরণের অনুভূতিই আপনার প্রেমিকা/স্ত্রীর মধ্যে কাজ করুক না কেন একটু মিষ্টি সুরে আদুরে গলায় কথা বলুন এবং তাকে হাসানোর চেষ্টা করুন। আপনার প্রেমিকা/স্ত্রীর মন ঠিক হয়ে যাবে।

৩) কখনোই এবং কোনো মতেই নিজের প্রেমিকা/স্ত্রীকে অন্য একজন নারীর সাথে তুলনা করবেন না। এই কাজটি মেয়েরা একেবারেই পছন্দ করেন না।

৪) কোনো মেয়ে যদি কোনো ছেলেকে পছন্দ করে থাকেন তবে তিনি তার কথায় এবং কাজে তার পছন্দ প্রকাশ করেন। এবং মনে মনে চান ছেলেটি তা বুঝে নিয়ে তাকে বলুক।

৫) যদি কোনো মেয়ে তার স্বামী/প্রেমিকের সামনে তার ভালো ছেলেবন্ধুটির সাথে অনেক খোলাখুলি কথা বলা এবং হাসিঠাট্টায় মেতে ওঠেন তবে সন্দেহের কিছুই নেই। কারণ মেয়েটি শুধুমাত্র তাকে বন্ধু হিসেবেই কাজটি করেছেন।

৬) যদি দেখেন আপনার প্রেমিকা তার অন্য সকল প্ল্যান শুধুমাত্র আপনার সাথে দেখা করার জন্য বাতিল করছেন তাহলে বুঝে নেবেন তিনি সত্যিই আপনাকে অনেক বেশি ভালোবাসেন।

৭) যে কারো অতীত থাকতে পারে। নারীরা অতীত নিয়ে বেশি ঘাঁটেন না কিন্তু আপনি যদি আপনার পুরোনো প্রেমিকাকে ভুলতে না পারেন তবে কোনো মেয়েরই আপনাকে পছন্দ করবেন না।

৮) মেয়েরা অনেক কথা বলতে পছন্দ করেন, যখন দেখবেন তিনি কথা বলা কমিয়ে দিয়েছেন তখন বুঝে নেবেন তিনি ভালো নেই।

৯) যখন দেখবেন আপনার প্রেমিকা আপনার বন্ধুদের সাথে খুব ভালো বন্ধুত্ব তৈরি করে নিয়েছেন তখন বুঝে নেবেন তিনি সত্যিই আপনার কেয়ার করেন।

১০) আপনি যদি আপনার প্রেমিকা/স্ত্রীর কাছে কোনো ব্যাপারে পরামর্শ চান তবে তিনি অনেক বেশি খুশি থাকবেন। কারণ তিনি মনে করবেন আপনি তাকে অনেক বেশি বিশ্বাস করেন বলেই পরামর্শ চেয়েছেন।

১১) মেয়েরা সারপ্রাইজ এবং উপহার পেতে খুব বেশি পছন্দ করেন তা তিনি যে মুডেই থাকুন না কেন।

১২) যখন মেয়েরা খুব ঠাণ্ডা মাথায় আপনাকে কোনো প্রশ্ন করেন তখন বুঝে নেবেন সঠিক উত্তর তার জানা আছে, তিনি শুধুমাত্র আপনার মুখ থেকে সত্য/মিথ্যা জানতে চাচ্ছেন।

১৩) তার বলা কথা যদি আপনি মনে রাখতে পারেন তবে আপনি খুব সহজেই নিজের প্রেমিকা/স্ত্রীকে খুশি রাখতে পারবেন।

১৪) যদি কোনো মেয়ে আপনাকে বলেন তিনি আপনার কথা তার বন্ধুদের বলেছেন তাহলে বুঝে নেবেন সে আপনার প্রতি দুর্বল।

১৫) অনেকেই বলেন মেয়েরা বলেন না কিন্ত মনে মনে বুঝে নিতে বলেন। এই বিষয়টি ছেলেরা অপছন্দ করেন। ছেলেরা ভাবেন মেয়েটি মনের কথা নিজে নিজে বুঝে নিতে বলছেন। আসলে ব্যাপারটি ঠিক উল্টো। মেয়েরা চান না ছেলেরা আপনাআপনি কথা বুঝে নিন, তারা আসলে চান ছেলেরা তাদের প্রশ্ন করে তার মনের কথা জেনে নিন।

Search Feed :
মেয়েদের মন বুঝা, মেয়েদের মন কি চায়, মেয়েদের মন পাওয়ার কৌশল, মেয়েদের মন বুঝার উপায়, মেয়েদের মন জয় করার উপায়, মেয়েদের মন বোঝার উপায়, মেয়েদের, মন পাওয়ার উপায়, মেয়েদের মন পাবার উপায়, মেয়েদের মন গলানোর উপায়, মেয়েদের মন জয়ের উপায়, মেয়েদের মন ভালো করার উপায়, মেয়েদের মন জয় করার সহজ উপায়

পাবলিক প্লেসে প্রপোজ করার কয়েকটি অসাধারন উপায় দেখে নিন।


সব মেয়েরা চায় তার প্রিয় মানুষটি খুব যত্ন করে এবং ভালোবাসার সাথে প্রপোজটি করবে। আজ আপনাদের জানাবো কিভাবে পাবলিক প্লেসে বিয়ের অথবা ভালোবাসার জন্য প্রপোজ করবেন।



হা হা কি ভাবছেন? পাগলামি? ভাবনা কিসের? ভালোবাসাটা সম্পুর্নই তো পাগলামি। এক জন আরেকজনের জন্য এতই পাগল থাকে যে মাঝে মাঝে দুই একদিন কথা না বলতে পারলে মাথা খারাপ হয়ে যায়, কিছু ভালো লাগেনা, আরো কত কি।

চলুন দেখে নেয়া যাক কিভাবে প্রপোজ করবেনঃ
১/ জায়গা পছন্দ করুন, হতে পারে কোনো ন্যাশনাল পার্ক, জাদুঘর, রেষ্টুরেন্টের ছাদে, খোলা যে কোনো পার্ক। এমন একটি জায়গা যেখানে আপনাদের দুজনেরই মন ফ্রেশ থাকবে। এবার কাছাকাছি কাউকে আপনাদের দুজনের একটি ছবি তুলে দিতে বলুন। যখন আপনার “সে” ছবি তোলার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করবে ঠিক তখনি হাটু টা ভাজ করে বলে দিতে পারেন “Will You marry me”.

নিচে দেখুন Greg নামের একজন এম্পায়ার ষ্টেট বিল্ডিং এর ১০৩ তলায় তার বন্ধুকে নিয়ে তারপর অনেকটা সারপ্রাইজ দিয়ে প্রপোজ করেছে। ইন্টারেষ্টিং না?





২/ তাকে নিয়ে একটা সারপ্রাইজ পার্টি দিতে পারেন। সে যদি শিশুদের পছন্দ করে তাহলে তার কোনো প্রিয় দিনে হতে পারে জন্মদিন, ভ্যালেন্টাইন্স ডে, ফ্রেন্ডশীপ ডে ইত্যাদি।  আগে থেকে কিছু পথশিশুদের ঠিক করে রাখুন। ওদের নিয়ে রাস্তার সাইডে অথবা কোনো পার্কে একটু মজা করার সময় ছোটো ছোটো কিছু কাগজে ওরা আপনার বলে দেয়া কথাটা লিখে আপনার পছন্দের মানুষটিকে জানিয়ে দিবে। আর আপনি পাশে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে মাথা চুলকানোর কাজটি সেরে ফেলতে পারেন।

৩/ কোনো রাতে তাকে নিয়ে DJ পার্টিতে যেতে পারেন। সেখানের মাইকটি নিয়ে ছোটো খাটো করে দুটো লাইন গেয়ে ফেলুন আর সাথে প্রপোজটুকু। এতে আপনার “সে” কিন্তু অনেকটা সারপ্রাইজ হবে। আর আশে পাশের বন্ধু গুলোও কিন্তু আপনাদের অভিনন্দন জানাতে থাকবে। পুরো পার্টিটি হয়ত আপনাদের ভালোবাসাময় হয়ে যাবে।



৪/ যেকোনো একজন skywriter কে ভাড়া করতে পারেন। কোনো একরাতে তার বাসার পাশের আকাশে ছোটো করে আপনার প্রপোজ টুকু উঠে যাবে।

৫/ যেকোনো এফএমরেডিও কে রিকোয়েষ্ট করতে পারেন। পুরো অন এয়ারে যখন আপনার এবং আপনারে “তার” নাম ধরে প্রপোজ বাক্যটি প্রচার করা হবে তখন কিন্তু অসাধারন অনূভূতি হবে। যাকে প্রপোজ করবেন তাকে আগে থেকেই চ্যানেলটি টিউন করে রাখতে বলতে পারেন।

আইডিয়া গুলো অনেকটা আঝাইরা তাই না?  এটাইতো ভাবছেন। সব সময় মনে রাখবেন একটা মেয়ের সবসময় ফ্যান্টাসি  থাকে যে তাকে প্রপোজ করবে যে যেন এমন ভাবে তার ভালোবাসার কথাটি বলে যাতে সে পুরো অবাক হয়ে যায়। এবং প্রাচীন ধ্যান ধারনা থেকে নতুন ভাবে প্রপোজ করাটি কিন্তু একেবারে খারাপ না তাইনা?

Friday, November 27, 2015

অন্যের মনের কথা বুঝে নিতে চান?দেখে নিন বিশেষ কিছু উপায়।

যদি না শুনেই বলে দেয়া যেত কি আছে তার মনে?একটু ভেবেই দেখুননা বেপারটা কেমন হতো।হ্যা এটাও সম্ভব।অন্যের মনের কথা মানুষের পক্ষ্যে বোঝা সম্ভব বলে জানিয়েছেন একদল বিজ্ঞানী।

 


এই পুরো ব্যাপারটিকে তাঁরা ব্যাখ্যা করেন একজন শিশুর প্রেক্ষাপট থেকে। একটি শিশু সেটাই করে যেটা সে নিজের ভেতরে অনুভব করেছে। আমাদের মস্তিষ্কে রয়েছে কিছু মিরর নিউরনস, যেগুলো আমাদের সামনে করা অন্য মানুষের কার্যক্রমকে আমাদের মস্তিষ্কে প্রতিফলিত করে।

 

বিজ্ঞানীরা এই তত্ত্বকে প্রমাণ করতে একটি ম্যাকাও বানরকে বেছে নেন। ১৯৯৬ সালে তিনজন বিজ্ঞানী একটি বানরের মস্তিষ্ককে পরীক্ষা করে দেখেন। সেখান থেকে পাওয়া যায় যে, বানরের সামনে যখন কোন কাজ করা হয়, সেটা উত্তেজিত করে বানরের মস্তিষ্ককে। উদাহরনস্বরূপ- বানরের সামনে কেউ একটা কলা তুলে নিলে তার মস্তিষ্কের ভেতরে ঠিক ততটাই আলোড়ন হয় যতটা কিনা সে নিজে কলাটা তুললে হত।

 

এ পরীক্ষা থেকে বিজ্ঞানীরা জানান যে, প্রত্যেকটি মানুষেরই রয়েছে অন্যের মনকে বোঝার ক্ষমতা! এক্ষেত্রে লস অ্যাঞ্জেলস স্কুল অব মেডিসিনের, ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নায়ুবিশেষজ্ঞ ম্যাক্রো ল্যাকোবনি জানান- মানুষের এই একজন আরেকজনের মনকে পড়ার ক্ষমতাকে “থিওরি থিওরি” দিয়েও ব্যাখ্যা করা যায়।

 

থিওরি থিওরির মতে- মানুষ স্বভাবতই একজন আরেকজনের আবেগকে বুঝতে চায়। আর তাই মানুষ অন্য কারো আবেগীয় অনুভূতির ভেতরে এমনিতেই চলে যায় প্রতিনিয়ত। এটা তৈরি করা পরিস্থিতি নয়, বরং সয়ংক্রিয় ব্যাপার। আর তাই মানুষ চাক বা না চাক, একজন আরেকজনের মনকে এমনিতেই বুঝে ফেলে। আর এক্ষেত্রে তাকে সাহায্য করে মিরর নিউরন বা আয়না স্নায়ুগুলো।

 

কী করে বুঝবেন অন্যের মনকে?


মানুষের মনকে বোঝার কোন উপায় আছে নাকি? আছে! আর সম্প্রতি সেটা জানিয়েছেন এ বিষয়ে ৭ বছর ধরে পড়াশোনা করে আসা লস অ্যাঞ্জেলসের বাসিন্দা ম্যাকক্যাম্ব্রিজ। একজন মানুষের মনকে পড়ার ব্যাপারে তিনি জানান-

 

১. প্রথম ধাপে সঠিকভাবে মানুষটিকে লক্ষ্য করতে হবে। তার কথা-বার্তা, আচরণ, লজ্জা, কোন ব্যাপার প্রতিক্রিয়া- এসবকিছুই অনেকটা খোলাসা করে দেয় যে আপনার সামনের মানুষটি কেমন।

 

২. একবার তাঁর মানসিক গড়ন বুঝে গেলে এরপর নিজের তার মতন করে ব্যবহার করুন। আচরণ আর প্রতিক্রিয়াকে তার মতন করে ফেলুন। এতে করে সে আপনার সামনে যে কোন কথা বলতে নিজেকে নিরাপদ ভাববে।

 

৩. পরিসংখ্যান তৈরি করুন। ঠিকঠাক সময় নিয়ে সবাইকে লক্ষ্য করে গেলে আর টুকে নিলে সেটার পরিসংখ্যান আপনাকে বুঝতে সাহায্য করবে যে আপনার সামনের মানুষটির কতটা সম্ভাবনা রয়েছে কোন আচরণ করার।

 

৪. অপর মানুষটির দেওয়া সবধরনের প্রতিক্রিয়াকে ভালো করে দেখুন। চিহ্নকে মনে রাখুন। কোন মানুষ একনাগাড়ে সত্যি বলে গেলে মিথ্যে বলবার সময় একটু হলেও পার্থক্য দেখা যাবে তার আচরণে। আর এই আচরণগত চিহ্নকেই ধরার চেষ্টা করুন।

 

৫. শারীরিক প্রতিক্রিয়াকে জানুন। একজন মানুষ মুখে মিথ্যে বলতে পারলেও তার শরীর কখনো মিথ্যে বলেনা। আর তাই শারিরীক প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করুন। যেমন- চোখের পাতা কাঁপা, হাত নাড়ানো, পায়ের ভঙ্গী, শরীরের ভঙ্গি, শ্বাস নেওয়া, গলার স্বর – সবগুলোকে মনযোগ দিয়ে লক্য করুন।

 

তাহলে আর দেরি কেন?প্রিয় মানুষটির উপর একবার এপ্লাই করেই দেখুননা। দেখে নিন তার মনের কথাটি কোনো ভাবে বুঝে নিতে পারেন কিনা।