Showing posts with label লাইফ স্টাইল. Show all posts
Showing posts with label লাইফ স্টাইল. Show all posts

Friday, January 15, 2016

গ্রামীণফোনে এখন পাচ্ছ ৩০০ MB ইন্টারনেট মাত্র ৪৫ টাকায়।


নতুন বছরের আনন্দে মেতে ওঠো বন্ধুদের সাথে কারন গ্রামীণফোনে এখন পাচ্ছ ৩০০ MB ইন্টারনেট মাত্র ৪৫ টাকায় (৩% সম্পূরক শুল্ক এবং সম্পূরক শুল্কসহ উল্লিখিত মূল্যের উপর ১৫% ভ্যাট প্রযোজ্য) যার মেয়াদ ৭ দিন। অফারটি পেতে ডায়াল *5000*150# & start enjoying!
বিস্তারিত জানতে কল ১২১

Thursday, January 7, 2016

ভালোবাসার কথা মুখ ফুটে বলতে পারছেন না? দেখেনিন কিছু কৌশল।


ভালোবাসার কথা মুখ ফুটে বলেতে পারেনা অনেকেই।হয়তো আপনিও তাদের দলে।একজনকে প্রচন্ড ভালোবাসেন কিন্তু ভালোবাসার কথা তাকে বলতে গেলেই রাজ্যের সব জড়তা আপনার উপর ভর করে।



হয়তো সেও আপনাকে ভালোবাসে।আর আপনার প্রপোজালের জন্য গভীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে।কিন্তু দুজনার এই নীরবতা শেষ করে দিতে পারে আপনাদের সম্ভাবনাময় পবিত্র ভালোবাসাকে।



তাই সব জড়তা আর ভয় দুর করে আজকেই তাকে ভালোবাসার কথা জানিয়ে দিন।দেখেনিন ভালোবাসার কথা জানানোর বিশেষ কিছু কৌশল।



» মনে কোনো ভয় বা সংশয় না রেখেই সরাসরি তাকে মনের কথাটি বলে দিন। সে আপনার প্রস্তাব গ্রহণ করুক বা নাই করুক সেটি কোনো বিষয় নয়। তবে তার সম্পর্কে আপনার মনে যে ভাল লাগা বা সুন্দর অনুভূতি রয়েছে সেগুলি তার সামনে প্রকাশ করুন। আপনি যদি সরাসরি বলতে সক্ষম হন তাহলে আপনি উপকৃত হবেন এবং আপনার মনে শান্তি থাকবে।



» আপনার কোনো বন্ধুকে আপনার মনের কথা বলুন যাতে সে আপনার হয়ে তাকে আপনার মনের কথা বলে দিতে পারে। তবে একটি বিষয় ভেবে নিবেন আপনার ক্ষতি করতে পারে এমন কোনো বন্ধুকে আপনার মনের কথা বলবেন না।



» আপনি যদি তাকে সরাসরি বলতে না পারেন তাহলে তাকে ইঙ্গিতের মাধ্যমে বুঝিয়ে দিন যে আপনি তাকে কিছু একটি বলতে চাচ্ছেন বা তার সম্পর্কে আপনার মনে কোনো অনুভূতি কাজ করছে। আপনি যদি তাকে আপনার অনুভূতি সম্পর্কে তাকে ইঙ্গিতের মাধ্যমে বুঝিয়ে দিতে পারেন তাহলে সেও আপনাকে তার মনের আসল কথাটি বলে দিবে।



» মনের ভাষা প্রকাশের জন্য চিঠির আবেদনই আলাদা। চিঠি এখন বিলুপ্তপ্রায় হলেও আপনি একটু রোমান্টিক হয়েই নাহয় লিখে ফেলুন একটি চিঠি। আর তারপরে পৌঁছে দিন প্রিয়জনের ঠিকানায়। এবার সে আপনার আহবানে সাড়া দিতেও পারে!



বলেদিন প্রিয় মানুফটিকে ভালোবাসার কথা আর গড়ে তুলুন আপনাদের নতুন ভালোবাসার সম্পর্ক।আপনার জন্য রইলো আমাদের অনেক অনেক শুভকামনা।

পাঁচটি ভালোবাসার কথা, যা সে প্রতিদিনি আপনার মুখ থেকে শুনতে চায়।


ভালোবাসার কথা শেয়ার করতে পারেন?আপনার ভালোবাসার মানুষটি কিন্তু প্রতিদিনি আপনার মুখ থেকে কয়েকটি বিশেষ কথা শোনার জন্য অধির আগ্রহে অপেক্ষা করে।কিন্তু কি সেই পাঁচটি কথা?

আজ আপনাদের সাথে সেই পাঁচটি ভালোবাসার কথা নিয়ে আলোচনা করবো যা আপনার প্রিয় মানুষটি আপনার মুখ থেকে শুনতে চায়।
শুভসকাল
প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠেই আপনার প্রিয়জনকে হাসি মুখে শুভ সকাল বলুন।আপনার প্রিয় মানুষটি আপনার মুখ থেকে শুভ সকাল শুনে মিষ্টি হাসি উপহার দিবে আপনাকে। সেই সঙ্গে সারাদিন তাঁর মন ভালো থাকবে আপনার এই দুই শব্দের এই কথাটির কারণে। তাই প্রিয় মানুষটিকে খুশি করতে প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠে সরাসরি অথবা ফোন করে শুভ সকাল বলুন।

আমি তোমাকে অনেক ভালোবাসি
আপনি আপনার ভালোবাসার মানুষটিকে প্রতিদিনই অন্তত একবার করে বলুন ‘আমি তোমকে অনেক ভালোবাসি। এই কথাটি শুনার জন্য সবসময়েই সে অধির আগ্রহে অপেক্ষা করে। আপনি থাকে ভালোবাসার কথা জানালে আনন্দে ভরে উঠবে তাঁর মন এবং মন থেকে সে আপনাকে ভালোবাসবে আরো বেশি। আপনার প্রতি তাঁর আস্থা সৃষ্টি হবে প্রতিদিন একবার অন্তত ভালোবাসার কথা জানালে।

তোমাকে খুব সুন্দর লাগছে
আপনার ভালোবাসার মানুষটি সব সময়েই চায় আপনার চোখে তাকে যেন সুন্দর দেখাক। আর এর জন্য সে অনেক সময় নিয়ে নিজেকে গুছিয়ে রাখে। তাই প্রিয় মানুষটিকে দিনে অন্তত একবার বলুন তাকে সুন্দর দেখাচ্ছে।সৌন্দর্যের প্রশংসা করে খুব সহজেই ভালোবাসার মানুষটিকে খুশি করা যায়।এতে আপনাদের সম্পর্কের মধুরতা বৃদ্ধি পাবে।

তোমাকে সাহায্য করি?
সবাই চায় তাঁর ভালোবাসার মানুষটি সাহায্য করুক তাকে। নারী কিংবা পুরুষ সবাই প্রিয়জনের কাছ থেকে সাহায্য চায়। তাই আপনি আপনার ভালোবাসার মানুষটিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিন। হতে পারে সেটা ছোট কোনো কাজ অথবা বড় কোনো কাজ। আপনি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলে আপনার ভালোবাসার মানুষটির মন আনন্দে ভরে উঠবে এবং দুজনের সম্পর্ক আরো গভীর হবে।

তোমর রান্না মজা হয়েছে
আপনার ভালোবাসার মানুষটি আপনার জন্য রান্না করে নিয়ে আসলে খেতে যেমনই হোক প্রশংসা করুন। কারণ কষ্ট করে রান্না করে নিয়ে আসলে প্রশংসা না করলে তাঁর মন খারাপ হয়ে যেতে পারে। তাই খুব সামান্য কিছু রান্না করে নিয়ে আসলেও খেয়ে প্রশংসা করুন। এতে সে আগ্রহ পাবে এবং খুশি হবে।

প্রতিদিন তার সাথে এভাবে ভালোবাসার কথা শেয়ার করতে পারলে আপনাদের ভালোবাসায় মধুরতা বৃদ্ধি পাবে। ভালোবাসা দীর্ঘস্থায়ী করতে আপনাকে অবশ্যই এইসব টুকিটাকি জিনিসকে গুরুত্ব দিতে হবে।

ভালোবাসা ধীর্ঘস্থায়ী করতে যা কিরতে পারেন।


ভালোবাসা একটি অনুভূতির নাম।সবাই ভালোবাসা নামক সম্পর্কটা গড়তে পারে।কিন্তু এই ভালোবাসা নামক সম্পর্কটাকে দীর্ঘদিন টিকিয়ে রাখতে কজনে পারে?অনেক ভালোবাসায় সত্যতা থাকলেও দীর্ঘস্থায়ী হয়না।

চলুন তাহলে দেখেই নেয়া যাক কিভাবে ভালোবাসা দীর্ঘস্থায়ী করা যায়।
১ কৃত্রিম কোনো কিছুই করবেন না।
আজ ওর কাছে যাবেন, তাই খুব সাজগোজ করতে হবে, সাজানো কিছু কথা বলতে হবে, তা নয়। আপনি যা, তা আপনার বন্ধুকে জানতে দিন। এ জন্য পারলারে যাওয়ার দরকার নেই। সে যদি আপনাকে সত্যিই ভালোবাসে, তাহলে অতি সাধারণ পোশাক, মিষ্টি হাসি ওর কাছে অসাধারণ লাগবেই। সরলতা আপনার সঙ্গীকে আরও কাছে টেনে আনবে।

২ সচেতন থাকুন।
নিজের দুর্বলতা সম্পর্কে নিজে সচেতন থাকুন, কিন্তু খুব কাছের বন্ধু হিসেবে ওকে সবকিছু জানতে দিন। তাহলে সেও তার নিজের দুর্বলতাগুলো আপনার কাছে মেলে ধরবে। এভাবেই সম্পর্ক ঘনিষ্ঠতর হয়।

৩ সন্দেহবাতিকে পড়বেন না।
আপনি যদি সব সময় আপনাদের সম্পর্ক নিয়ে কেবল দুর্ভাবনায় থাকেন, তার প্রতিফলন ঘটবে সব কাজে ও কথায়। এটা আপনার সঙ্গীকে দূরে সরিয়ে দেবে। একে অপরের প্রতি মর্যাদা প্রেমের একটি অন্যতম শর্ত। ও কি আমাকে সত্যিই ভালোবাসে—এ রকম প্রশ্ন একদম প্রশ্রয় দেবেন না। কারণ, কিছু প্রাথমিক শর্ত পূরণ না হলে তো আপনাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক হতো না।

৪ সঙ্গীর পাশে থাকুন।
মনে রাখবেন, প্রেম হলো এক অর্থে দুই স্নায়ুতন্ত্রের (নার্ভাস সিস্টেম) মধ্যে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান। জীবনে নানা ঘটনার ঘাত-প্রতিঘাত থাকে। সেই সংকটের মুহূর্তে দৃঢ়তা নিয়ে আপনার সঙ্গীর পাশে দাঁড়ান। এটা সম্পর্ক দৃঢ়তর করার এক পরীক্ষা।

৫ তাকে নিজের মত গড়ে তোলার চেষ্টা করবেন না।
নিজের মতো করে আপনার ভালোবাসার মানুষটিকে গড়ে তোলার চেষ্টা করবেন না। এতে প্রেমের আবেগে সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। প্রত্যেক মানুষেরই থাকে নিজস্ব ব্যক্তিত্ব। নিজের আলাদা কিছু চিন্তাভাবনা। ভালো লাগার বিষয়। ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যের বৈচিত্র্যকে মর্যাদা দেওয়ার চেষ্টা করতে হবে।

ভালোবাসা দীর্ঘস্থায়ী করাটা খুব কঠিন কাজ।তবে দুটি মন যখন এই সম্পর্কটা দীর্ঘস্থায়ী করার চুক্তি করতে পারে তখন এটি খুব সহজ হয়ে যায়।

মেয়েদের মন বুঝতে চান? দেখে নিন বিশেষ কিছু কৌশল।


মেয়েদের মন বোঝা সহজ নয়।কথাটার সত্যতা থাকলেও সব ক্ষেত্রে এটি সত্যি নয়।অনেক সময় চোখ কান খোলা রাখলেই মেয়েদের মন বোঝা সম্ভব।তবে এ ক্ষেত্রে আপনাকে কিছু কৌশল অবলম্বন করতে হবে।


চলুন তাহলে মেয়েদের মন বোঝার কৌশল গুলো দেখে নেয়া যাক।
১) মেয়েরা নিজেরাও মাঝে মাঝে জানেন না তারা আসলে কী চান। সেই সময়ে তাদের হ্যাঁ এর সাথে হ্যাঁ মিলিয়ে চলাই ভালো।

২) মুড অফ, রাগ, দুঃখ, অভিমান যে ধরণের অনুভূতিই আপনার প্রেমিকা/স্ত্রীর মধ্যে কাজ করুক না কেন একটু মিষ্টি সুরে আদুরে গলায় কথা বলুন এবং তাকে হাসানোর চেষ্টা করুন। আপনার প্রেমিকা/স্ত্রীর মন ঠিক হয়ে যাবে।

৩) কখনোই এবং কোনো মতেই নিজের প্রেমিকা/স্ত্রীকে অন্য একজন নারীর সাথে তুলনা করবেন না। এই কাজটি মেয়েরা একেবারেই পছন্দ করেন না।

৪) কোনো মেয়ে যদি কোনো ছেলেকে পছন্দ করে থাকেন তবে তিনি তার কথায় এবং কাজে তার পছন্দ প্রকাশ করেন। এবং মনে মনে চান ছেলেটি তা বুঝে নিয়ে তাকে বলুক।

৫) যদি কোনো মেয়ে তার স্বামী/প্রেমিকের সামনে তার ভালো ছেলেবন্ধুটির সাথে অনেক খোলাখুলি কথা বলা এবং হাসিঠাট্টায় মেতে ওঠেন তবে সন্দেহের কিছুই নেই। কারণ মেয়েটি শুধুমাত্র তাকে বন্ধু হিসেবেই কাজটি করেছেন।

৬) যদি দেখেন আপনার প্রেমিকা তার অন্য সকল প্ল্যান শুধুমাত্র আপনার সাথে দেখা করার জন্য বাতিল করছেন তাহলে বুঝে নেবেন তিনি সত্যিই আপনাকে অনেক বেশি ভালোবাসেন।

৭) যে কারো অতীত থাকতে পারে। নারীরা অতীত নিয়ে বেশি ঘাঁটেন না কিন্তু আপনি যদি আপনার পুরোনো প্রেমিকাকে ভুলতে না পারেন তবে কোনো মেয়েরই আপনাকে পছন্দ করবেন না।

৮) মেয়েরা অনেক কথা বলতে পছন্দ করেন, যখন দেখবেন তিনি কথা বলা কমিয়ে দিয়েছেন তখন বুঝে নেবেন তিনি ভালো নেই।

৯) যখন দেখবেন আপনার প্রেমিকা আপনার বন্ধুদের সাথে খুব ভালো বন্ধুত্ব তৈরি করে নিয়েছেন তখন বুঝে নেবেন তিনি সত্যিই আপনার কেয়ার করেন।

১০) আপনি যদি আপনার প্রেমিকা/স্ত্রীর কাছে কোনো ব্যাপারে পরামর্শ চান তবে তিনি অনেক বেশি খুশি থাকবেন। কারণ তিনি মনে করবেন আপনি তাকে অনেক বেশি বিশ্বাস করেন বলেই পরামর্শ চেয়েছেন।

১১) মেয়েরা সারপ্রাইজ এবং উপহার পেতে খুব বেশি পছন্দ করেন তা তিনি যে মুডেই থাকুন না কেন।

১২) যখন মেয়েরা খুব ঠাণ্ডা মাথায় আপনাকে কোনো প্রশ্ন করেন তখন বুঝে নেবেন সঠিক উত্তর তার জানা আছে, তিনি শুধুমাত্র আপনার মুখ থেকে সত্য/মিথ্যা জানতে চাচ্ছেন।

১৩) তার বলা কথা যদি আপনি মনে রাখতে পারেন তবে আপনি খুব সহজেই নিজের প্রেমিকা/স্ত্রীকে খুশি রাখতে পারবেন।

১৪) যদি কোনো মেয়ে আপনাকে বলেন তিনি আপনার কথা তার বন্ধুদের বলেছেন তাহলে বুঝে নেবেন সে আপনার প্রতি দুর্বল।

১৫) অনেকেই বলেন মেয়েরা বলেন না কিন্ত মনে মনে বুঝে নিতে বলেন। এই বিষয়টি ছেলেরা অপছন্দ করেন। ছেলেরা ভাবেন মেয়েটি মনের কথা নিজে নিজে বুঝে নিতে বলছেন। আসলে ব্যাপারটি ঠিক উল্টো। মেয়েরা চান না ছেলেরা আপনাআপনি কথা বুঝে নিন, তারা আসলে চান ছেলেরা তাদের প্রশ্ন করে তার মনের কথা জেনে নিন।

Search Feed :
মেয়েদের মন বুঝা, মেয়েদের মন কি চায়, মেয়েদের মন পাওয়ার কৌশল, মেয়েদের মন বুঝার উপায়, মেয়েদের মন জয় করার উপায়, মেয়েদের মন বোঝার উপায়, মেয়েদের, মন পাওয়ার উপায়, মেয়েদের মন পাবার উপায়, মেয়েদের মন গলানোর উপায়, মেয়েদের মন জয়ের উপায়, মেয়েদের মন ভালো করার উপায়, মেয়েদের মন জয় করার সহজ উপায়

পাবলিক প্লেসে প্রপোজ করার কয়েকটি অসাধারন উপায় দেখে নিন।


সব মেয়েরা চায় তার প্রিয় মানুষটি খুব যত্ন করে এবং ভালোবাসার সাথে প্রপোজটি করবে। আজ আপনাদের জানাবো কিভাবে পাবলিক প্লেসে বিয়ের অথবা ভালোবাসার জন্য প্রপোজ করবেন।



হা হা কি ভাবছেন? পাগলামি? ভাবনা কিসের? ভালোবাসাটা সম্পুর্নই তো পাগলামি। এক জন আরেকজনের জন্য এতই পাগল থাকে যে মাঝে মাঝে দুই একদিন কথা না বলতে পারলে মাথা খারাপ হয়ে যায়, কিছু ভালো লাগেনা, আরো কত কি।

চলুন দেখে নেয়া যাক কিভাবে প্রপোজ করবেনঃ
১/ জায়গা পছন্দ করুন, হতে পারে কোনো ন্যাশনাল পার্ক, জাদুঘর, রেষ্টুরেন্টের ছাদে, খোলা যে কোনো পার্ক। এমন একটি জায়গা যেখানে আপনাদের দুজনেরই মন ফ্রেশ থাকবে। এবার কাছাকাছি কাউকে আপনাদের দুজনের একটি ছবি তুলে দিতে বলুন। যখন আপনার “সে” ছবি তোলার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করবে ঠিক তখনি হাটু টা ভাজ করে বলে দিতে পারেন “Will You marry me”.

নিচে দেখুন Greg নামের একজন এম্পায়ার ষ্টেট বিল্ডিং এর ১০৩ তলায় তার বন্ধুকে নিয়ে তারপর অনেকটা সারপ্রাইজ দিয়ে প্রপোজ করেছে। ইন্টারেষ্টিং না?





২/ তাকে নিয়ে একটা সারপ্রাইজ পার্টি দিতে পারেন। সে যদি শিশুদের পছন্দ করে তাহলে তার কোনো প্রিয় দিনে হতে পারে জন্মদিন, ভ্যালেন্টাইন্স ডে, ফ্রেন্ডশীপ ডে ইত্যাদি।  আগে থেকে কিছু পথশিশুদের ঠিক করে রাখুন। ওদের নিয়ে রাস্তার সাইডে অথবা কোনো পার্কে একটু মজা করার সময় ছোটো ছোটো কিছু কাগজে ওরা আপনার বলে দেয়া কথাটা লিখে আপনার পছন্দের মানুষটিকে জানিয়ে দিবে। আর আপনি পাশে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে মাথা চুলকানোর কাজটি সেরে ফেলতে পারেন।

৩/ কোনো রাতে তাকে নিয়ে DJ পার্টিতে যেতে পারেন। সেখানের মাইকটি নিয়ে ছোটো খাটো করে দুটো লাইন গেয়ে ফেলুন আর সাথে প্রপোজটুকু। এতে আপনার “সে” কিন্তু অনেকটা সারপ্রাইজ হবে। আর আশে পাশের বন্ধু গুলোও কিন্তু আপনাদের অভিনন্দন জানাতে থাকবে। পুরো পার্টিটি হয়ত আপনাদের ভালোবাসাময় হয়ে যাবে।



৪/ যেকোনো একজন skywriter কে ভাড়া করতে পারেন। কোনো একরাতে তার বাসার পাশের আকাশে ছোটো করে আপনার প্রপোজ টুকু উঠে যাবে।

৫/ যেকোনো এফএমরেডিও কে রিকোয়েষ্ট করতে পারেন। পুরো অন এয়ারে যখন আপনার এবং আপনারে “তার” নাম ধরে প্রপোজ বাক্যটি প্রচার করা হবে তখন কিন্তু অসাধারন অনূভূতি হবে। যাকে প্রপোজ করবেন তাকে আগে থেকেই চ্যানেলটি টিউন করে রাখতে বলতে পারেন।

আইডিয়া গুলো অনেকটা আঝাইরা তাই না?  এটাইতো ভাবছেন। সব সময় মনে রাখবেন একটা মেয়ের সবসময় ফ্যান্টাসি  থাকে যে তাকে প্রপোজ করবে যে যেন এমন ভাবে তার ভালোবাসার কথাটি বলে যাতে সে পুরো অবাক হয়ে যায়। এবং প্রাচীন ধ্যান ধারনা থেকে নতুন ভাবে প্রপোজ করাটি কিন্তু একেবারে খারাপ না তাইনা?

Friday, November 27, 2015

অন্যের মনের কথা বুঝে নিতে চান?দেখে নিন বিশেষ কিছু উপায়।

যদি না শুনেই বলে দেয়া যেত কি আছে তার মনে?একটু ভেবেই দেখুননা বেপারটা কেমন হতো।হ্যা এটাও সম্ভব।অন্যের মনের কথা মানুষের পক্ষ্যে বোঝা সম্ভব বলে জানিয়েছেন একদল বিজ্ঞানী।

 


এই পুরো ব্যাপারটিকে তাঁরা ব্যাখ্যা করেন একজন শিশুর প্রেক্ষাপট থেকে। একটি শিশু সেটাই করে যেটা সে নিজের ভেতরে অনুভব করেছে। আমাদের মস্তিষ্কে রয়েছে কিছু মিরর নিউরনস, যেগুলো আমাদের সামনে করা অন্য মানুষের কার্যক্রমকে আমাদের মস্তিষ্কে প্রতিফলিত করে।

 

বিজ্ঞানীরা এই তত্ত্বকে প্রমাণ করতে একটি ম্যাকাও বানরকে বেছে নেন। ১৯৯৬ সালে তিনজন বিজ্ঞানী একটি বানরের মস্তিষ্ককে পরীক্ষা করে দেখেন। সেখান থেকে পাওয়া যায় যে, বানরের সামনে যখন কোন কাজ করা হয়, সেটা উত্তেজিত করে বানরের মস্তিষ্ককে। উদাহরনস্বরূপ- বানরের সামনে কেউ একটা কলা তুলে নিলে তার মস্তিষ্কের ভেতরে ঠিক ততটাই আলোড়ন হয় যতটা কিনা সে নিজে কলাটা তুললে হত।

 

এ পরীক্ষা থেকে বিজ্ঞানীরা জানান যে, প্রত্যেকটি মানুষেরই রয়েছে অন্যের মনকে বোঝার ক্ষমতা! এক্ষেত্রে লস অ্যাঞ্জেলস স্কুল অব মেডিসিনের, ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নায়ুবিশেষজ্ঞ ম্যাক্রো ল্যাকোবনি জানান- মানুষের এই একজন আরেকজনের মনকে পড়ার ক্ষমতাকে “থিওরি থিওরি” দিয়েও ব্যাখ্যা করা যায়।

 

থিওরি থিওরির মতে- মানুষ স্বভাবতই একজন আরেকজনের আবেগকে বুঝতে চায়। আর তাই মানুষ অন্য কারো আবেগীয় অনুভূতির ভেতরে এমনিতেই চলে যায় প্রতিনিয়ত। এটা তৈরি করা পরিস্থিতি নয়, বরং সয়ংক্রিয় ব্যাপার। আর তাই মানুষ চাক বা না চাক, একজন আরেকজনের মনকে এমনিতেই বুঝে ফেলে। আর এক্ষেত্রে তাকে সাহায্য করে মিরর নিউরন বা আয়না স্নায়ুগুলো।

 

কী করে বুঝবেন অন্যের মনকে?


মানুষের মনকে বোঝার কোন উপায় আছে নাকি? আছে! আর সম্প্রতি সেটা জানিয়েছেন এ বিষয়ে ৭ বছর ধরে পড়াশোনা করে আসা লস অ্যাঞ্জেলসের বাসিন্দা ম্যাকক্যাম্ব্রিজ। একজন মানুষের মনকে পড়ার ব্যাপারে তিনি জানান-

 

১. প্রথম ধাপে সঠিকভাবে মানুষটিকে লক্ষ্য করতে হবে। তার কথা-বার্তা, আচরণ, লজ্জা, কোন ব্যাপার প্রতিক্রিয়া- এসবকিছুই অনেকটা খোলাসা করে দেয় যে আপনার সামনের মানুষটি কেমন।

 

২. একবার তাঁর মানসিক গড়ন বুঝে গেলে এরপর নিজের তার মতন করে ব্যবহার করুন। আচরণ আর প্রতিক্রিয়াকে তার মতন করে ফেলুন। এতে করে সে আপনার সামনে যে কোন কথা বলতে নিজেকে নিরাপদ ভাববে।

 

৩. পরিসংখ্যান তৈরি করুন। ঠিকঠাক সময় নিয়ে সবাইকে লক্ষ্য করে গেলে আর টুকে নিলে সেটার পরিসংখ্যান আপনাকে বুঝতে সাহায্য করবে যে আপনার সামনের মানুষটির কতটা সম্ভাবনা রয়েছে কোন আচরণ করার।

 

৪. অপর মানুষটির দেওয়া সবধরনের প্রতিক্রিয়াকে ভালো করে দেখুন। চিহ্নকে মনে রাখুন। কোন মানুষ একনাগাড়ে সত্যি বলে গেলে মিথ্যে বলবার সময় একটু হলেও পার্থক্য দেখা যাবে তার আচরণে। আর এই আচরণগত চিহ্নকেই ধরার চেষ্টা করুন।

 

৫. শারীরিক প্রতিক্রিয়াকে জানুন। একজন মানুষ মুখে মিথ্যে বলতে পারলেও তার শরীর কখনো মিথ্যে বলেনা। আর তাই শারিরীক প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করুন। যেমন- চোখের পাতা কাঁপা, হাত নাড়ানো, পায়ের ভঙ্গী, শরীরের ভঙ্গি, শ্বাস নেওয়া, গলার স্বর – সবগুলোকে মনযোগ দিয়ে লক্য করুন।

 

তাহলে আর দেরি কেন?প্রিয় মানুষটির উপর একবার এপ্লাই করেই দেখুননা। দেখে নিন তার মনের কথাটি কোনো ভাবে বুঝে নিতে পারেন কিনা।

যে লক্ষনগুলো থাকলে বুঝে নিবেন আপনি শুধু নিজেকেই ভালোবাসেন!


প্রতিটি মানুষেরি বিশেষ কেউ থাকে যাকে সে নিজের থেকেও বেশি ভালোবাসে।সে হতেপারে তার মা,বাবা,প্রেমিক,প্রেমিকা অথবা যে কেউ। তবে এমন কিছু মানুষ আছে যারা শুধু নিজেকেই ভালোবাসে।মজার ব্যাপার হলো এরকম লোকদের আপনি গরীব অথবা মধ্যবৃত্ত ভাবে খুঁজে পাবেন না।

আপনিওকি শুধু নিজেকেই ভালোবাসেন?দেখে নিন নিচের লক্ষনগুলো আপনার ভেতর খুঁজে পান কিনা।


১) সমালোচনা এবং হার অপছন্দ করা


কোনো খেলায় বা প্রতিযোগিতায় হেরে যাওয়াটা মোটেই পছন্দ করে না এসব মানুষ। তারা হেরে গেলেও হার মানতে চায় না। আবার জিতলেও সেটা নিয়ে এতো বেশি সময় দম্ভ দেখাতে থাকে যে আশেপাশের সবাই বিরক্ত হয়ে যায়। সমালোচনার ক্ষেত্রেও একই কথা। আমরা কেউই সমালোচনা পছন্দ করি না। কিন্তু এসব মানুষ সমালোচনাকে একেবারেই দেখতে পারে না।

২) ভাবেন তারা কম সুবিধা পাচ্ছেন


তিনি মনে করেন তাকে কেউ কদর দিচ্ছে না। তার যে পরিমাণ কদর পাওয়ার কথা তা পাচ্ছেন না বলে অন্যদের ওপর অসন্তুষ্ট হয়ে যান সহজেই।

৩) দুই ধরণের মানুষ আছেন এদের মাঝে


Narcissist দুই ধরণের হয়ে থাকেন। এক ধরণের মানুষ হয়ে থাকেন খুব জোরালো ব্যক্তিত্বের। বহির্মুখী এবং নিজেকে জাহির করার একটা প্রবণতা থাকে তার মাঝে। ওপর ধরণের মানুষটি হয়ে থাকেন একটু চাপা স্বভাবের। তবে তাদের দুজনের মাঝেই যে বৈশিষ্ট্য দেখা যায় তা হলো অহংকার এবং আত্মকেন্দ্রিকতা।

৪) তিনি অন্যদের বোকা মনে করেন


তারা নিজেদেরকেই সবচাইতে বুদ্ধিমান মনে করেন এবং ভাবেন অন্যরা একেবারেই বোকাসোকা। এ কারণে তারা বন্ধু এবং সহকর্মীদের সাথেও ভালো করে মিশতে পারেন না। এ কারণে সব পরিস্থিতিতে অন্যদেরকে সিদ্ধান্ত নিতে দেন না তিনি। তার মতটাই সবচাইতে ভালো- এটাই বিশ্বাস করেন এই মানুষেরা। তার এই মত বা সিদ্ধান্তের প্রশংসা হোক, সেটাও চান তিনি মনেপ্রাণে।

৫) তিনি খারাপ ব্যবহার করতে পিছ-পা হন না


কোনো কারণে আপনার ওপর রেগে গেলে তিনি খারাপ ব্যবহার করতে পিছ পা হবেন না। মূলত তারা নিজেদের সুবিধাটাই আগে দেখে বলে এমনটা হয়, বলেন বার্গো। শুধু তাই নয়, অন্যদের খারাপ আচরণ আবার তারা মোটেই সহ্য করতে পারে না! কারও ভালো কথাটাকেও তারা ঘুরিয়ে খারাপ একটা অর্থ তৈরি করতে পারে।

৬) তারা নেতৃত্ব দিতে পছন্দ করে


নিজেদেরকে যেহেতু তারা ভালোবাসে, সুতরাং নিজেকে অন্যদের ওপরের অবস্থানে দেখতে চায় তারা। এ কারণে নেতা তথা লিডার অবস্থানে তারা থাকতে চায়। লিডার অবস্থানে থাকতে চায় ঠিকই, কিন্তু তারমানে এই নয় যে তারা ভালো নেতৃত্ব দেয়।

৭) বিনোদনের পেশায় তাদেরকে বেশি দেখা যায়


ইউনিভার্সিটি অফ ওয়েস্টার্ন সিডনির সাইকোলজিস্ট পিটার জোনাসন সঙ্গীতশিল্পী কেনি ওয়েস্টের কথা উল্লেখ করে বলেন, সন্ন্যাসী হিসেবে এসব মানুষ তেমন ভালো নয়। বরং বিনোদনের পেশায় থাকাটাই এসব মানুষের ব্যক্তিত্বের জন্য সবচাইতে ভালো মনে হয়।

৮) তারা আবেগ অনুভব করতে অপছন্দ করেন


Narcissist ধরণের মানুষেরা মনে করে, আবেগ অনুভব করলে নিজের ওপর থেকে এটার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাবে। অন্য কোনো মানুষের কারণে তিনি নিজের আবেগের ওপর থেকে নিয়ন্ত্রণ হারাচ্ছেন, এটাই তারা মনে করেন।এ কারণে তারা আবেগ সংক্রান্ত আলোচনা করতে চায় না একদমই।

৯) পুরুষদের মাঝে এই বৈশিষ্ট্য বেশি দেখা যায়


সাইকোলজিস্ট ফ্রেড স্টিনসন ৩৪ হাজার ৬৫৩ জন মানুষের ইন্টারভিউ নিয়ে দেখেন, নারীদের তুলনায় পুরুষেরা বেশি Narcissist হয়ে থাকেন। বয়ঃসন্ধিকালে তাদের ব্যক্তিত্বে এই ব্যাপারটা প্রকট থাকে এবং বয়স বাড়ার সাথে সাথে কমে যেতে থাকে।

১০) তারা অন্যদের চোখে নিজেকে আকর্ষণীয় হিসেবে উপস্থাপন করতে ভালোবাসেন


একটি গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, তারা অন্যদের চাইতে বেশি স্টাইলিশ হয়ে থাকেন। প্রথম দেখায় তাদেরকে দারুণ একটা মানুষ বলে মনে হয়। গবেষণায় দেখা যায়, এ কারণে ইন্টারভিউতে তাদের ফলাফল ভালো হয়। কিন্তু পরবর্তীতে তার ব্যক্তিত্ব এবং কার্যকলাপ দেখে তার বসের আক্ষেপই হতে পারে।

১১) অন্যদের কথায় মনোযোগ দেন না তারা


আলাপচারিতার সময়ে অন্যদের কথায় বেশি মনোযোগ দেন না তারা। বরং আলাপটা যেন তাকে কেন্দ্র করেই হয়, তার চেষ্টা করেন তিনি। তারা হাত-পা নেড়ে কথা বলেন, উঁচু কণ্ঠস্বর ব্যবহার করেন এবং অন্যদের কথায় মোটেই পাত্তা দেন না।

১২) প্রেমিক-প্রেমিকা হিসেবে তারা অদ্ভুত হয়ে থাকেন


এরা খুবই সহজে কারও প্রেমে পড়ে যেতে সক্ষম। সে সময়ে নিজের সঙ্গীটিকে তারা একেবারে নিখুঁত বলে ভাবেন। কিন্তু একটা সময়ে সঙ্গীর খুঁতগুলো তার চোখে পড়ে এবং তখনই সব আকর্ষণ হারিয়ে ফেলেন। সঙ্গীর সাথে প্রতারণা করতেও পারেন তিনি। বিশেষ করে সঙ্গীটি যদি তার প্রতি বিশ্বস্ত হন, তখনই অন্য কারও সাথে জড়িয়ে পড়ার ইচ্ছে হয় তার।

অন্যদেরকে প্রতারণায় উৎসাহ দিতেও দেখা যায় তাদেরকে। সম্পর্কে থাকা অবস্থায় সঙ্গীর অনুভূতিকে তারা মূল্য দেন না মোটেই। এসব কারণে সাধারণত চার মাসের মাথায় তাদের সম্পর্

সুখী দম্পতি হওয়ার কিছু বিশেষ কৌশল।

সুখী দম্পতি হওয়ার জন্য আমরা কতকিছুইনা ভেবে রাখি।কিন্তু বাস্তব জীবন আমাদের সামনে আসে এই ভাবনার উল্টো হয়ে।আজকালতো অহরহ ঘটে যাচ্ছে বিবাহ বিচ্ছেদের মত ঘটনা।সুখী দম্পতি হওয়াটা আজকাল খুব কঠিন কাজ হয়ে দাড়িয়েছে।কিন্তু কিছু টুকিটাকি পরিকল্পিত পদক্ষেপ নেয়ার মাধ্যমে আমরা এই কঠিন কাজটাকে সহজ করে তুলতে পারি।



চলুন তাহলে দেখে নেয়া যাক সুখী দম্পতি হওয়ার কিছু কৌশল। 

১। অহেতুক ঝগড়া বন্ধ করুন

ঝগড়া না করে কথা বলে সমাধান করার চেষ্টা করুন।ঝগড়া কোন সমস্যার সমাধান হতে পারে না। অপরজনের দৃষ্টিভঙ্গি বোঝার চেষ্টা করুন। সঙ্গীর মতামতকে গুরুত্ব দিন।

২। মনোযোগ দিয়ে কথা শুনুন

অসুখী দম্পতি একজন আরেক জনের কথা শোনা থেকে বিরত থাকে। বরং তারা একজন আরেকজনের কথার ভুল ধরে, সমালোচনা করে থাকে। এতে একজন আরেকজনের প্রতি সম্মান হারায়। অপরদিকে একজন সুখী দম্পতি একে অপরে কথা শুনে এবং বোঝার চেষ্টা করে।

৩। একসাথে সময় কাটান

দিনের কিছুটা সময় একসাথে কাটান। তা হতে পারে বাচ্চাদের সাথে এক সাথে খেলা করে বা পোষা প্রাণীটিকে সাথে নিয়ে ঘুরতে যেয়ে। কিংবা কিছুক্ষণ গল্প করে নিজেরা সময় কাটাতে আপ্রেন।

৪। আলদা একটা রুম রাখুন

বাড়িতে একটি রুম আলাদা রাখুন। নিজেদের মধ্যে যখন ঝগড়া হবে  তখন কিছুক্ষণের জন্য আলদা থাকুন। এতে একজন আরেকজনকে মিস করবেন। আর এটিই আপনাদেরকে আর কাছে নিয়ে আসবে। আর নিজেদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝিটা দূর হয়ে যাবে।

৫। সৌজন্য পালন করুন

সাধারণত কাছের মানুষের সাথে আমরা কোন প্রকার সৌজন্য করি না। আমরা মনে করি কাছের মানুষের সাথে কিসের সৌজন্য। কিন্তু সম্পর্কে কিছুটা সৌজন্য পালন করা উচিত। দৈনন্দিন কাজে সঙ্গীকে ধন্যবাদ জানান। তা যত ছোট কাজই হোক না কেন।

৬। সঙ্গীর কথা ভাবুন

কোন সিদ্ধান্ত বা কাজ করার আগে সঙ্গীর কথা ভাবুন। এমন কোন কাজ করবেন না যার প্রভাব আপনার সঙ্গীর ওপর পরে। যেকোন সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে তার সাথে আলোচনা করে নিন। অসুখী দম্পত্তি সর্বদা নিজের কথা চিন্তা করে থাকে। পরিবারের সিদ্ধান্তগুলো একাই নিয়ে থাকে। পরবর্তীতে এই বিষয় নিয়ে সৃষ্টি হয় ঝগড়ার।

৭। মনে রাখুন কিছু সমস্যা রয়ে যাবে

আপনার সাথে আপনার সঙ্গীর সব মত সবসময় এক নাও হতে পারে। এটা মেনে নিন। দুইজন মানুষের চিন্তা, সিদ্ধান্ত সব সময় এক হবে না। এটা মেনে নিন। দেখবেন অনেকখানি ঝগড়া কমে গেছে।

যেকোন সম্পর্কে একে অপরের প্রতি সম্মান থাকাটা জরুরি। সম্মান, ভালবাসা দিয়ে সৃষ্টি হয় একটি সম্পর্ক।  দাম্পত্য সম্পর্কও এর ব্যতিক্রম নয়। নিজেদের মধ্যে বোঝাবুঝিটা ঠিক রাখুন আর বিশ্বাস করুন একে অপরকে। দেখবেন আপনাদের চেয়ে সুখী দম্পতি আর দ্বিতীয়টি খুঁজে পাবেন না।

Thursday, November 26, 2015

ভালোবাসা সঠিক মানুষের হাতে দিচ্ছেন তো? কিভাবে বুঝে নিবেন সেটি!



ভালোবাসা ? এক একটি মাত্র শব্দ কিন্তু জড়িয়ে থাকে অনেক কিছু। এই বেপার কিন্তু সবার জানা যে একমাত্র মানুষই পারে তার ভালবাসার মানুষটির সাথে প্রতারণা করতে। কেউ জানে না কখন তার জীবনে প্রেম চলে আসবে। যে কোনো সময়ই চলে আসতে পারে আপনার জীবনে প্রেম। কিন্তু কথা হলো আপনি কীভাবে বুঝবেন আপনি সঠিক মানুষের প্রেমে পড়েছেন কিনা বা সে কি আপনার ভালোবাসা পাবার যোগ্য?

সম্পর্ক বা ভালোবাসা চলাকালীন অবস্থায় বেশ কিছু লক্ষণ থাকে যা দেখে বুঝতে পারবেন যে আপনি হয়তবা ভুল মানুষের প্রেমে পড়েছেন।
তবে বড় কথা হলো সম্পর্কের শুরুর দিকেই যদি বুঝতে পারেন, তাহলে অবশ্যই তা আপনার জন্যই ভালো।


১। আপনি কিন্তু আপনার প্রিয় মানুষটিকে মন থেকে ভালবেসেছেন। তার জন্য সবকিছু করে চলছেন, কিন্তু সে তা বুঝছে না বা বুঝার চেষ্টাও করছেনা। আপনার কাজের গুরুত্বও সে দিচ্ছে না। তবে বুঝে নিতে হবে আপনি ভুল মানুষের প্রেমে পরছেন।

২। আপনি কি আপনার সঙ্গীর সাথে খুশি থাকতে পারছেন? হ্যাঁ আপনার সঙ্গী আপনার সুখের জন্য দায়ী নয় কিন্তু আপনাকে খুশি রাখার কিছুটা দায়িত্ব তার ওপরেও আছে। আপনি যদি  বেশিরভাগ সময় আপনার সাঙ্গীর সাথে অখুশি থাকেন, কথায় কথায় ঝগড়া, মনোমালিন্য হয় তবে বুঝতে হবে আপনি ভুল মানুষের সাথে আছেন বা ভুল মানুষের সাথে প্রেম করছেন।

৩। আপনি আপনার ব্যক্তিত্ব তার সামনে প্রকাশ করতে পারছেন না। তার ইচ্ছানুযায়ী নিজেকে পরিবর্তন করতে হচ্ছে? তার সামনে নিজেকে প্রকাশ করতে সাহস পাচ্ছেন না? এমনকি সে আপনার আচার আচরণ, অভ্যাস সম্পূর্ণ আপনাকে পরিবর্তন করে ফেলছে। যে আপানার কাজ, চিন্তা আপনার স্বভাব মেনে নিতে না পারে, সে আপনাকে মেনে নিবে কি করে? এমন মানুষ থেকে দূরে থাকুন যে আপনাকে পরিবর্তন করে ফেলে।

৪। আপনি কি সারাক্ষণ দুশ্চিন্তায় থাকেন? কিংবা কোন কিছু নিয়ে আতঙ্ক বা ভয় কাজ করে? আপনার দুশ্চিন্তাই বলে দিচ্ছে কোথায় কোন সমস্যা আছে, যার কারণে আপনি আপনাদের সম্পর্কটি নিয়ে উদ্বিগ্ন!

৫। আপনার সঙ্গীর আপনার জন্য আবেগ কম। সে আপনাদের সম্পর্কে দূরত্ব পছন্দ করে। আপনি তার জন্য অনেক কিছু করেছেন কিন্তু তাকে দেখলে মনে হবে যে সে আপনাকে ভালবাসে না। তাহলে কিন্তু আপনাকে আরো ব্যাপক ভাবে সমপর্কটি নিয়ে ভাবতে হবেজ

৬। আপানার সঙ্গী আপনার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনে না। তাকে দেখলে মনে হবে সে আপনার কথা শুনছে, কিন্তু আসলে তার মন অন্য কোন দিকে। অথচ সে নিজের কথা ঠিকই বলছে নিজের কাজ ঠিকই আপনাকে দিয়ে করিয়ে নিচ্ছে।

৭। আপনি হয়তো সময় করে করে ঠিকই তার খোঁজ খবর রাখছেন। কিন্তু সে আপনাকে নিয়ে চিন্তা করছে না। আপনি কি করছেন, কি করছেন না এইসব বিষয়ে তার কোন আগ্রহ নেই। এমন মানুষকে এড়িয়ে যাওয়াই ভাল।

৮। আপনার সঙ্গী আপনাকে সন্দেহ করে। আপনাকে বিশ্বাস করে না। বিশ্বাস ছাড়া কোন সম্পর্ক বেশিদিন ঠিকে থাকতে পারে না।

৯। কোনো খুশির সংবাদ বা দুঃখের সংবাদ তার কাছে বলে আপনি আনন্দ পান না। আপনি তার কাছ থেকে যে প্রতিক্রিয়া আশা করেন, তেমন ব্যবহার পান না।  তাই কোনো অনুভূতি তাকে বলে আপনি মজা পান না।

১০। সম্পর্কে সব সময় কেয়ার করা ভাল, তা ঠিক নয়। অনেক সময় অতিরিক্ত খোঁজখবর, অতিরিক্ত কেয়ার আপনাদের সম্পর্ক নষ্ট করে দিয়ে থাকে। অতিরিক্ত কোন কিছুই ভাল না। অতিরিক্ত ভালবাসাও না। আপনার প্রতিটি কাজের জবাবদিহিতা যদি তাকে দিতে তবে তার সাথে সম্পর্ক না রাখাই ভাল।



প্রতিটি মানুষের নিজস্ব কিছু চিন্তা, কিছু বৈশিষ্ট্য আছে, তা পরিবর্তন করে কোন সম্পর্ক তৈরি হলেও বেশিদিন সেই সম্পর্ক থাকে না। তাই আপনার প্রান প্রিয় ভালোবাসাটি এমন কাউকে তুলে দিবেন না 'যে এটার যোগ্য নয়।

প্রেমে পড়ার লক্ষন কী? জানেন তো!

প্রায় সব মানুষেরই অনেকগুলো দুর্বল জায়গার একটা হলো ভালোবাসা। দোটানায় পড়ে গিয়ে বুঝতেই পারেনা সেকি আমাকে ভালোবাসে? নাকি আমি তাকে ভালোবাসি। আর এ জন্যই কেউ কাউকে প্রপোজ ও করেবা। এভাবেই হয়ত এভাবেই আপনার ভালোবাসাটি অল্পতেই হাড়িয়ে যেতে পারে। তাই এরকম ছোটো কিছু ভুলে মানুষটিকে হারাতে না চাইলে আগে থেকেই সাবধান হোন। আর জেনে নিন, প্রেমে পড়ার লক্ষন বা সত্যিই আপনি তার প্রেমে পড়েছেন কি না।

১. আপনি যাকে পছন্দ করেছেন, সে যদি কিছুদিন মানে ২ বা ৪ দিন ফোন বা কোনো যোগাযোগ না করে তাহলে কি মনে মনে আপনার খুব অস্থির লাগে? স্নায়ু দুর্বল হয়ে যায় বা অসুস্থ অনুভব করেন? এমনটা দেখলে বুঝে নেবেন, আপনি তার প্রেমে পড়েছেন আর এটাই অন্যতম প্রেমে পড়ার লক্ষন।

২.  ওর জন্য কি আপনার মনে কারণে-অকারণে খারাপ লাগে বা আপনি তাকে যা বলেছেন, সে জন্য মনে মনে খারাপ একটি অনুভূতি অনুভব করেন বা তার সঙ্গে ঝগড়া করেছেন বলে আপনার খারাপ লাগছে? এই অনুভূতি শুধু তার জন্যই হবে, যাকে আপনি ভালোবেসেছেন। তাই এমনটা লক্ষন হলে নির্দ্বিধায় বুঝে নেবেন, আপনি তার প্রেমে পড়ে গেছেন।

৩. অনেক কথা থাকে, যা সবাইকে বলা যায় না। সেসব কথা যদি আপনি কোনো জড়তা ছাড়াই তাকে বলতে পারেন এবং সেও কোনো কিছু মনে না করে কথাগুলো বোঝার চেষ্টা করে, তাহলে ধরে নেবেন আপনি তার প্রেমে পড়েছেন। কারণ সে কিছু মনে করবে না, এটা ভেবে আপনি তাকে সবকিছুই বলতে পারছেন। এটা না ভালোবাসলে করা সম্ভব নয়। তাই আর দ্বিধায় থাকার কোনো প্রয়োজন নেই।

৪. যদি তার সঙ্গে ঝগড়া করতে অস্বস্তি বোধ না করেন, তাহলে ধরে নেবেন ঠিক তার প্রেমে পড়েছেন। কারণ, মানুষ সেই মানুষটার সঙ্গেই ঝগড়া করে, যাকে সে ভালোবাসে। তাকেই সে সবকিছু বলার অধিকার রাখে। এমন লক্ষণ কিন্তু প্রেমে পড়ার লক্ষন এবং বুঝে নেবেন, আপনি তার প্রেমে পড়েছেন।

৫. ও যা বলছে তাতেই আপনার ভালো লাগে , কিছুতেই আপনি বিরক্ত হচ্ছেন না। এটি হলো প্রধান প্রেমে পড়ার লক্ষণ। তাই এমনটা হলে তাকে ভালোবাসার কথাটি বলেই ফেলুন।

৬. ওকে হারানোর ভয় হয় আপনার? যে মানুষ প্রেমে পড়ে, সে অবশ্যই ভালোবাসার মানুষকে হারাতে চাইবে না। এবং এমন কিছু করবে না, যাতে সে তাকে ছেড়ে চলে যায়। এই হারানোর ভয় যদি আপনার মধ্যে থাকে, তাহলে সত্যি সত্যি আপনি তার প্রেমে পড়েছেন।

৭. ওর কাছ থেকে দূরে থাকলে কি হতাশা কাজ করে? যদি এমনটা হয়ে থাকে, তাহলে বুঝে নেবেন আপনি তার প্রেমে পড়েছেন এবং তাকে প্রতিমুহূর্তে অনুভব করছেন। এটাই প্রেমে পড়ার লক্ষণ।

সবসময় তার কাছেই থাকতে ইচ্ছে করে। তার কথা শুনতে ইচ্ছে করে। এরকম হাজারো ইচ্ছে তাকে ঘিরে জন্ম নিবে। সমস্যা কি? প্রপোজ করে দিন আর ভালো থাকুন।

প্রিয় মানুষটির কাছ থেকে যে সাতটি জিনিস পেতে চায় ছেলেরা।

প্রিয় মানুষটির সব কিছুই প্রতিটি ছেলের কাছে খুব পছন্দের।কিন্তু এমন কিছু কথা আর ব্যবহার আছে যা প্রিয় মানুষটির কাছথেকে পাওয়ার জন্য সর্বদা ব্যাকুল থাকে ছেলেরা।যদিও ছেলেরা এগুলো কখনই প্রিয় মানুষটির কাছে মুখ ফুটে চাইবেনা।

আসুন জেনে নেই এমন সাতটি জিনিসের কথা যেগুলো প্রতিটা ছেলেই চায় তার প্রিয় মানুষটির কাছ থেকে।


১। ‘বয় ফ্রেন্ড’ সম্বোধন করা


ছেলেরা বয় ফ্রেন্ড শব্দটি শুনতে পছন্দ করে থাকে। আপনি আপনার বন্ধুদের কাছে তাকে বয় ফ্রেন্ড বলে পরিচয় করিয়ে দিন, আর দেখুন সে কি পরিমাণে খুশি হন। তবে হ্যাঁ কেউ কেউ এর ব্যতিক্রম হয়ে থাকতে পারে।

২। প্রশংসা করা


স্বভাবত প্রত্যেক মানুষ প্রশংসা শুনতে পছন্দ করে। আপনার প্রেমিকও এর ব্যতিক্রম নয়। তার পোশাক, রুচির, প্রশংসা করুন। এমনকি খুব ছোট কোন বিষয় হলেও আপনি তা বলুন। দেখবেন আপনার প্রেমিক অনেক খুশি হয়ে যাবে এই ছোট খাটো বিষয়গুলোতে।

৩। আপনার কম মেকআপ করা মুখ


আপনি কি অনেক মেকআপ করতে পছন্দ করেন? এমনকি ডেটিং এ মেকআপ করে যান? তবে জেনে রাখুন ছেলেরা প্রেমিকার অতিরিক্ত মেকআপ পছন্দ করে না। মুখে না বলেও তারা এটি পছন্দ করে থাকে না।বেশিরভাগ প্রেমিক তার প্রেমিকাকে সাধারণভাবে দেখতে পছন্দ করে।

৪। প্রেমিকরা চায় তার বন্ধুরা প্রেমিকাকে পছন্দ করুক


বেশিরভাগ প্রেমিকরা চায় তার প্রেমিকাকে তার বন্ধুরা পছন্দ করুক। সে হয়তো নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে পারে, তবুও প্রেমিক মনে চাবে আপনাকে সবাই পছন্দ করুক। এতে সে গর্ব বোধ করে।

৫। আপনি পরিবারের সাথে সারাক্ষণ থাকা


আপনার প্রেমিক আপনার পরিবারকে পছন্দ করবে কিন্তু সে কখনই চাইবে না আপনি সব সময় পরিবারের সাথে সময় কাটান।এক গবেষণায় দেখেছেন যে প্রতিটি প্রেমিক তার প্রেমিকার পরিবারকে পছন্দ করে কিন্তু সে তার পরিবারের সাথে ছুটি কাটাতে পছন্দ করে না।

৬। আপনাকে হারানোর ভয়


ভালবাসার মানুষকে হারানোর ভয় সবার মাঝে কাজ করে। আপনার প্রেমিক এর ব্যতিক্রম নয়। হয়তো সে আপনার মত প্রকাশ করে না, কিন্তু আপনাকে হারানোর চিন্তা তার মাঝে সব সময় কাজ করে।

৭। সমর্থন


যেকোন সম্পর্কে একে অপরের সমর্থন থাকাটা খুব বেশি জরুরি। ছেলেরা সব সময় তার প্রিয় মানুষটির কাছ থেকে সমর্থন আশা করে। এমনকি যদি সে কোন কাজে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রেও সে তার প্রিয় মানুষটার সমর্থন আশা করে থাকে। আপনি তার কাজের ওপর আস্থা রাখুন। তাকে উৎসাহ দিন। এই ছোট সমর্থনটুকু আপনাদের সম্পর্ককে আরও মজবুত ও দৃঢ় করে তুলবে।

ভালোবাসার কথা জানিয়ে দিন পছন্দের ছেলেটিকে




কাউকে খুব বেশি ভালো লেগে গেছে? কি করবেন এখন? অপেক্ষা করবেন? নাকি এগিয়ে গিয়ে নিজেই বুঝিয়ে দিবেন ভালোবাসার কথা টি? এমনিতে প্রেমের প্রস্তাব ছেলেরাই করে থাকে। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে এই ধারার পরিবর্তন হয়েছে অনেকখানি।

আপনি আপনার প্রিয় মানুষটির কাছ থেকে ভালবাসার প্রস্তাব পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করা মানে হল ভালবাসার সময়টিকে নষ্ট করা। তাই দেরি না করে নিজেই বলে ফেলুন নিজের মনের কথাটি। কাজটি মেয়েদের জন্য সহজ করে দেওয়ার জন্য  সহজ কিছু উপায়।


১। সঠিক দিন নির্বাচন করুন


সঠিক একটি দিন নির্বাচন করে যদি আপনি আপনার পছন্দের মানুষটিকে ভালোবাসার কথা জানাতে পারেন তাহলে প্রায় আপনার অর্ধেক কাজ হয়ে যাবে। কারন বিশেষ কিছু দিনেই মানুষ বেশ খোশ মেজাজে থাকে আর এই অবস্থায় প্রপোজ করাটাই উত্তম সময় । আর সবচেয়ে ভাল সময়টি হয় ছেলেটির জন্মদিন। আপনি যাকে ভালবাসেন তাকে তার জন্মদিনের দিন প্রেমের প্রস্তাব দিতে পারেন। এটি তার জন্য যেমন অবাক করা বিষয় হবে তেমনি হবে অনেক আনন্দের। এছাড়া ভ্যালেন্টাইন ডে, নিউ ইয়ার অথবা অন্য কোন বিশেষ দিনে প্রস্তাব করতে পারেন।

২। শখের দিকে মনোযোগ


তার শখের বিষয় গুলোর দিকে নজর দিন। শখের বিষয়গুলোতে আপনার আগ্রহ প্রকাশ করুন। এতে ছেলেটি আপনার সাথে একাত্মতা অনুভব করবেন এবং আপনার সাথে সহজ হয়ে কথা বলতে পারবে। আর এই সুযোগে আপনি আপনার মনের কথাটিও বলে ফেলতে পারবেন।

৩। ছেলেটির পছন্দের খাবার রান্না করুন


প্রচলিত আছে ‘ ছেলেদের হৃদয়ের রাস্তা পেট হয়ে যায়’। কথাটি অনেকাংশই সত্য। আপনি যাকে ভালবাসেন তার পছন্দের কোন খাবার রান্না করে তাকে খাওয়ান। অথবা তার পছন্দের কোন রেস্টুরেন্টে তাকে নিয়ে যান। খাওয়ার মাঝে বলে ফেলুন আপনার ভালবাসার কথাটি।

৪। পোষা প্রাণীটি


আপনার পছন্দের মানুষটি কি কোন পোষা প্রাণী আছে? তাহলে এই পোষা প্রাণীটি হতে পারে আপনার মনের কথা পৌঁছানোর ডাক পিয়ন। ছেলেরা পোষা প্রাণীর প্রতি দুর্বল থাকে। পোষা প্রানীটিকে আদর করুন, তার সাথে খেলুন দেখবেন ছেলেটি আপনাকে পছন্দ করা শুরু করে দিয়েছে।

৫। চিঠি লিখুন


ই-মেইল, এসএমএস এর যুগে চিঠি! কিছুটা অবাক শোনালেও প্রেম নিবেদনে চিঠির আবেদন এখনও কমে যায়নি। যাকে ভালবাসুন তার জন্য সুন্দর করে একটি চিঠি লিখুন। চিঠিতে খুব বেশি ইমো ব্যবহার করবেন না, এতে রোমান্টিকতা অনেক কমে যেয়ে হাস্যকর হয়ে উঠে।

৬। সোজাসাপ্টা বলে ফেলুন


এত সব নিয়মকে একপাশে রেখে সোজাসাপ্টা বলে ফেলুন যাকে ভালবাসুন। হ্যাঁ এতে কিছুটা সাহসের প্রয়োজন আছে। তবে অনেক ছেলেরাই সরাসরি কথা বলা পছন্দ করে। তাই সময় নষ্ট না করে সরাসরি বলে ফেলুন যাকে ভালবাসেন। আর হ্যাঁ ভালবাসার কথা বলার সময় ফুল সাথে করে নিতে ভুলবেন না যেন।

প্রিয় মানুষটির কাছ থেকে যে সাতটি জিনিস পেতে চায় ছেলেরা।

‘ভালবাসি’ কথাটি বলার আগে একবার চিন্তা করে নিন। সময় দিন ছেলেটিকে জানুন। তাকে বোঝার চেষ্টা করুন। তারপর ধীরে সুস্থ সময় নিয়ে বলে ফেলুন মনের কথাটি। কারণ একটি ছোট ভুল সিদ্ধান্ত হয়ে যেতে পারে সারাজীবনের কষ্টের কারণ।

আপনাদের ভালোবাসা সত্যি কিনা বুঝেনিন কিছু ছোটখাটো বিষয়ে।

নিজের ভালোবাসার সত্যতা সম্পর্কে জানার আগ্রহ সবারই আছে।

চলুন তাহলে দেখে নেয়া যাক কার ভালোবাসা কেমন।



১. সঙ্গী যা পছন্দ করেন তা করাই ভালোবাসার প্রকাশ নয়। এমন কিছু থাকতেই পারে যা আপনার দারুণ পছন্দের, কিন্তু সঙ্গীর নয়। সে ক্ষেত্রে সঙ্গী নিশ্চয়ই আপনার পছন্দের কথা জানেন। তারপরও প্রিয় কাজটি করতে উৎসাহ যোগান তিনি। এটাই সত্যিকার ভালোবাসার নামান্তর।

২. যখন দুজন দুজনকে সত্যিকার ভালোবাসেন, তখন একে অপরের সবচেয়ে কাছের বন্ধু হয়ে যান। এমন সম্পর্কে একান্ত ও নিষিদ্ধ কৌতুক আলাপচারিতার বিষয় হয়ে উঠতে পারে। যে বিষয়েই কথা বলুন না কেন, দুজন হাসতে হাসতে গড়িয়ে পড়ার আনন্দটাই আলাদা। এ ধরনের সম্পর্কে সত্যিকার ভালোবাসা  থাকে।

৩. আপনার যে কথার কোনো অর্থ নেই তা বুঝতে পারেন আপনার সঙ্গী। এমন কিছু বলতে চাইছেন, যা ভাষায় প্রকাশ করতে পারছেন না। এ ক্ষেত্রে আপনার বক্তব্য অন্যের কাছে অর্থহীন মনে হলেও সঙ্গী তার পুরো অর্থ বুঝে ফেলবেন। এটাই প্রকৃত ভালোবাসা

৪. আপনার প্রিয় খাবার, প্রিয় পোশাক এবং পছন্দের সবকিছু সম্পর্কে জানেন সঙ্গী। এমনকি একটি রেস্টুরেন্টে বসে আপনার কি খেতে মন চাইছে তাও বুঝে ফেলেন প্রেমিক। এটাই আসল ভালোবাসার প্রকাশ।

৫. ছোট ছোট চাহনিতে প্রচণ্ড ভালোবাসা ফুটে ওঠে। হয়তো আপনার সঙ্গী ডায়নিংয়ে বসে রয়েছেন আর আপনি রান্নাঘরে কাজ করছেন। হঠাৎ একপলক দেখার সুযোগ তিনি হাতছাড়া করেন না। আবার গার্বেজে আবর্জনা ফেলে গিয়ে তিন মিনিট পর ফিরে এলেই আপনাকে দেখে তার চোখে আনন্দ ঝরে পড়ে। এসব ঘটনা অহরহ হলেও তা বেশ গুরু অর্থ প্রকাশ করে।

৬. যে বিষয়টি আপনার জন্যে অস্বস্তিকর, তা থেকে আপনাকে সব সময় আগলে রাখবেন সঙ্গী। ধরুন, চাকরির বিষয় নিয়ে আপনি কোনো কথা বলতে চান না। এ ক্ষেত্রে কেউ তা জিজ্ঞাসা করলে আপনার সঙ্গীর প্রসঙ্গ পাল্টাতে বেশি সময় ব্যয় হবে না।

৭. খুনসুটি দারুণ উপভোগ্য হয়ে ওঠে দুজনের মাঝে। দুজনই মাঝে মধ্যে একে অপরের ওপর হামলা চালান। দেখলে মনে হয়, দুজন খুব মারামারি করছেন। কিন্তু আসলে তা নয়। আপনারাই বুঝতে পারেন এ মারামারির রহস্য।

উপরের ঘটনা গুল আপনাদের মাঝেও ঘটলে নিশ্চিন্তে থাকুন।বুঝেনিন আপনাদের ভালোবাসা  সত্যতায় রুপ নিয়েছে।

Wednesday, June 10, 2015

সাঁতাড়ুর কানে পানি যাওয়া


লক্ষণ ও উপসর্গ

১. কানে ব্যথা এবং থ্যালথ্যালে অনুভব, বিশেষত মাথা এদিক ওদিক ঘোরাবার সময় এবং কানের লতি টানার সময়।
২. কানের ভেতর অস্বস্তিকর বদ্ধতার অনুভব এবং চুলকানি।
৩. কান থেকে তরল, বাজে গন্ধযুক্ত হলুদ পদার্থের নি:স্বরণ|
৪. কানের ফুটোর কাছে নষ্ট ত্বক|
৫. শ্রবণক্ষমতার সাময়িক হন্সাস, কিংবা ভাঙ্গা ভাঙ্গা শ্রবণানুভব।
 কী করা উচিত
এই সমস্যা প্রায়ই আপনা থেকেই সেরে যায়। যদি সেটা নাও হয়, তবুও চিকিৎসা করলে দ্রুত এই সমস্যা সেরে ওঠে এবং সাধারণত দুই চারদিনের মধ্যেই এটা ঠিক হয়ে যায়। সেরে ওঠাকে ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে আপনি নিম্নোক্ত কাজগুলো করতে পারেন:
১. আক্রান্ত কানটিকে শুষ্ক রাখার চেষ্টা করুন। গোসলের সময় এবং চুল ধোয়ার সময় আপনার কানকে পানি থেকে ঢেকে রাখুন। সাঁতাড় থেকে বিরত থাকুন।
২. ডিসপেন্সারি থেকে এন্টিসেপটিক এয়ারড্রপ কিনে ব্যবহার করতে পারেন। আপনার কানে এই ড্রপ প্রবেশ করিয়ে কয়েক মিনিট ওভাবে থাকুন, এবং তারপর মাথা ঝুকিয়ে সেটাকে বেরিয়ে যেতে দিন|
৩. ব্যথা নিরোধে একটুকরো উষä কাপড় কানে জড়িয়ে ধরে রাখতে পারেন। এক্ষেত্রে ডিসপেন্সারির কম্পাউন্ডারের কাছ থেকে এ্যাসপিরিণ বা এসিটামিনোফেন ওষুধ সেবন করলেও লাভবান হতে পারবেন। (তবে ১২ বছর বয়সের নিচে কোন শিশুর যদি চিকেন পক্স, ইনফ্লুয়েঞ্জা, কিংবা অন্যান্য কোন রোগ রয়েছে, এবং সেটা ভাইরাস বাহিত বলে আপনি মনে করেন সেক্ষেত্রে তাকে কোনভাবেই এ্যাসপিরিন দেবেন না।)কখন ডাক্তার দেখাবেন

১. যদি চার-পাঁচ দিনেরও বেশি সময় যাবৎ নিজস্ব যত্ন এবং চিকিৎসা স্বত্তেও লক্ষণগুলো বজায় থাকে সেক্ষেত্রে, যদিও সচরাচর ঘটে না, কিন্তু এই ক্ষত সংক্রামিত হতে পারে।
২. যদি লক্ষণগুলো দেখা যায়, এবং অতীতে কখনও আপনার কানের পর্দায় আঘাত লেগে থাকে, বা ক্ষত থেকে থাকে, কিংবা কানে যদি অতিতে সার্জারি করা হয়ে থাকে।
৩. প্রায়ই যদি আপনার কানে পানি ঢোকার এই সমস্যা ঘটে, কিংবা ইতিমধ্যেই কানে ঘা সংক্রান্ত কোন রোগ আপনার হয়ে থাকে।
৪. যদি আপনার ডায়াবেটিকস হয়ে থাকে, কিংবা আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গিয়ে থাকে।

কিভাবে প্রতিরোধ করবেন

১. আপনার কানদুটোতে যেন পানি জমতে না পারে সেদিকে যত্ন নিন। সাঁতাড় কাটার সময় এয়ারপ্লাগ পড়ে নিন। এবং সাঁতাড় কাটা শেশ হলে সেটা খুলে ফেলতে ভুলবেন না। স্নানের সময়ও শাওয়ার ক্যাপ পড়ে নিতে পারেন। আপনার কানের চারপাশ এবং ভেতরটা শুকনো নরম কাপড় দিয়ে শুষ্ক করে তুলুন, এবং সমস্যা হলে বাফারড এ্যালকোহল এয়ারড্রপ প্রয়োগ করে কানের ভেতর জমে থাকা অবশিষ্ট পানিটুকুও বাস্পায়িত করুন। এই ওষুধ ডিসপেন্সারিতে পাওয়া যায়।
২. সাতাঁর কাটার আগে আপনার কানে ল্যানোলিন এয়ারড্রপ প্রয়োগ করুন যাতে করে কানে পানি ঢুকে পড়তে না পারে। মাথা ঝুকিয়ে কানের তলদেশ পর্যন্ত এই ড্রপটিকে যেতে দিন, এবং তারপর আবার অন্যদিকে মাথা ঝুকিয়ে পানি সহ তরলটিকে বেড়িয়ে যেতে দিন।
৩. এই রোগের লক্ষণগুলো অপসারিত হবার অর্থাৎ রোগ সারার তিন সপ্তাহের মধ্যে আপনার কানে যেন পূনরায় পানি ঢুকতে না পারে সেদিকে যত্নবান হন, এর ফলে সমস্যাটা দ্বিতীয়বার ঘটা থেকে রেহাই পাবেন।
৪. এই রোগে আক্রান্ত হবার প্রবণতা আপনার মধ্যে থাকলে, কিংবা কানে পানি ঢুকে যাবার সমস্যা যদি আপনার প্রায়শই ঘটে সেক্ষেত্রে এন্টিসেপটিক এয়ারড্রপ ব্যবহার করুন।
৫. কানের ময়লা পরিস্কার করার সময় সাবধান থাকবেন। এমন কোন বস্তু দিয়ে কান পরিস্কার করবেন না, যেটা কানের নলকে ক্ষতিগ্রþহ করতে পারে।

Monday, June 1, 2015

স্কোটর বা অন্ত্রবৃদ্ধি বা হার্নিয়া


লক্ষণ ও উপসর্গ
১. উদরে চাপ বা অস্বস্তিকর অনুভূতি হওয়া, মাঝে মধ্যে এই চাপ বোধের সাথে কোষ্ঠকাঠিন্যও দেখা যায়।
২. কোনকিছু উত্তোলন করার সময় কিংবা নিচের দিকে ঝুঁকবার সময় উদরে কিংবা যৌনাঙ্গ বা নিম্নাঙ্গে অস্বস্তি বোধ হওয়া।
৩. উদর কিংবা যৌনাঙ্গের ত্বকের নিচে স্পষ্টভাবে লক্ষণীয় কোন বিষফোঁড় বা ফুলে ওঠা। শোয়া অবþহানে এই ফুলে ওঠার বিষয়টি হয়তো দেখা যাবে না। এবং এই স্থানটা স্পর্শকাতর হতে পারে, ধরলে ব্যথা করতে পারে।
৪. যখন হার্নিয়া তীব্র আকার নেয় তখন উদরে ব্যথা হয়, বিতৃষনাবোধ জন্ম নেয় এবং বমি হয়।
৫. দীর্ঘস্থায়ী বুক জ্বলা-পোড়া, ঢেকুর তোলা কিংবা খাবার খেয়ে সেটা বমি করে ফেলে দেয়া। এটা গার্জিটেশন বা উদগিরণের লক্ষণ হতে পারে। এগুলো অবশ্য হায়াতাল হার্নিয়ারও লক্ষণ হতে পারে, যেটা সাধারণত পাকস্থলীর কিছুটা অংশ কিংবা খাদ্যনালী ক্ষয় হয়ে সংকুচিত হলে দেখা দেয়।

কী করা উচিত
১. যদি আপনার মনে হয় যে আপনি হার্নিয়ায় আক্রান্ত সেক্ষেত্রে একজন ডাক্তারের শরণাপন্ন হোন। কখনও কখনও হার্নিয়া হলে জরুরী চিকিৎসা নেবার প্রয়োজন দেখা দিতে পারে।
২. শরীরে যেন চাপ না পড়ে সেদিকে যত্নশীল হোন এবং কোন ভারী বস্তু উত্তোলন করা থেকে বিরত থাকুন।


কখন ডাক্তার দেখাবেন
১. যদি আপনি জানেন যে আপনি হার্নিয়ায় আক্রান্ত, এবং আপনি বিতৃষäাগ্রস্ত, বমি হচ্ছে, কিংবা মলত্যাগ হচ্ছে না কিংবা বায়ু ত্যাগেও সমস্যা হচ্ছে। এগুলো হয়তো বাধাপ্রাপ্ত বা রক্ত চলাচলে বাধাপ্রাপ্ত হার্নিয়ার লক্ষণ।
২. যদি আপনার মনে হয় যে আপনার হার্নিয়া হয়েছে।

কিভাবে প্রতিরোধ করবেন
১. মল ত্যাগের সময় অতিরিক্ত চাপ প্রয়োগ করবেন না। কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে রক্ষা পেতে এবং মলদ্বারের পেশির শক্তি বাড়াবাড় লক্ষ্যে প্রোটিণয্ক্তু খাদ্য খাবার অভ্যাস করুন।
২. যদি আপনার ওজন শরীরের তুলনায় বেশি হয় সেক্ষেত্রে, উদরের পেশিগুলোর উপর থেকে অতিরিক্ত চাপ অপসারণের লক্ষ্যে কিছু ওজন কমাবার চেষ্টা করুন।
৩. ভারী বস্তু উত্তোলন থেকে বিরত থাকুন।
৪. ধুমপান করবেন না। যদি করেন, তবে বর্জন করুন। শ্বাসনালীতে প্রদাহের দরুন সৃষ্ট দীর্ঘþহায়ী কাশিও আপনাকে হার্নিয়ায় আক্রান্ত করতে পারে এবং কখনও কখনও একবার সেরে ওঠার পর আবার হার্নিয়ার জন্ম দিতে পারে।
৫ নিয়মিত ব্যয়াম করুন যাতে করে আপনার উদরের পেশিগুলো আরও শক্তিশালি হয় এবং সক্রিয় হয়ে ওঠে।
Signs and Symptoms

1. A heavy feeling in the abdomen, sometimes accompanied by on going constipation.

2. Discomfort in the abdomen or groin when lifting or bending over.

3. An obvious swelling or bulge beneath the skin in the abdomen or groin. It may disappear when you lie down, and it may be tender.

4. In severe cases pain in the abdomen, nausea, and vomiting.

5. Chronic heartburn, belching, or regurgitation. These could be a signal of gurgitation. These could signal a hiatal hernia, which occurs when part of the stomach or lower esophagus squeezes into the chest cavity.



What to do now

1. Call a doctor if you suspect you have a hernia. Sometimes hernias require urgent medical care.

2. Avoid staining or heavy lifting.



When to call a doctor

1. If you know you have a hernia, and you are nauseated and vomiting, or unable to have a bowel movement or pass gas. These symptoms could indicate an obstructed or strangulated hernia.

2. If you suspect you have hernia.



How to prevent it

1. Don’t strain when having a bowel movement Practice good nutrition, both to avoid constipation and to enhance muscle strength.

2. If you are overweight, try to lose some weight to ease the pressure on your abdominal muscles.

3. Avoid lifting heavy objects.

4. Don’t smoke. If you do, quit. Chronic coughing from bronchial irritation makes a hernia more likely and also can make one recur.

5. Do regular, gentle exercises to tone and strengthen your abdominal muscles.

ফ্যাট কমানোর ৮ উপায়


ফ্যাট কমানোর ৮ উপায়


শহুরে জীবনে স্থূলতা ক্রমে প্রকট সমস্যা হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছে। প্রতিদিন আমাদের দেহ যে পরিমাণ ক্যালরি পোড়ায় এর চেয়ে বেশি ক্যালরি খরচের আর কোনো উপায় আছে কি? হ্যাঁ এবং না-এক্সপার্টদের মন্তব্য। দৃশ্যত খাঁটি বিষয়টি হলো বাড়তি ক্যালরি পোড়ানোর এক নাম্বার (এবং আদি ও অকৃত্রিম) উপায় হলো আরো বেশি করে কাজ, হাঁটাচলা করা।

ইউনিভার্সিটি অব নর্থ ক্যারোলিনায় ইন্টারডিসিপ্লিনারি ওবেসিটি প্রোগ্রামের ডিরেক্টর ব্যারি এম পপকিন বলেন, আমরা দেখেছি বেশি বেশি নড়াচড়া ছাড়া ক্যালরি খরচ বা বিপাক ক্রিয়া বাড়ানোর কোনো রাস্তা নেই।

যদিও গবেষণায় দেখা যায়, দেহের ক্যালরি খরচের মাত্রা বেড়ে যায় এমন কিছু উপায় আছে। এখানে তেমনি কয়েকটি উপায় দেয়া হলো যেগুলো ব্যবহার করে ক্যালরি পুড়িয়ে স্থূলতার বিরুদ্ধে আপনার যাত্রা অব্যাহত রাখতে পারেন।

এক্সারসাইজের মাধ্যমে ক্যালরি পোড়ানো
এটা খুব সাধারণ ধারণা, যত বেশি এক্সারসাইজ করবেন ক্যালরি খরচ হবে তত বেশি। বস্তুত এক্সপার্টদের মতে, প্রতিদিন সময় নিয়ে হাঁটলে সেটাও ক্যালরি পোড়ানোর একটি বড় হাতিয়ার হতে পারে। আর এক্সারসাইজের ব্যাপারে কথা হলো, ধীরে ধীরে এর সময় বাড়াতে হবে।

শক্তি বাড়ানোর এক্সারসাইজ করে পেশি তৈরি করুন
আপনি যখন এক্সারসাইজ করেন তখন পেশির ব্যবহার হয়। এর ফলে পেশির দৃঢ়তা বাড়ে। আর এমনকি যদি আপনি বিশ্রাম নেন তখনো পেশির কোষগুলো যতটা ক্যালরি পোড়াতে সাহায্য করে দেহের চর্বি ততটা পারে না। বিশ্রামে থাকা অবস্থায় ১০ পাউন্ডের পেশি ৫০ ক্যালরি খরচ করে, যেখানে সমপরিমাণ ফ্যাট মাত্র ২০ ক্যালরি খরচ করে।

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দেহের শক্তি বাড়ানোর বিভিন্ন এক্সারসাইজ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। কারণ এ সময় মানুষের বিপাক ক্রিয়া গতি হারায়। এ অবস্থাকে প্রতিহত করতে সপ্তাহে অন্তত কয়েকবার শক্তি বাড়ানোর এক্সারসাইজ করুন। থাই, তলপেট, বুক ও বাহুর পেশিগুলো দেহের সবচেয়ে বড় পেশি, এ কারণে এগুলো বেশি ক্যালরি পোড়াতে পারে।

ক্যাফেইনসমৃদ্ধ গ্রিন বা ব্ল্যাক টি পান করুন
ক্যাফেইন এক ধরনের উদ্দীপক আর উদ্দীপনা দেহে বাড়তি ক্যালরি পোড়াতে সাহায্য করে। এটা আপনার দেহে কর্ম উদ্দীপনা তৈরি করে আর তার ফলে আপনি বাড়তি নড়াচড়া করেন। এছাড়া ক্যাফেইন দেহের বিপাকীয় পরিবর্তন ঘটায়, যা আপনার বাড়তি ক্যালরি ধ্বংস করে।

খাবার সঙ্গে চা পান করা চর্বির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আরেক উপায়। চায়ের নির্যাস খাবার সময় দেহের কার্বোহাইড্রেড গ্রহণকে প্রতিহত করে-এমনটাই জানা গেছে সেপ্টেম্বর ২০০৬-এ প্রকাশিত আমেরিকান জার্নাল অব ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশন থেকে।

অল্প খান, ঘন ঘন খান
দিনে যে কয়বারই আপনি খাবার খান আপনার গ্যাস্ট্রোইন্টেস্টিনাল প্রক্রিয়া চালু হয়। বস্তুত এটা হলো খাবার হজম হওয়া এবং এর পুষ্টি দেহে ছড়িয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া। মানুষের হজম মেশিনটি চালু হতে ক্যালরি খরচ হয় আর এ জন্যই আপনাকে বলা হচ্ছে প্রতিবার অল্প করে দিনে বেশ কয়েকবার খাওয়া-দাওয়া করুন। এতে বাড়তি কিছু ক্যালরি খরচ করতে পারবেন আপনি নিঃসন্দেহে।

সকালের নাশতা এড়াবেন না
ব্রেকফাস্ট সময়মতো করতে হবে। আমেরিকান ডায়েটিক অ্যাসোসিয়েশনের একটি জার্নালে সম্প্রতি বলা হয়েছে, দেহের ওজন বৃদ্ধির সঙ্গে ব্রেকফাস্ট এড়ানোর সম্পর্ক আছে এমন প্রমাণ পাওয়া গেছে। অনেক গবেষণায় এমনটাই দেখা গেছে, যারা সকালের নাশতা করেন না, দিনে অতিরিক্ত খেয়ে তারা দেহে বাড়তি ক্যালরি যোগ করেন। তাছাড়া কেবল স্থূলতা এড়াতেই নয়, আদর্শ লাইফস্টাইলের জন্যও এ অভ্যাসে অভ্যস্ত হওয়া প্রয়োজন।

অল্প ফ্যাটসমৃদ্ধ ডেয়ারি প্রোডাক্ট খান
স্বল্প ননিযুক্ত খাবারে যে পরিমাণ ক্যালসিয়াম আছে তা ক্যালরি খরচে ভূমিকা না রাখলেও এর মাধ্যমে দেহে চর্বি জমতে পারে না। এক গবেষণায় দেখা গেছে, ক্যালসিয়ামে ভরপুর লো-ফ্যাটসমৃদ্ধ ডেয়ারি প্রোডাক্টের সঙ্গে পেটের চর্বির একটা যোগাযোগ আছে।

দিনে দুই লিটার পানি পান করুন
সারা দিনে অন্তত দুই লিটার পানি পান করবেন। এর ফলে আপনার বাড়তি ১০০ ক্যালরি খরচ হবে। জার্মানির এক ছোট গবেষণায় এমনটাই দেখা গেছে, জানালেন পোপ।

ভাবছেন, মাত্র ১০০ ক্যালরি? কিন্তু এ অভ্যাস গড়ে উঠলে সপ্তাহে ৭০০ এবং মাসে আপনার ২,৮০০ ক্যালরি পুড়বে। পাশাপাশি এটা আপনার হজম প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলবে এবং কিডনিও ভালো রাখবে। বাড়তি লাভ আরো আছে অনেক সময় তেষ্টা পাওয়াকে আমরা ক্ষুধার সঙ্গে গুলিয়ে ফেলি। পানি পর্যাপ্ত খেলে এ বিভ্রান্তি ঘটার সম্ভাবনাও কমে যাবে।

এলোমেলোভাবে নড়াচড়া করুন
যে কোনো ধরনের দৈহিক নড়াচড়ার জন্যই এনার্জি দরকার। আর এলোমেলোভাবে হাঁটাটাও নিশ্চয়ই নড়াচড়ার মধ্যে পড়ে। ইংরেজিতে একে বলে ফিজেটিং। স্পেশালিস্টের বক্তব্য-পুরনো গবেষণায় দেখা গেছে, বাড়তি ক্যালরি খরচ হতে পারে ফিজেটিংয়ের মাধ্যমে। আরেক গবেষণায় দেখা যায়, নিয়ম করে নড়াচড়ার চেয়ে এলোমেলো নড়াচড়ার মাধ্যমেই নির্ধারিত হয় কে শুকনো আর কে মোটা।

মেদ কমানোর সহজ উপায়


গাবদা-গোবদা মুখাবয়ব এবং মেদসর্বস্ব দেহ নিঃসন্দেহে কদাকার। ধুমসি দেহ নিয়ে কারো চোখে নিজেকে আকর্ষণীয় করে তোলা যায় না। তাই মেদ কমানোর জন্য নিম্নে বর্ণিত পদ্ধতিগুলো মেনে চলুন।


১. ডায়েট কন্ট্রোলঃ সৌন্দর্যচর্চার প্রাথমিক সোপান হলো খাদ্য নিয়ন্ত্রণ। ডায়েট কন্ট্রোল না করে স্থূলতা কমানোর অভিপ্রায় দুরাশা মাত্র। একজন স্থূল মেয়ে প্রতিদিন কতটা খাবার গ্রহণ করবে, তা নির্ভর করে তার বয়স, পেশা এবং দৈহিক কাঠামোর ওপর। প্রতিদিন স্বাভাবিকের চেয়ে ৫০০ ক্যালরি খাবার কম খেলে প্রায় ১ পাউন্ড ওজন কমানো যায়। প্রতিদিন কোনো কাজ না করে চুপচাপ বসে থাকলে একজন মানুষের ১৫০০ ক্যালরির মতো খাদ্য দরকার। তাই স্থূলদেহের মেয়েরা যদি প্রতিদিন ৮০০ থেকে ১২০০ ক্যালরি খাদ্য গ্রহণ করে তবে দেহের ওজন কমানো যায়। ক্যালরি কম গ্রহণ করলে দেহাভ্যন্তরে বাড়তি মেদ ভেঙে গিয়ে দেহকে বাড়তি ক্যালরি জোগান দেয়। আমিষজাতীয় খাবার খুব তাড়াতাড়ি মানুষের রসনা নিবৃত্তি করে। প্রাপ্তবয়স্ক একজন স্থূল দেহের মেয়ের খাদ্যে প্রতিদিন কমপক্ষে ৫০ থেকে ৬০ গ্রাম প্রোটিন বা আমিষজাতীয় খাবার থাকা উচিত। শর্করাজাতীয় খাবার যেমন-ভাত, রুটি, গম, ভুট্টা ইত্যাদির পরিমাণ কমিয়ে আনতে হবে। ১০০০ ক্যালরি খাবারের জন্য ১০০ গ্রাম শর্করাজাতীয় খাবারই যথেষ্ট। যারা ডায়েট কন্ট্রোল করে, তাদের খাবারে থাকবে প্রচুর শাক-সবজি ও ফলমূল।


ফাইবার বা আঁশযুক্ত খাবার যেমন পুঁইশাক, পালংশাক, সবুজ এগুলোতে ক্যালরির মান খুব কম, কিন্তু তা উদরপূর্তিতে সহায়ক। খাদ্যে ভিটামিন এবং অন্যান্য খনিজদ্রব্যের উপস্থিতি থাকবে স্বাভাবিক। মানুষ মোটা হয় শর্করা ও স্নেহজাতীয় পদার্থের ফলে। তাই সবাইকে মনে রাখতে হবে, যাতে খাদ্যদ্রব্যে শর্করা এবং স্নেহজাতীয় খাবারের আধিক্য না ঘটে। খাদ্য কখনো মানুষের শত্রু হতে পারে না কিন্তু তাকে ব্যবহার করতে হবে। বেশি খাওয়া, কম পরিশ্রম করা অনুচিত। যারা বেশি খাবে, তারা বেশি পরিশ্রম করবে-এটাই নিয়ম। নইলে মেদ বৃদ্ধি অনিবার্য। সাধারণত একজন প্রাপ্তবয়স্ক মেয়ে প্রতিদিন ১০০০ ক্যালরি খাবার গ্রহণ করে খাদ্য নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। ১০০০ ক্যালরির চার্ট দেখে নিজের খাদ্য তালিকা প্রস্তুত করে নেয়া যায়। যদি ১০০০ ক্যালরি খাদ্য নিয়ন্ত্রণে ভালো ফল না পাওয়া যায়, তবে মাত্র ৪০০ ক্যালরি খাবার গ্রহণ করেও খাদ্য নিয়ন্ত্রণ করা যায়। তবে শুরুতে ৪০০ ক্যালরি শুরু না করাই ভালো। ডায়েট কন্ট্রোলের জন্য বিভিন্ন তত্ত্ব আবিষকৃত হয়েছে। কিন্তু কোনটি সবচেয়ে ফলপ্রদ, তা আজো অনাবিষকৃত। ১৮৬৩ সালে ডা. উইলিয়াম হার্ভে সর্বপ্রথম ডায়েটিং তত্ত্ব আবিষ্কার করেন। তবে তার এই তত্ত্ব বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। ডা. স্টিল ম্যান ‘কুইকি’ নামে একটি ডায়েট কন্ট্রোলের পদ্ধতি বের করেন। তার মতে, স্বাভাবিক প্রোটিন বা আমিষজাতীয় খাদ্য কিন্তু সুষম নয় এ ধরনের খাবার অনেক তাড়াতাড়ি চর্বি জমায়। কিন্তু এ কুইকি পদ্ধতি বেশিদিন চলেনি। কারণ শরীরে শক্তির বিরাট অংশ জোগান দেয় গ্লুকোজ, যা সরাসরি কার্বোহাইড্রেড থেকে আসে। হঠাৎ করে খাদ্যে কার্বোহাইড্রেডের পরিমাণ কমিয়ে ফেলা দেহের জন্য ক্ষতিকর।


১৯৮১ সালে জুডি ম্যাজেলের বিভারলি হিলস ডায়েট আমেরিকায় খুব জনপ্রিয় ছিল। এই পদ্ধতিতে প্রথম ১০ দিন শুধু ফল, ১১ দিন মাখন এবং ভুট্টা। এর পরের ১০ দিন শুধু মাছ বা মাংস খেতে বলা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে বলা হয়েছে বেভারলি হিলস ডায়েট দেহের জন্য ক্ষতিকারক। ইদানীং নাথন প্রিটিকেনের ‘প্রিটিকিন রিগ্রেশন ডায়েট’ স্থূলতা কমাতে খুব জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এই ডায়েটে কার্বোহাইড্রেড, কোলেস্টেরল এবং চিনির পরিমাণ অত্যন্ত কম। ১০০০ ক্যালরির এই ডায়েটে যে শুধু মেদ কমানো যায় তাই নয়, এ দিয়ে উচ্চরক্তচাপ, বহুমূত্র পিত্তথলির রোগ প্রতিরোধ করা যাবে।

Sunday, April 19, 2015

যে ১০টি কারনে সবাই আপনার থেকে দূরে সরে যাবে!!!


১) অনের প্রতি হিংসা কাজ করাঃ



আমরা কারনে অকারনে আমাদের বন্ধুদের নিয়ে হিংসা করি। প্রতিযোগীতা  আর হিংসা এক জিনিস নয়। আপনার মধ্যে প্রতিযোগী মনভাব থাকা ভালো কিন্তু হিংসা আপনার জন্য কখনই ভালো বয়ে নিয়ে আসবে না। বরং হিংসা আপনাকে আপনার বন্ধুদের থেকে দূরে ঠেলে দিবে।  তাই হিংসা থেকে দূরে থাকুন।

২) খুব ব্যক্তিগতভাবে সবকিছু গ্রহণ করাঃ 



অনেকে আছেন যারা সামান্য  কথা কে খুব ব্যক্তিগতভাবে গ্রহন করেন। সব কথাই নিজের গায়ে লাগিয়ে ফেলেন। আপনিও যদি এই ধরনের হওন তাহলে নিজেই কষ্ট পাবেন এবং বন্ধুদের বিরক্তি কর মনে করবেন। বন্ধুরা আপনাকে নিয়ে মজা করতেই পারে কিন্তু আপনি যদি এই মজা কে সিরিয়াস ভাবে নেন তাহলে বন্ধুরা আপনার থেকে দূরে সরে যেতে বেশি সময় নিবে না।

৩) অতিরিক্ত নেগেটিভ চিন্তা ভাবনাঃ



বন্ধুরা আপনাকে দূরে সরিয়ে দেয়ার একটা বড় কারন হচ্চে এটি! অতিরিক্ত নেগেটিভ চিন্তা ভাবনার ফলে আপনি আপনার বন্ধুকে বিশ্বাস করতে পারবেন না। জগরা কলহ লেগেই থাকবে। এই অভ্যাসের কারনে আপনি নিজেই আপনার বন্ধুদের থেকে আলাদা হয়ে যাবেন। তাই অতিরিক্ত নেগেতিক চিন্তা ভাবনা থেকে দূরে থাকুন।

৪) মানসিক আত্মনিয়ন্ত্রণ অভাবঃ



আপনি হটাত করেই রেগে যান ? এবং একটা সিন্ধান্ত নিয়ে ফেলেন যদিও  এখানে ভুলটা আপনার। তাও আপনি আপনার সিন্ধান্তে অটুট থাকেন। আর সেখানেই মস্ত বড় ভুল করে ফেলছেন আপনি। হয়তো  সাময়িক রাগের জন্য আপনাদের বন্ধুত্ত কে ছিন্ন করে দিলেন,মনে রাখবেন কাচ আর বন্ধুত্ব ভেজ্ঞে গেলে কখনই আগের মতো করা যায় না। তাই রাগের মাথায় কোনো সিন্ধান্ত নিবেন না।

৫) ব্যথা এবং ক্ষতি মজুদ করে রাখাঃ



আমরা অনেকেই আছি যারা ব্যথা  কষ্ট মজুদ করে রাখি, আমাদের অন্তরে। কিন্তু আপনি কি জানেন যে বন্ধুর জন্য আপনি ব্যথা পেয়ে যাচ্ছেন তাকে সেটা বলাটা কতো প্রয়োজন? এর কারনে আপনি নিজেই হিন মন্নতায় ভুগবেন আর নিজেই তাদের থেকে আলাদা হয়ে যেতে চাইবেন।

৬) প্রথম দেখায় ই মানুশকে চিনে ফেলাঃ 



অনেকে আছেন যারা প্রথম দেখাতেই একটা মানুস কে বিচার করে ফেলেন। একটা মানুষের ভালো মন্ধ কখনই প্রথম দেখাতে বুজা যায় না। অথবা বিচার করা যায় না। আপনি সেই মানুষটার সম্পর্কে  না জেনেই খারাপ মন্তব্য করলে সবাই ই আপনার থেকে দূরে সরে যাবে।  কারন তারা আপনাকে চীপ ভাববে!

৭) অন্নের দোষ ত্রুটি ধরাঃ 



আমাদের সবচেয়ে খারাপ অভ্যাস হল আমরা নিজের চরকায় তেল না দিয়ে অন্নের চরকায় তেল দিতে বেশি পছন্দ করি। কিন্তু আমরা এটা বুজতে চাইনা যে অন্নের চরকায় তেল দিয়ে গিয়ে আমাদের কাছের বন্ধুদের হারিয়ে ফেলছি  নিজের অজান্তেই। তাই বন্ধুদের দোষ নিয়ে হাসি ঠাট্টা করবেন না।

৮) প্রতারনা, কথা দিয়ে কথা না রাখাঃ 



প্রতারনা সব কাজ গুলর মধ্যে সবচেয়ে জঘন্য কাজ। মানুষ প্রতারনা কারিকে পছন্দ করে না। যারা কথা দিয়ে কথা রাখে না বিশ্বাস ঘাতকতা করে তাদের থেকে মানুষ ধীরে ধীরে দূরে সরে যায়।

৯) সত্য গোপন করা আর মিথ্যা কথা বলাঃ



বন্দুদের সাথে নিজের সম্পরকে মিথ্যা ইনফর্মেশন দেয়া, এবং নিজের দাম্ভিকতা বারানোর জন্য সত্য গোপোন করে হয়ত আজ আপনি পার পেয়ে যাবেন কিন্তু যখন আপনি ধরা খেয়ে যাবেন তখন আপনাদের বন্ধুত্ব আর কখনই আগের মতো রইবে না। তাই নিজের সম্পর্কে অন্যকে সঠিক তথ্যটিই জানান।

১০) একগুয়ে মনভাবঃ



আপনি নিজের বিচারকে বেশি প্রাধান্য দেন। নিজের ভালোটাই বেশি বুজেন। একগুয়ে মনভাবের কারনে আপনাকে মানানো অনেক কঠিন! আপনাকে মানাতে সবাই হয়ত আজ অনেক  চেস্টা করবে, কাল ও করবে কিন্তু পরশুদিন ঠিক ই তারা আপনাকে ছেরে চলে যাবে। তাই সবার সাথে মেলামেশা করুন। নিজের থেকে অন্নের কথার প্রাধান্য বেশি দিন।

ওজন কমাতে লেবু-মধু পানীয় পান করুন


 নিচের পদ্ধতিগুলো অবলম্বন করলে বাড়িতে বসে ওজন কমাতে পারবেন।
ওজন কমাতে অনেকে অনেক কিছু পান করেন বা খান। যেমন : ওজন কমানোর চা, সোনাপাতা, ওজন কমানোর ওষুধ ইত্যাদি। এগুলোর কোনো কার্যকারিতা আছে কিনা তা সন্দেহ আছে। থাকলেও এগুলোর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থাকতে পারে। কিন্তু প্রাকৃতিক উপাদান মধু ও লেবু আসলেই যে কার্যকরী, তা পরীক্ষিত এবং সারা বিশ্বে সমাদৃত ও স্বীকৃত । ওজন কমাতে দুটি প্রাকৃতিক উপাদান লেবু ও মধুর পানীয় সম্পর্কে অনেকেই জানেন । ওজন কমানো ছাড়াও লেবু ও মধুর অনেক গুণাগুণ আছে। কেন ওজন কমায়?
মধুতে যদিও চিনি থাকে, কিন্তু এতে ভিটামিন ও মিনারেল থাকার কারণে এটি সাধারণ চিনির মতো ওজন না বাড়িয়ে কমায়। কারণ সাধারণ চিনি হজম করতে আমাদের শরীর নিজের থেকে ভিটামিন ও মিনারেল খরচ করে, ফলে এসব পুষ্টি উপাদানের ঘাটতি হয়। এসব উপাদান ফ্যাট ও কোলেস্টেরল কমাতে বা ভাঙতে সাহায্য করে। ফলে যখন আমরা বেশি চিনি খাই, তখন অধিক ক্যালরি শরীরে জমা ছাড়াও এসব পুষ্টি উপাদানের চিনি হজম করতে অতিরিক্ত খরচ হওয়ায় পুষ্টি উপাদানের ঘাটতি হয়। তাই ওজন বাড়াতে পারে। কিন্তু মধুতে এসব উপাদান থাকার ফলে এগুলো হজমে সহায়ক এবং ফ্যাট ও কোলেস্টেরল কমায়। তাই এই পানীয় ওজন কমায়। তাছাড়া সকালে উঠেই শরীর যদি পানি জাতীয় কিছু পায়, তবে তা হজম শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। ফলে একই রকম শারীরিক পরিশ্রম করেও আপনার হজম শক্তি বৃদ্ধির কারণে ওজন কমতে পারে।
লেবু-মধু পানীয় বানানোর প্রণালী
এক গ্লাস হালকা বা কুসুম গরম পানি, আধা চা চামচ লেবুর রস, এক চা চামচ মধু। গরম পানিতে লেবু ও মধু মিশিয়ে পান করুন লেবু-মধু পানীয়। আপনি চাইলে এর সঙ্গে সবুজ চা মেশাতে পারেন।
যা লক্ষ্য রাখবেন,

—আগে পানি হালকা গরম করে তারপর লেবু ও মধু মেশাবেন। মধু কখনোই গরম করতে যাবেন না।
—যদি ঠাণ্ডা পানিতে এটি পান করেন, তবে বিপরীত ফল হবে, মানে আপনার ওজন বাড়বে।
লেবু-মধু পানীয়ের উপকারিতা
এই পানীয় শরীর থেকে টক্সিন বের করে। শরীরের ভেতরের নালীগুলোর সব ময়লা বের করে দেয়।
—মেটাবলিজম/হজম শক্তি বাড়ায়, ফলে ওজন কমে। ঠাণ্ডা লাগলে এই পানীয় কফ বের করতে সাহায্য করে এবং ঠাণ্ডা লাগলে গলাব্যথা করলেও এটি উপকারী ।
—এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
—শরীরে শক্তি বাড়ায়, অলসতা কমায়।
—কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
মধুর উপকারিতা
মধুতে গ্লুকোজ ও ফ্রুকটোজ আলাদাভাবে থাকে, কিন্তু চিনিতে তা একসঙ্গে থাকে। ফ্রুকটোজ তাড়াতাড়ি গ্লুকোজের মতো শরীরে ক্যালরি হিসেবে জমা হয় না। তাই চিনির মতো মধু সহজে ক্যালরি জমা করে না। ফলে অল্প মধু খেলেও ওজন বাড়ার সম্ভাবনা কম।
মধু শরীরকে রিলাক্স করে, মনকে প্রফুল্ল রাখতে সাহায্য করে এবং সহজে ঘুম আনতে সাহায্য করে।
মধু একটি প্রাকৃতিক এন্টি বায়োটিক, যা শরীরের সব ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াকে মেরে ফেলে ইনফেকশন দূর করে। ফলে শরীরের কাজ করার প্রণালী উন্নত হয় এবং হেলদি থাকে।
মধু হজমে সহায়ক। তাই বেশি খাবার খাওয়ার পরে অল্প মধু খেতে পারেন
—মধু ফ্যাট কমায়, ফলে ওজন কমে।
—মধু প্রাকৃতিকভাবেই মিষ্টি। তাই মধু সহজে হজম হয়।
—চোখের জন্য ভালো।
—গলার স্বর সুন্দর করে।
—শরীরের ক্ষত দ্রুত সারায়।
—আলসার সারাতে সাহায্য করে।
—নালীগুলো পরিষ্কার করে।
—ঠাণ্ডা লাগলে জ্বর, গলাব্যথায় ভালো ওষুধ হিসেবে কাজ করে।
—মধু এন্টি অক্সিডেন্ট, যা ত্বকের রং ও ত্বক সুন্দর করে। ত্বকের ভাঁজ পড়া ও বুড়িয়ে যাওয়া রোধ করে।
—বুদ্ধিবৃত্তি বাড়ায়।
—শরীরের সামগ্রিক শক্তি বাড়ায় ও তারুণ্য বাড়ায়।
লেবুর উপকারিতা
লেবুতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, যা এন্টিসেপটিক ও ঠাণ্ডা লাগা প্রতিরোধ করে
এছাড়া লেবুতে থাকে ঈধষপরঁস, চড়ঃধংংরঁস, চযড়ংঢ়যড়ত্ঁং, গধমহবংরঁস, যার কারণে হাড় ও দাঁত শক্ত হয়।
নিচের পদ্ধতিগুলো অবলম্বন করলে বাড়িতে বসে ওজন কমাতে পারবেন।
ওজন কমাতে অনেকে অনেক কিছু পান করেন বা খান। যেমন : ওজন কমানোর চা, সোনাপাতা, ওজন কমানোর ওষুধ ইত্যাদি। এগুলোর কোনো কার্যকারিতা আছে কিনা তা সন্দেহ আছে। থাকলেও এগুলোর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থাকতে পারে। কিন্তু প্রাকৃতিক উপাদান মধু ও লেবু আসলেই যে কার্যকরী, তা পরীক্ষিত এবং সারা বিশ্বে সমাদৃত ও স্বীকৃত । ওজন কমাতে দুটি প্রাকৃতিক উপাদান লেবু ও মধুর পানীয় সম্পর্কে অনেকেই জানেন । ওজন কমানো ছাড়াও লেবু ও মধুর অনেক গুণাগুণ আছে। কেন ওজন কমায়?
মধুতে যদিও চিনি থাকে, কিন্তু এতে ভিটামিন ও মিনারেল থাকার কারণে এটি সাধারণ চিনির মতো ওজন না বাড়িয়ে কমায়। কারণ সাধারণ চিনি হজম করতে আমাদের শরীর নিজের থেকে ভিটামিন ও মিনারেল খরচ করে, ফলে এসব পুষ্টি উপাদানের ঘাটতি হয়। এসব উপাদান ফ্যাট ও কোলেস্টেরল কমাতে বা ভাঙতে সাহায্য করে। ফলে যখন আমরা বেশি চিনি খাই, তখন অধিক ক্যালরি শরীরে জমা ছাড়াও এসব পুষ্টি উপাদানের চিনি হজম করতে অতিরিক্ত খরচ হওয়ায় পুষ্টি উপাদানের ঘাটতি হয়