Showing posts with label অনলাইনে আয়. Show all posts
Showing posts with label অনলাইনে আয়. Show all posts

Friday, January 15, 2016

ইউটিউব ভিডিও ভিউ বাড়িয়ে আয় করার নতুন পদ্ধতি

আপনারা সবাই ইউটিউব সম্পর্কে কম বেশি জানেন। এই গুগল এর একটি ভিডিও সার্চ ইঞ্জিন। প্রতিদিন অসংখ্য ভিডিও এখানে আপলোড হয়, ভিউ হয়। এই ভিডিও ভিউ করার মাধ্যমে আপনি অর্থ উপার্জন করতে পারেন। ইউটিউব সরাসরি ভিডিও ভিউ এর জন্য আপনাকে অর্থ প্রদান করবেনা। সেক্ষেত্রে আপনাকে অন্য একটি সাইট এর মাধ্যমে কাজটি সম্পাদন করতে হবে।

ভিউট্রাকার (viewtrakr.com) এমন একটি সাইট যেখানে বিভিন্ন বাক্তি অথবা প্রতিষ্ঠান তাদের পণ্যের ভিডিও অথবা বিজ্ঞাপন অর্থের বিনিময় প্রমোট/প্রচারনা করে থাকে।
কিভাবে ভিউট্রাকার অর্থ পরিশোধ করে ?
ভিউট্রাকার বিভিন্ন বাক্তি অথবা প্রতিষ্ঠান থেকে তাদের পণ্যের বিজ্ঞাপন প্রমটের/প্রচারনার জন্য গ্রহনকৃত অর্থের সিংহভাগ নিবন্ধনকৃত সদস্যদের প্রদান করে থাকে। ভিউট্রাকার সাধারনত আপনাকে ক্যাশ প্রদান করবেনা। এর পরিবর্তে ভিউট্রাকার  আপনাকে বিশ্বের বিখ্যাত ৫০ টি অনলাইন শপ থেকে কেনাকাটার সুযোগ প্রদান করবে। এসব অনলাইন শপগুলোর মধ্যে  amazon.com, play.google.com, apple.com/shop, bestbuy.com সহআরও অনেক অনলাইন শপ থেকে বিভিন্ন পণ্য খুব সহজে কিনতে পারবেন। নিচের ছবিতে অনলাইন শপ এর একটি লিস্ট দেখতে পাবেন
viewtrakr-sign-up-12
এই সাইট সাইন আপ করতে আপনাকে এই   লিঙ্ক  যেতে হবে।  এই সাইট এ সাইন আপ এর বিস্তারিত বর্ণনা পাবেন।
11
এবার এই বাটন এ ক্লিক করুন।
viewtrakr-sign-up-1
এবার নিচের ছবির মত একটি সাইন আপ ফর্ম আসবে। আপনার ইমেইল এবং পাস দিয়ে I am atleast 13 years এ চেক করে Sign Up বাটন এ ক্লিক করুন।
21
এবার আপনি যখন ড্যাশবোর্ড এ প্রবেশ করবেন আপনার স্ক্রীন এর বাম পাসে নিচের ছবির মত দেখতে পাবেন।
31
এই সাইট এ আপনার কাজের মূল্য মূলত CyberCoin (সাইবার কয়েন) হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
আপনি যদি একটি ভিডিও দেখেন আপনি পাবেন ২০ (Web Score) ওয়েব স্কোরে. আপনি যখন ১০০০ ওয়েব স্কোরে সংগ্রহ করবেন তখন আপনি পাবেন ১ সাইবার কয়েন।  এবং আপনি যদি ৫০০০ সাইবার কয়েন সংগ্রহ করেন আপনি পাবেন একটি ই-টিকেট। একটি ই-টিকেট এর মূল্য সর্বনিম্ন ১৫ ডলার থেকে সর্বোচ্চ ৫০ ডলার পর্যন্ত হতে পারে।
এবার আপনারা বলবেন, ভাই ৫০০০ সাইবার কয়েন যোগার করতে বুড়ো হয়ে যাব। ��
আপনার ধারনা ভুল। আপনি যদি দলগত ভাবে কাজ করেন আপনি প্রথম ৩০/৬০ দিনের মধ্যে এই ৫০০০ সাইবার কয়েন সংগ্রহ করতে পারবেন।
কিভাবে এত সাইবার কয়েন সংগ্রহ করবেন?
আপনি যখন আপনার রেফারেল লিঙ্ক ব্যবহার করে ১ জন কে এই সাইট এ নিবন্ধন করাতে পারবেন, আপনি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ২৫০০ সাইবার কয়েন ফ্রী পাবেন। তারমানে আপনার অর্ধেক কাজ শেষ।  বাকি থাকল ২৫০০।
আপনি যখন আপনার ৫ জন বন্ধুকে এভাবে এই সাইট এ যুক্ত করতে পারবেন আপনি আরও ৫০০ সাইবার কয়েন ফ্রী পাবেন। আপনার কিন্তু ৩০০০ সাইবার কয়েন হয়ে গেল।  :)
 
এবার আসুন আপনার আসল কাজ বাকি। অবশিষ্ট ২০০০ সাইবার কয়েন সংগ্রহ করতে আপনাকে একটু কষ্ট করতে হবে। আপনাকে দলগত ভাবে কাজ করতে হবে। অর্থাৎ আপনি আপনার রেফারেল লিঙ্ক এর মাধ্যমে যাদেরকে এই সাইট এ আমন্ত্রন জানিয়ে নিয়ে এসেছেন তাদের সমন্বয়ে আপনাকে কাজ করতে হবে। আপনার দলের সদস্যরা যত ভিডিও দেখবে আপনার স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাইবার কয়েন বাড়তে থাকবে। অর্থাৎ আপনি আপনার দলকে যত শক্তিশালী করবেন আপনি তত তারাতারি আপনার ৫০০০ সাইবার কয়েন এর লক্ষে পৌছাতে পারবেন। :)
 
এবার আসুন কিভাবে ভিডিও দেখবেন। নিচের ছবিটি একটু খেয়াল করুন।
41
MY PAGES এ ক্লিক করলেই আপনি ভিডিও আর লিস্ট দেখতে পাবেন। এবার যেকোনো একটি ভিডিও আর উপর ক্লিক করুন
5
file
উপরের ছবিটি একটু খেয়াল করুন। ভিডিও চলার সময় আপনি আরও ৮ টি ভিডিও পাবনে।viewtrakr-sign-up-16
এই চার্টের মাধ্যমে আপনি সাইবার কয়েন সম্পর্কে একটি ভাল ধারনা পাবেন। আশাকরি আপনারা সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া বুজতে পেরেছেন।

প্রতিদিন ৫-৬$ ডলার বা তারও বেশি ইনকাম করুন খুব সহজে।

প্রথমেই একটা কথা বলতে চাই সেটা হল আপনি যদি আসলেই টাকা ইনকাম করতে চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই পরিশ্রম করতে হবে, আপনি যদি পরিশ্রম করতে পারেন তাহলে আপনিও টাকা ইনকাম করতে পারবেন। শুরুতেই বলে রাখি এটা কোন পিটিছি সাইট না। ওয়েবসাইট এর কনটেন্ট শেয়ার করে আপনে আয় করবেন। কিভাবে আপনের আয় হবে এটা জানার জন্য পুরো টিউন টা ভালভাবে পরুন। আপনি যদি আজ থেকে কাজ শুরু করেন তাহলে আজ থেকেই আপনি ইনকাম করতে পারবেন।
আপনে যদি পুরো টিউনটা ঠিকমতো বুঝে পরিশ্রম করতে পারেন তাহলে আপনিও প্রতিদিন ৫ ডলার বা তারও বেশী ইনকাম করতে পারবেন। পরিশ্রম বলতে আপনে যদি প্রতিদিন ৩-৪ ঘণ্টা কাজ করতে পারেন তাহলে প্রতিদিনই আপনি ২-৫ ডলার ইনকাম করতে পারবেন।
আরেকটা জিনিস না বললেই নয়, সেটা হল পেমেন্ট নিয়ে অনেকেরই সন্দেহ থাকে। আপনি যদি পুরো টিউন টা ভালভাবে পড়েন সেক্ষেত্রে পেমেন্ট নিয়ে আপনার যে সন্দেহটা আছে আশা করি সেটা দূর হয়ে যাবে। আর কথা না বাড়িয়ে কাজের কথায় আসা যাক।
১।প্রথমেই নিচের রেজিস্ট্রেশন লিঙ্ক এ ক্লিক করুন। নিচের লিঙ্ক ব্যবহার করে রেজিস্ট্রেশন করলে আমি যেমন কিছু সুবিধা পাব ঠিক তেমনি আপনিও কিছু সুবিধা পাবেন।
রেজিস্ট্রেশন লিঙ্ক এ ক্লিক করার পর আপনে নিচের চিত্রের মত একটা পেইজ দেখতে পারবেন।


২।এখন রেজিস্ট্রেশন পেইজে ইমেইল অ্যাড্রেস, পাসওয়ার্ড ও ভেরিফিকেশন কোড দেয়ার পর “Create account to earn money” বাটনে ক্লিক করুন, ক্লিক করার পর নিচের চিত্রের মত একটা পেইজ আসবে।পেইজটি আশার পর “I Know” বাটনে ক্লিক করুন

৩। “I Know” বাটনে ক্লিক করার পর নিচের চিত্রের মত “My Account”বাটনে ক্লিক করুন।

৪। এখন নিচের চিত্রের মত “Validate Email” বাটনে ক্লিক করুন

৫। “Validate Email” বাটনে ক্লিক করার পর আপনে আপনার মেইল এর ইনবক্স এ একটা মেইল পাবেন। ইনবক্স এ কোন মেইল না পেলে আপনার স্প্যাম ফোল্ডার চেক করুন।মেইল টা পেলে ওপেন করুন এবং আপনার ইমেইল ভেরিফাই করার জন্য নিচের চিত্রের মত লিঙ্ক এর উপর ক্লিক করুন। আপনার ইমেইল ভেরিফাই হয়ে যাবে।

৬। ইমেইল ভেরিফাই করার সময় আপনে “Logout” হয়ে যেতে পারেন,তাই আপনে যদি “Logout” হয়ে যান সেক্ষেত্রে “Shared2earn” এর ওয়েবসাইটে পুনরায় লগইন করুন। লগইন করার পর “Home” পেজ থেকে নিচের চিত্রের মত “My Account”বাটনে ক্লিক করুন।

৭। এখন “My Account”বাটনে ক্লিক করার পর নিচের চিত্রের মত “Payment Information” বাটনে ক্লিক করুন।

৮।এখন নিচের চিত্রের মত “Payment Information” ফরমটা সঠিকভাবে পূরন করুন। প্রথমে “Please Choose the payment Way” বাটনে ক্লিক করুন।বাটনে ক্লিক করার পর আপনে একটা ড্রপ- ডাউন মেনু দেখতে পারবেন। ড্রপ- ডাউন মেনু থেকে আপনার পেমেন্ট মেথডটা সিলেক্ট করে দিন।আপনে যদি “Payza” ব্যবহার করে থাকেন তাহলে “Payza” সিলেক্ট করবেন আর যদি “Paypal” ব্যবহার করে থাকেন তাহলে “Paypal” সিলেক্ট করবেন।এরপর আপনার ইমেইল অ্যাড্রেস দিন। আপনে যদি “Payza” সিলেক্ট করেন তাহলে আপনার “Payza” একাউন্ট এর ইমেইল অ্যাড্রেস দিন, আর যদি “Paypal” সিলেক্ট করেন তাহলে আপনার “Paypal” একাউন্ট এর ইমেইল অ্যাড্রেস দিন।পাসওয়ার্ড ফিল্ডে “Shared2earn” এর পাসওয়ার্ড দিন।সঠিকভাবে ফরমটা পূরন করার পর “Submit” বাটনে ক্লিক করুন।

৯। আপনি যদি উপরের স্টেপগুলা ভালভাবে ফলো করে থাকেন এর মানে হচ্ছে আপনার “Shared2earn” এর একাউন্ট টা সম্পূর্ণ তৈরি। এখন আমরা আসল কাজ শুরু করব। প্রথমেই “Home” পেজ থেকে নিচের চিত্রের মত “Share Articles”বাটনে ক্লিক করুন।

১০। “Share Articles”বাটনে ক্লিক করার পর আপনে নিচের চিত্রের মত একটা পেইজ দেখতে পারবেন। এই পেইজই অনেকগুলা ক্যাটাগরি আছে এবং প্রতিটা ক্যাটাগরির অসংখ্য আর্টিকেল আছে। আমদের আসল কাজটা মূলত এই পেইজটা ঘিরেই এবং এই পেইজ এর আর্টিকেল গুলা শেয়ার করেই মূলত আমরা টাকা ইনকাম করব। কিভাবে আর্টিকেল গুলা শেয়ার করে আপনে টাকা ইনকাম করবেন এটা জানার জন্য পরবর্তী স্টেপ গুলা খুব ভালোভাবে লক্ষ্য করবেন। আমি “Health” ক্যাটাগরির একটা আর্টিকেল শেয়ার করতে চাচ্ছি তাই নিচের চিত্রের মত আমি এখন “Health” ক্যাটাগরির উপর ক্লিক করব।আপনি আপনার পছন্দ মত যেকোন ক্যাটাগরি সিলেক্ট করতে পারেন।

১১। যেহেতু আমি “Health” ক্যাটাগরি সিলেক্ট করেছি তাই নিচের চিত্রের মত “Health” ক্যাটাগরির আর্টিকেল গুলা দেখাচ্ছে। এখন এই আর্টিকেলগুলা থেকে আমি একটা আর্টিকেল Choose করব। নিচের চিত্রের মত একটা আর্টিকেল আমার পছন্দ হয়েছে তাই এই আর্টিকেলের উপর আমি এখন ক্লিক করব।আপনে আপনার পছন্দ মত যেকোনো আর্টিকেল Choose করতে পারেন।

১২। আর্টিকেলটা ওপেন করার পর আপনাকে একটা কাজ করতে হবে সেটা হল, আপনার কম্পিউটার এ নতুন একটা “Text Document”/ “Notepad” ফাইল open করুন। এখন নিচের চিত্রের মত আর্টিকেল এর টাইটেল ও লিঙ্ক টা কপি করুন। লিঙ্ক কপি করার সময় খুব Carefully কপি করবেন যেন লিঙ্ক এর একটা অক্ষরও বাদ না যায়।

১৩। আর্টিকেল এর টাইটেল ও লিঙ্ক টা কপি করার পর “Text Document”/ “Notepad” ফাইল এ পেস্ট করুন। “Notepad” ফাইল এ আর্টিকেল এর টাইটেল ও লিঙ্কটা পেস্ট করার পর, নিচের চিত্রের মত একটা টিউমেন্ট তৈরি করুন। সবসময় চেষ্টা করবেন একটা ভাল টিউমেন্ট তৈরি করার। টিউমেন্টটা তৈরি হয়ে গেলে “Notepad” এ সেভ করে রাখুন। এটা আমাদের পরে কাজে লাগবে।

১৪। টিউমেন্টটা তৈরি হয়ে গেলে এখন আপনার Facebook একাউন্ট এ লগইন করুণ। লগইন করার পর এখন আপনাকে কিছু Facebook পেইজ এ লাইক দিতে হবে। যেহেতু আমরা “Health” ক্যাটাগরির আর্টিকেল শেয়ার করব সেহেতু আমরা “Health”এর উপর যে সমস্থ পেইজ আছে সেই সমস্থ পেইজ গুলা লাইক দিবো। এখন Facebook এ search করে কিছু “Health” সম্পর্কিত পেইজ লাইক দিন।

১৫। কিছু পেইজ লাইক দেয়া হয়ে গেলে আপনার পছন্দের যে কোন একটা পেইজ এ ঢুকুন। যেকোনো একটা পেইজএ ঢোকার পর আপনে যে বিষয়ের উপর টিউমেন্ট তৈরি করেছিলেন সেই বিষয়ের টিউন খুজে বের করুণ। টিউন টা যে আপনার টিউমেন্টের সাথে হুবহু মিলতে হবে এমন কোন কথা নেই কাছাকাছি হলেও চলবে।

১৬। এখন যে টিউনটি আপনার পছন্দ হবে সেই টিউনটি লাইক দিন এবং টিউমেন্ট করুন। নিচের ছবিতে আপনারা আমার টিউমেন্টটি দেখতে পাড়ছেন। সবসময় চেষ্টা করবেন ১২-১৫ ঘণ্টার মধ্যে যে সমস্থ টিউন পাবলিশ হয়েছে সেই সমস্থ টিউন এ টিউমেন্ট করার।

১৭। আপনার কাজ মোটামুটি শেষ। এখন আপনার দেয়া লিঙ্ক এর উপর ক্লিক করে কেউ যদি আর্টিকেল টা পরে সেক্ষেত্রে আপনার একাউন্টে টাকা জমা হবে।এখন কথা হচ্ছে আপনি কত টাকা ইনকাম করতে পারবেন? কোন একজন ভিজিটর যদি আপনার লিঙ্ক এর উপর ক্লিক করে আর্টিকেল টা পরে সেক্ষেত্রে আপনি ০.০৬ ডলার পাবেন। তার মানে ১৭ জন ভিজিটর যদি আর্টিকেল টা পরে সেক্ষেত্রে আপনি ১.০২ ডলার পাবেন। ৩৪ জন পরলে আপনি ২.০৪ ডলার পাবেন। আর যদি ৬৮ জন পরে তো সেক্ষেত্রে আপনি ৪.০৮ ডলার পাবেন। আর যদি ১৩৬ জন পরে তো সেক্ষেত্রে আপনি ৮.১৬ ডলার পাবেন তো আপনি এখন নিজেই চিন্তা করুন যে আপনি যদি একটু পরিশ্রম আর বুদ্ধি করে কাজ করতে পারেন তাহলে প্রতিদিন আপনে কত টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

১৮।এখন আমি আপনাদেরকে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টা দেখাব। সেটা হচ্ছে পেমেন্ট প্রুফ। নিচের চিত্রে আপনি দেখতে পারছেন যে, আমি টোটাল ১২ ডলার “Payza” তে পাঠিয়েছি এবং ১২ ডলারই সঠিকভাবে আমার “Payza” একাউন্ট এ চলে গিয়েছে।“Home” পেজ থেকে আপনি যদি “Withdraw Record” বাটনে ক্লিক করেন তাহলে এইরকম একটা পেইজ দেখতে পারবেন।

১৯। এখন কথা হচ্ছে “Shared2earn” আসলেই কি আমার “Payza” তে টাকা পাঠিয়েছে? সেটা এখন আমি আপনাদের দেখাব।নিচের চিত্রে আপনি যে মেইল টা দেখতে পাচ্ছেন সেটা “Payza” আমাকে পাঠিয়েছে যখন “Shared2earn” আমাকে ১০ ডলার পাঠিয়েছিল।আশা করি এর পরেও পেমেন্ট নিয়ে আপনাদের আর কোন সন্দেহ থাকবে না।

২০। এখন আমি আপনাদের দেখাবো কিভাবে টাকা Withdraw করতে হয়।আমি ধরেই নিচ্ছি যে আপনি কিছু টাকা ইনকাম করেছেন, তো আপনি এখন টাকাটা তুলতে চাচ্ছেন।তো টাকা তোলার জন্য প্রথমেই “Shared2earn” এর “Home” পেইজ থেকে “Withdraw”বাটনে ক্লীক করুণ। “Withdraw”বাটনে ক্লীক করার পর নিচের চিত্রের মত একটা পেইজ দেখতে পারবেন। এখন নিচের চিত্রের মত ধূসর রঙের “Choose the amount of withdrawal(Min $2)” বাটনে ক্লিক করুন। বাটনে ক্লিক করার পর একটা ড্রপ- ডাউন মেনু আসবে, এখন ড্রপ- ডাউন মেনু থেকে আপনার টাকার পরিমান select করুন। টাকার পরিমান select করার পর পাসওয়ার্ড ফিল্ডে “Shared2earn” এর পাসওয়ার্ড দিন। পাসওয়ার্ড দেয়া হলে “Submit” বাটনে ক্লিক করুন।আপনার কাজ শেষ। টাকা পাঠানোর ২৪-৪৮ ঘণ্টার ভিতর আপনি আপনার টাকাটা “Payza/Paypal” একাউন্ট এ পেয়ে যাবেন। সাধারনত Payment পেতে ২৪ ঘণ্টার বেশী লাগে না। খুব কম ক্ষেত্রে ৪৮ ঘণ্টার মত সময় লাগে।

……………………………………………………………………
আপনে যদি ভাল ইনকাম করতে চান তাহলে নিচের গুরুত্তপূর্ণ কথাগুলো মনোযোগ দিয়ে পড়ে নিনঃ
১। যদি ইনকাম করতে চান তাহলে অবশ্যই পরিশ্রম করুন।
২। ফ্যানপেইজ টিউমেন্ট করার সময় United States, Britain, Australia, Canada, and European দেশের ফ্যানপেইজ গুলাতে টিউমেন্ট করবেন। কারন Shared2earn আপনাকে তখনই পে করবে যখন United States, Britain, Australia, Canada and European দেশের মানুষ আপনার লিঙ্ক এ ক্লিক করে আর্টিকেল টা পরবে। আপনে Facebook এ এইরকম অনেক পেইজ পাবেন। আর একটা জিনিস তা হল যে সমস্থ পেইজ এর লাইক সংখ্যা ৭০ থেকে ৮০ হাজারের বেশী সেসমস্থ পেইজএ Comment করার চেষ্টা করুন।
৩। চেষ্টা করুণ প্রতিদিন ৩০-৪০ টা ফ্যানপেইজে টিউমেন্ট করতে। একটা ফ্যানপেইজে একদিনে ২-৩ টার বেশি টিউমেন্ট করবেন না। ফ্যানপেইজের নতুন যে সমস্থ টিউন এ বেশী লাইক পড়েছে সে সমস্থ টিউন এ টিউমেন্ট দিন। আপনে একদিনে একটা Facebook একাউন্ট থেকে ১২-১৫ তার বেশি টিউমেন্ট দিতে পারবেন না। তাই আপনে যদি বেশি ইনকাম করতে চান সেক্ষেত্রে ৩-৪ টা Facebook একাউন্ট ব্যবহার করে টিউমেন্ট করুন।
৪। টিউমেন্ট করার সময় বেশী দ্রুত টিউমেন্ট করবেন না, কারন বেশী দ্রুত টিউমেন্ট করলে ফেসবুক আপনার টিউমেন্ট করা ব্লক করে দিতে পারে।
৫। কিভাবে একটা ভাল মানের টিউমেন্ট তৈরি করতে হয় সেটা আমি আপনাদের দেখিয়েছি। আপনার যদি এর থেকে ভাল কোন আইডিয়া থাকে তাহলে সেটা ব্যবহার করুণ।
৬। যদি পারেন তাহলে আর্টিকেলগুলো Twitter ও Google+ এ শেয়ার করুন।
৭। সবসময় চেষ্টা করবেন ১২-১৫ ঘণ্টার মধ্যে যে সমস্থ টিউন পাবলিশ হয়েছে সেই সমস্থ টিউনএ টিউমেন্ট করার।
শেষ কথা, আমি আমার সাদ্ধমত পুরো বিষয়টা আপনাদেরকে বোঝানোর চেষ্টা করেছি। এর পরেও যদি আপনাদের কোন কিছু বুঝতে সমস্যা হয় তাহলে আমার ফেসবুক গ্রুপ এ টিউমেন্ট করুন। ততদিন পর্যন্ত ভাল থাকুন কাজ করুন আর ইনকাম করুন।

পাওয়ার ব্যাঙ্ক কেনার আগে জেনে নিন।

ultra-power-bank-in-use-236x236-60x60

স্মার্টফোন ছাড়া তো এখনকার
ছেলেমেয়েদের জীবন অচল।
কিন্তু স্মার্ট ফোন নির্মাতারা মোবাইলকে স্মার্ট
বানালেও ব্যাটারিটাকে স্মার্ট বানাতে পারেনি এখনও।
তাই চার্জ কোনও মোবাইলেই তেমন থাকে না।
আর ইন্টারনেট আর গেম প্রিয়দের কাছে তো
চার্জ থাকেই না!
এখন পাওয়ার ব্যাঙ্ক কেনার কথা ভাবছেন।
Power Bank Tips
আর যারা পাওয়ার ব্যাঙ্ক কেনার কথা ভাবছেন তারা
নিচের কিছু তথ্য জেনে নিন, তারপর যাচাই করে
কিনুন।
পাওয়ার ব্যাঙ্কের ক্যাপাসিটি যেন আপনার ফোনের
ব্যাটারির চেয়ে বেশি হয়: আপনি যে পাওয়ার ব্যাঙ্কটি
কিনবেন, তার ব্যাটারি ক্যাপাসিটি যেন আপনার
ফোনের ব্যাটারির ক্যাপাসিটির চেয়ে বেশি হয়।
মনে করুন, আপনার ফোনের ব্যাটারি যদি ২০০০
mAH হয় তা হলে পাওয়ার ব্যাঙ্কটি অবশ্যই তার
চেয়ে বেশি ক্যাপাসিটির (নিদেন পক্ষে
২৫০০-৩৫০০ mAH) হতে হবে। না হলে ফোনের
বদলে উল্টে পাওয়ার ব্যাঙ্ক-ই ফোনের চার্জ
চলে যেতে পারে।
Current Draw দেখে নিন: পুরনো মোবাইলগুলি
চার্জ করতে ১ অ্যাম্পিয়ারের বেশি কারেন্ট লাগত
না। কিন্তু এখনকার সমস্ত মোবাইলে ২.১ অ্যাম্পিয়ার
কারেন্টে চার্জ করতে হয়। যদি সম্ভব হয়, তা হলে
১ এবং ২.১- এই দু’ ধরনের ইউএসবি পার্টস সাপোর্ট
করে এমন পাওয়ার ব্যাঙ্কই কিনুন। মনে রাখবেন,
পাওয়ার ব্যাঙ্কের ক্যাপাসিটি যাই হোক না কেন, যে
কোনও ডিভাইস চার্জ করতে সব থেকে
গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকে কারেন্ট ড্র-য়ের।
ব্যাটারি কেমন দেখুন: পাওয়ার ব্যাঙ্কে ২ রকমের
ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়। একটি লিদিয়াম আয়ন, অন্যটি
লিদিয়াম পলিমার। এর মধ্যে লিদিয়াম আয়ন অপেক্ষাকৃত
সস্তা এবং সহজলভ্য। লিদিয়াম পলিমার দেওয়ার ব্যাটারি
ওয়ালা পাওয়ার ব্যাঙ্কের দাম একটু বেশি হয়। ভালো
ইলেক্ট্রনিক শো-রুম ছাড়া এগুলো বখোলা
বাজারে খুব একটা মেলে না। এ ধরনের পাওয়ার
ব্যাঙ্কের দাম বেশি হলেও প্রতি ইউনিটে বেশি
চার্জ ডেনসিটি দেয়। যেটা মোবাইলের পক্ষে
ভালো। বাজে-সস্তা ধরনের পাওয়ার ব্যাঙ্ক
থেকে মোবাইল চার্জ করলে তা পারফরম্যান্সের
উপর প্রভাব ফেলে। শুধু তাই নয়, ওভারচার্জ বা
ওভারহিটেড হলে এগুলো ব্লাস্টও করতে পারে।
যেমন, অনেক সময় চার্জ করতে করতে কথা
বলার সময় মোবাইল ব্লাস্ট করে।
আশা করি উপরের তথ্যগুল আপনাকে সাহাজ্য
করবে।
আজকের মত এখানে থাক।