Showing posts with label ফেসবুক টিপস. Show all posts
Showing posts with label ফেসবুক টিপস. Show all posts

Friday, January 15, 2016

পাওয়ার ব্যাঙ্ক কেনার আগে জেনে নিন।

ultra-power-bank-in-use-236x236-60x60

স্মার্টফোন ছাড়া তো এখনকার
ছেলেমেয়েদের জীবন অচল।
কিন্তু স্মার্ট ফোন নির্মাতারা মোবাইলকে স্মার্ট
বানালেও ব্যাটারিটাকে স্মার্ট বানাতে পারেনি এখনও।
তাই চার্জ কোনও মোবাইলেই তেমন থাকে না।
আর ইন্টারনেট আর গেম প্রিয়দের কাছে তো
চার্জ থাকেই না!
এখন পাওয়ার ব্যাঙ্ক কেনার কথা ভাবছেন।
Power Bank Tips
আর যারা পাওয়ার ব্যাঙ্ক কেনার কথা ভাবছেন তারা
নিচের কিছু তথ্য জেনে নিন, তারপর যাচাই করে
কিনুন।
পাওয়ার ব্যাঙ্কের ক্যাপাসিটি যেন আপনার ফোনের
ব্যাটারির চেয়ে বেশি হয়: আপনি যে পাওয়ার ব্যাঙ্কটি
কিনবেন, তার ব্যাটারি ক্যাপাসিটি যেন আপনার
ফোনের ব্যাটারির ক্যাপাসিটির চেয়ে বেশি হয়।
মনে করুন, আপনার ফোনের ব্যাটারি যদি ২০০০
mAH হয় তা হলে পাওয়ার ব্যাঙ্কটি অবশ্যই তার
চেয়ে বেশি ক্যাপাসিটির (নিদেন পক্ষে
২৫০০-৩৫০০ mAH) হতে হবে। না হলে ফোনের
বদলে উল্টে পাওয়ার ব্যাঙ্ক-ই ফোনের চার্জ
চলে যেতে পারে।
Current Draw দেখে নিন: পুরনো মোবাইলগুলি
চার্জ করতে ১ অ্যাম্পিয়ারের বেশি কারেন্ট লাগত
না। কিন্তু এখনকার সমস্ত মোবাইলে ২.১ অ্যাম্পিয়ার
কারেন্টে চার্জ করতে হয়। যদি সম্ভব হয়, তা হলে
১ এবং ২.১- এই দু’ ধরনের ইউএসবি পার্টস সাপোর্ট
করে এমন পাওয়ার ব্যাঙ্কই কিনুন। মনে রাখবেন,
পাওয়ার ব্যাঙ্কের ক্যাপাসিটি যাই হোক না কেন, যে
কোনও ডিভাইস চার্জ করতে সব থেকে
গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকে কারেন্ট ড্র-য়ের।
ব্যাটারি কেমন দেখুন: পাওয়ার ব্যাঙ্কে ২ রকমের
ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়। একটি লিদিয়াম আয়ন, অন্যটি
লিদিয়াম পলিমার। এর মধ্যে লিদিয়াম আয়ন অপেক্ষাকৃত
সস্তা এবং সহজলভ্য। লিদিয়াম পলিমার দেওয়ার ব্যাটারি
ওয়ালা পাওয়ার ব্যাঙ্কের দাম একটু বেশি হয়। ভালো
ইলেক্ট্রনিক শো-রুম ছাড়া এগুলো বখোলা
বাজারে খুব একটা মেলে না। এ ধরনের পাওয়ার
ব্যাঙ্কের দাম বেশি হলেও প্রতি ইউনিটে বেশি
চার্জ ডেনসিটি দেয়। যেটা মোবাইলের পক্ষে
ভালো। বাজে-সস্তা ধরনের পাওয়ার ব্যাঙ্ক
থেকে মোবাইল চার্জ করলে তা পারফরম্যান্সের
উপর প্রভাব ফেলে। শুধু তাই নয়, ওভারচার্জ বা
ওভারহিটেড হলে এগুলো ব্লাস্টও করতে পারে।
যেমন, অনেক সময় চার্জ করতে করতে কথা
বলার সময় মোবাইল ব্লাস্ট করে।
আশা করি উপরের তথ্যগুল আপনাকে সাহাজ্য
করবে।
আজকের মত এখানে থাক।

Sunday, January 10, 2016

পাসওয়ার্ড হ্যাক হলেও ফেসবুক আইডি কখনো হ্যাক হবেনা !

বর্তমান সময়ে ফেসবুক এখন অনেক স্পর্শকাতর বিষয় অনেকের জন্য। নানা ধরনের অনেক গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে সমৃদ্ধ আপনার ফেসবুক একাউন্টটি যদি হ্যাক হয়ে যায় আপনার এর থেকে বড় বিপদ আর কি হতে পারে বলুন? হ্যা আজ জানবেন কিভাবে আপনি আপনার ফেসবুক পাসওয়ার্ড হ্যাক হলেও আইডি রক্ষা করতে পারবেন।


– আপনার ফেসবুকের পাসওয়ার্ড যদি সবাই জেনে যায়, তাহলেও কেউ আপনার অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করতে পারবে না। অবিশ্বাস্য মনে হচ্ছে? না এটি বাস্তব, তবে এর জন্য প্রথমে আপনাকে যা করতে হবে, ফেসবুকে লগইন করে ওপরে ডান পাশে Home এর পাশে অ্যারোতে ক্লিক করে Account Settings-এ ক্লিক করুন।

– এবার এখানে বাঁ পাশ থেকে ক্লিক করুন। এখন এর ডান পাশ থেকে ক্লিক করুন। তারপর এই ঘরে টিক চিহ্ন দিন। টিক চিহ্ন দেয়ার সময় নতুন একটি বার্তা এলে ক্লিক করুন।

– এখন বক্সে আপনার মোবাইল নম্বর লিখে Continue তে ক্লিক করুন।

– আপনার মোবাইলে একটি কোড নম্বর আসবে। কোড নম্বরটি কোড বক্সে লিখে Submit Code বাটনে ক্লিক করে Close-এ ক্লিক করুন।

– Login Notifications-এর ডান পাশ থেকে edit-এ ক্লিক করে Email এবং Text message বক্সেও টিকচিহ্ন দিয়ে Save-এ ক্লিক করে রাখতে পারেন। এতে ইমেইলে আপনার কোড সেন্ড হবে।

– এখন ফেসবুক অ্যাকাউন্ট লগআউট করে পুনরায় আবার ফেসবুকে লগইন করুন। দেখবেন Name New Device নামে একটি পেজ এসেছে। সেখানে Device name বক্সে কোনো নাম লিখে Save Device-এ ক্লিক করুন।

ব্যাস হয়ে গেলো! এখন থেকে থেকে প্রতিবার আপনার কম্পিউটার ছাড়া অন্য কারও কম্পিউটার থেকে আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে লগইন করতে চাইলে আপনার মোবাইলে একটি কোড নম্বর আসবে এবং সেই কোড নম্বরটি কোড বক্সে লিখে Continue তে ক্লিক করলেই আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করা যাবে। কাজেই আপনার ফেসবুকের পাসওয়ার্ড সবাই জানলেও কেউ আপনার ফেসবুকে লগইন করতে পারবে না।

ফেসবুকে আমরা যে Poke করি, এর মানে কি জানেন ?

আজকের দিনে ফেসবুক এমন এক জিনিসে পরিনত হয়েছে যা ফেসবুক ছাড়া অনেকের পেটের ভাত হজম হয় না।সারাদিন সুধু ফেসবুক আর ফেসবুক। আজকে এই ফেসবুক এর একটা ফিচার নিয়ে আলোচনা করবো আর সেটা হল poke. আমরা যারা ফেসবুক ব্যবহার করি বা অ্যাকাউন্ট আছে তারা সবাই কম বেশি এই ফিচার সম্পর্কে জানি তবে অনেক এটি ব্যবহার করে আবার অনেকে করে না।

কিন্তু কথা হল আমরা সবাই এই পোক মানে জানি যে কউকে বিরক্ত করা বা গুতা মারা যেটা একদমই ঠিক নয়। poke একটা ফেসবুক এর গুরুত্বপূর্ণ ফিচার। আসলে পোক দিয়ে কারও দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করা হয়। আপনি যদি কাউকে poke করেন আর আপনি জাকে poke করলেন সে যদি poke back করে তাহলে আপনি তার ফেসবুক প্রোফাইল এবং পেজ ৩ দিন এর জন্য দেখতে পারবেন। এখন হয়তো অনেকে ভাবতে পারেন আমিতো এমনিতে

এটা করতে পারি। কিন্তু না এটার দরকার আছে বা কি কাজে লাগে তা বলতেছি।

মনে করেন কেউ একজন আপনার ফ্রেন্ড লিস্ট এ নাই বা তাকে চেনা চেনা মনে হচ্ছে কিন্তু সে

আপনার ফ্রেন্ড লিস্ট এ না থাকার কারনে তার সম্পর্কে জানতে পারছেন না বা তার ইনফর্মেশন

দেখতে পারছেন না বা জানতে পারছেন না। তখন তার সম্পর্কে জানার একটাই উপায় আছে আর সেটা হল poke মারা।

আপনি যদি তাকে poke মারেন আর সে poke back করে তাহলে আপনি তার প্রোফাইল এবং পেজ ৩ দিন এর জন্য দেখতে পারবেন এবং দেখে আপনার পরিচিত হলে ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট করতে পারবেন। তাহলে বুঝলেন তো poke এর মানে বা এর কাজ কি।

ফেসবুকে তারকা হতে চান? এজন্য আপনাকে যা করতে হবে!

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে ফেসবুক এখন সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় এবং ইতোমধ্যে এটি গুগলকে পেছনে ফেলে এলেক্সা রাংঙ্কিংয়ে এক নম্বরে চলে এসেছে। ফেসবুকের ডিজাইন এমনভাবে করা হয়েছে যে ব্যবহারকারীরা খুব সহজে এটা ব্যবহার করতে পারবেন। ফেসবুকে নিজের পরিচিতি বাড়াতে আপনি কী করে থাকেন? একটার পর একটা ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠিয়ে লাগাম ছাড়া বন্ধুর তালিকা তৈরি করেন। না কি সমস্ত বন্ধুর সঙ্গে লাগাতার চ্যাট করেই সারাটা দিন কাটিয়ে দেন। মনে মনে হয়তো ভাবছেন আপনার হাজারো বন্ধুর কাছে এতেই আপনি মোস্ট ফেমাস। কিন্তু মোটেও তা নয়। বরং অপরিচিত বন্ধুদের সঙ্গে অহেতুক চ্যাট করেন বলে আপনার পিছনে বন্ধুরা আপনাকে নিয়ে হাসাহাসি করে, সেই সুযোগটাই বেশি। ফেসবুকে জনপ্রিয় হতে চাইলে মাথায় রাখতে হবে বেশ কিছু জিনিস।

ফেসবুক তারকা হয়ে ওঠার জন্য এগুলো আপনাকে মেনে চলতেই হবে


১. ভেবেচিন্তে বন্ধুত্ব করুন


সুন্দর প্রোফাইলের কাউকে খুঁজে পেলেন, আর অমনি তাঁকে বন্ধু বানানোর সংকল্প নিয়ে নিলেন। সেই মহিলা বা পুরুষ আপনার বন্ধুত্বের অনুরোধ গ্রহণ না করা পর্যন্ত আপনিও ছাড়ার পাত্র নন। একবারে না হলে বারবার অনুরোধ পাঠাতেই থাকেন? এতে কিন্তু হিতে বিপরীত হয়। জনপ্রিয় হওয়ার চেষ্টায় আপনি মজার খোরাক হয়ে উঠতে পারেন।

২. শুধুমাত্র লাইকই যথেষ্ট নয়


অনেকেই আছেন যাঁরা বন্ধুদের সমস্ত পোস্টেই লাইক দেন। এমনকী যদি পোস্ট মনের মতো না-ও হয়। এর থেকে ভাল হতো পোস্টটির সম্পর্কে নিজের মতামত জানালে। এতে যেমন আপনার চিন্তা ভাবনা বন্ধুদের সামনে তুলে ধরতে পারবেন। তেমন বন্ধুরাও খুশি হবেন।

৩. গুরুত্বপূর্ণ তথ্যও বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করুন


কোথায় কোন ফিল্মটা চলছে বা কোন দেশে সন্ত্রাস হামলা চলছে। নিজেকে আপ টু ডেট রাখার সঙ্গে ফেসবুকে বন্ধুদেরও খবর জানাতে থাকুন। পোস্টে লিখে দিন সেই বিষয়ে আপনার মতামতও। এতে জনপ্রিয়তা বাড়তে বাধ্য। তবে অবশ্যই বেশ কিছু বিতর্কিত বিষয়ে মন্তব্য এড়িয়ে চলাই ভাল।

৪. প্রোফাইল পিকচার নির্বাচনের আগে ভাবুন


আপনার প্রথম আকর্ষণ কিন্তু আপনার প্রোফাইল পিকচার। নিজেকে কেমন ভাবে উপস্থাপন করতে চান তা অনেকটাই কিন্তু নির্ভর করে এই প্রোফাইল পিকচারের উপরে। তাই এই ক্ষেত্রে একটু ভেবেচিন্তে বাছাই জরুরি।

৫.অন্যের সাহায্যে এগিয়ে আসুন


বন্ধু হোক বা পরিচিত— বিপদে তাঁদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করুন। যেমন, কারও যদি জরুরিকালীন রক্তের প্রয়োজন হয়। ফেসবুকে সেই বার্তা বন্ধুদের জানান। বন্ধুদের মধ্যে থেকেই দাতা পেয়ে যাবেন। আর বিপদে অন্যের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সাবাসিও পাবেন।

৬. অবশ্যই যেটা করতে ভুলবেন না


সবই তো হল। বন্ধুর জন্মদিন বা বিবাহ বার্ষিকীকে অভিনন্দনটাও জানিয়ে ফেলেছেন তো। তা না করলেই কিন্তু সারা বছর এত খাটাখাটুনির পুরোটাই মাটি। বন্ধুদের অভিনন্দন জানানোটা কিন্তু জরুরী। তাহলে আর দেরি কিসের? আজ থেকেই মেনে চলুন আর ফেসবুক জনপ্রিয় হয়ে যান।

যেসব কারণে ফেসবুক থেকে দূরে সরে থাকা আপনার জন্য দুস্কর !



মনে মনে ভাবছেন ফেসবুকে মগ্ন থেকে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে বহু সময়! আর তাই ফেসবুক থেকে দূরে সরে থাকার কথা ভাবছেন? কিন্তু, কিছুতেই তা পারছেন না। মন চলে যাচ্ছে সেই সেখানেই। কোনও না কোনও অছিলায় খুলে বসছেন ফেসবুক। কিন্তু কেন ? এ নিয়ে গবেষকদের কিছু মতামত রয়েছে।

সেই কারণগুলির জন্যই নাকি চাইলেও অনেকে ফেসবুক থেকে দূরে থাকতে পারেন না।


গবেষকদের মতে, আসক্তি হল যে কোনও জিনিস থেকে দূরে না থাকতে পারার অন্যতম কারণ। তাই কোনও জিনিসের প্রতি আসক্ত না হয়ে পড়াই ভালো। আর এই অতি মাত্রায় আসক্তির জন্যই কেউ কেউ ফেসবুকের নেশা ত্যাগ করার কথা ভেবেও পেরে ওঠেন না।

ফেসবুকের মাধ্যমে নজর রাখা যায় অনেকের উপর। সমাজে ঘটে যাওয়া বহু বিষয়ে অন্যদের ধারণা জানা যায়। যাঁরা ফ্রেন্ডলিস্টে রয়েছেন জানা যায় তাঁদের অ্যাক্টিভিটিস। চোখে পড়ে বিশ্বজুড়ে ঘটে যাওয়া নানা ঘটনার খবরও।

ফলে আপ টু ডেট থাকা যায়। তাই চাইলেও অনেকেই এড়িয়ে যেতে পারেন না এই সোশাল নেটওয়ার্কিং সাইটটি।

আর ফেসবুকের মাধ্যমে অনেকেই পুরনো বন্ধু ফিরে পাওয়ার পাশাাপাশি পাতিয়ে ফেলেন নতুন বন্ধুত্ব। ওই সাইটের মাধ্যমেই ম্যাসেজ করে চ্যাটিং করে নেওয়া যায়। ভালো থাকে মুড।

তাই বন্ধুদের সংস্পর্শে থাকতে ফেসবুক ছেড়ে যেতে পারেন না অনেকেই।

ফেসবুকের পাসওয়ার্ড এখন আপনি চাইলেও আর গোপন করতে পারবেন না !



দৈনন্দিন ব্যাবহারের নানা ধরনের অনেক গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে সমৃদ্ধ আপনার ফেসবুক একাউন্টটির পাসওয়ার্ড যদি কেউ জেনে যায় তবে কি করবেন ? এই কথা শুনে অনেকটাই আঁতকে উঠেছেন তাই না । তবে হ্যাঁ, সত্যিই এবার আপনি চাইলেও আর ফেসবুকের পাসওয়ার্ড গোপন রাখতে পারবেন না ! এখন বাংলাদেশ সরকার চাইলেই সন্দেহভাজন যে কারও ফেসবুকে লগইন করতে পারবে।


সম্প্রতি দেশে ঘটে যাওয়া কয়েকটি হামলার ঘটনার পর নাশকতাকারীরা ফেসবুক ব্যবহার করে তাদের আইডিগুলো নিষ্ক্রিয় করে দেয়। ফলে এ সংক্রান্ত পূর্ণাঙ্গ তথ্য উদ্ধার করতে সক্ষম হয়নি সরকারের সংশ্লিষ্টরা। কিন্তু এখন থেকে আইডি নিষ্ক্রিয় করা হলেও সংশ্লিষ্ট ফেসবুকের যাবতীয় তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা যাবে। এজন্য আনা হয়েছে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি।

এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, আইনশৃংখলা বাহিনী ও সরকারের তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের যে সক্ষমতা আছে তা আরও বৃদ্ধি করা হয়েছে। এ প্রক্রিয়া চলমান থাকবে। আধুনিক বিশ্ব যেভাবে তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর সন্ত্রাস দমন করে, তেমনটি বাংলাদেশেও শুরু হয়েছে। আধুনিক ডাটা সেন্টার স্থাপন, নানা ধরনের সফটওয়্যার ব্যবহার, তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ তৈরি করাসহ এ সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এজন্যই ঢেলে সাজানো হচ্ছে ‘ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার (এনটিএমসি)। তিনি বলেন, ‘সরকার এখন ইচ্ছা করলেই যে কারও ফেসবুকে প্রবেশ করতে পারবে। আশার কথা হচ্ছে, এখন এ ধরনের প্রযুক্তি আমাদের হাতে এসেছে। তবে আমাদের টার্গেট তারাই যারা অপরাধ করবে।’

জানা গেছে, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে তথ্যপ্রযুক্তির ঝুঁকি মোকাবেলায় নানা উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন হামলা ও নাশকতার ঘটনায় গোয়েন্দারা সাইবার সন্ত্রাসীদের দৌরাত্ম্য গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। গোয়েন্দাদের সুপারিশের পর সরকার তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর সংস্থাগুলোকে আরও নজরদারি করতে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা প্রদান, অবকাঠামো নির্মাণ, মনিটরিং সুবিধা প্রদানের লক্ষ্যে সরকার ২৩ কোটি ১৮ লাখ টাকার বরাদ্দও দেয়।

আইনশৃংখলা বাহিনীর সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, গুলশানে ২৮ সেপ্টেম্বর ইতালি নাগরিক সিজারি তাভেল্লা ও এর চারদিন পর রংপুরে জাপানি নাগরিক কুনিও হোশি হত্যার পর কয়েকটি বিষয় সামনে চলে আসে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- যারা বিভিন্ন ধরনের হত্যাচেষ্টা, হত্যা বা হুমকি দিচ্ছে এরা বেশির ভাগ সময় সামাজিক মাধ্যমগুলো ব্যবহার করছে। অপরাধী চক্রের সদস্যরা সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে নানা ধরনের অপপ্রচার চালায়। নাশকতাকারীরা সামাজিক মাধ্যম, ব্লগ ও বিভিন্ন ওয়েবপেজে নিজেদের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান এবং পরামর্শ সভাও করে। এসব সন্ত্রাসীকে আইনের আওতায় আনতে তথ্যপ্রযুক্তির নজরদারি বাড়ানোর ওপর গোয়েন্দারা সরকারের কাছে সুপারিশ করেন। এরপর জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং নতুন প্রজন্মের এসব সাইবার সন্ত্রাস মোকাবেলায় সরকার প্রযুক্তির সক্ষমতা বাড়াতে নানা পদক্ষেপ নেয়। এরই অংশ হিসেবে ফেসবুক নজরদারি করতে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি সংগ্রহ করা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে মনিটরিং সুবিধা প্রদান, টেলিযোগাযোগ খাতের উদীয়মান ঝুঁকি মোকাবেলা, টেলিযোগাযোগ অ্যাপ্লিকেশন/সফটওয়্যারের অপব্যবহার এবং সাইবার ক্রাইম প্রতিরোধে ২০১৪ সালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন ‘ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার (এনটিএমসি) গঠন করা হয়।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) মন্ত্রণালয়ের একটি সুত্রে জানা যায় , বর্তমানে  সাইবার অপরাধীরা মনে করছে যেহেতু মোবাইলে একে অপরের সাথে কথা বললে বা বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ করলে আইনশৃংখলা বাহিনী তাদের নাশকতার তথ্য সহজেই জানতে পায়। তাই তারা ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগের সাইট গুলোতে নিজেদের মধ্যে ক্লোজ গ্রুপে কৌশলগত নানা ধরনের শলাপরামর্শ করে।

এ ধরনের সাইবার অপরাধীদের নিষ্ক্রিয় করতে সরকার কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এখন যদি তারা ফেসবুক যাবতীয় তথ্য নিষ্ক্রিয় করে দেয় এর পরেও তথ্য উদ্ধার করা যাবে। আগেও কিছু তথ্য উদ্ধার করা গেলেও এখন পুরোপুরি তথ্যই উদ্ধার করা সম্ভব। এর সাথে প্রযুক্তি ব্যবহারের সঙ্গে মনিটরিং ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে। এখন যে কারও ফেসবুকে প্রবেশ করার মতো সক্ষমতা রয়েছে সরকারের।

ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা এত বেশি হওয়ার কারণ।



বেধিরভাগ ফেসবুক ব্যবহারকারীরা ফেসবুকের ওপর নির্ভর করে থাকেন। আমেরিকার একটি সমীক্ষার বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে জি-নিউজ। সমীক্ষায় বলা হয়েছে, যারা যতবেশি পরিমাণে ফেসবুক ব্যবহার করে থাকেন তারা ততবেশি নির্ভর করেন ফেসবুকের ওপর।


অ্যাক্রন বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক ১৮ থেকে ৬৮ বছর বয়সী ৩০১ জন ব্যবহারকারীর ওপর সমীক্ষাটি চালান। সেই ব্যবহারকারীর বেশিরভাগই ফেসবুক ব্যবহার করেন ডেট করার জন্য, খবর জানতে, গেম খেলতে, কোনও নতুন ফটো দেওয়ার পর সেই ব্যপারে বন্ধুদের মতামত জানতে। গবেষকদের মত অনুসারে যারা এই সমস্ত কারণের জন্যই ফেসবুক ব্যবহার করে থাকেন তারা ফেসবুকের ওপর খুব বেশি নির্ভর করে থাকেন।

একজন গবেষকের মতে, ‘যে সমস্ত মানুষের আত্মবিশ্বাস কম থাকে তারাই সব থেকে বেশি ফেসবুক করে থাকেন। তারা নিজেদের অনেক কম বোঝেন তাই কোন ড্রেসে তাকে কেমন লাগল তা বন্ধুদের কথার ওপরে নির্ভর করে বুঝে নেন। কোনো বন্ধু যখন ভালো কমেন্ট করে তখন তাদের বিশ্বাস বেড়ে যায় এবং যখন খারাপ কমেন্ট করেন তখনই তাদের বিশ্বাস কমে যেতে শুরু করে।

নিরাপত্তা বাড়াতে নয়া পদ্ধতিতে ফেসবুকের অ্যাপ পরীক্ষার উদ্যেগ


সামাজিকগমাধ্যম ফেসবুক প্রতিনিয়ত নানা পরিবর্তন আনছে ফেসবুকে। এ কারণে ফেসবুকের অ্যাপগুলোও নানাভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। ব্যবহারকারীরা ফেসবুকের বিভিন্ন অংশ ঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারছে কি না, এ বিষয়টি জানার জন্য ফেসবুক কর্তৃপক্ষ সম্প্রতি অ্যাপগুলো ভেঙে পরীক্ষা করেছে বলে জানা গেছে। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ইন্ডিপেনডেন্ট।


সাম্প্রতিক এক রিপোর্টে ফেসবুকের এ অ্যাপগুলো পরীক্ষার নতুন পদ্ধতির কথা জানা যায়। এর আওতায় প্রতিষ্ঠানটি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপের নন-ফাংশনাল ভার্সন ব্যবহার করে। এরপর ব্যবহারকারীরা এটি কিভাবে ব্যবহার করে তা দেখা হয়।
ফেসবুক অ্যাপটি ভেঙে ব্যবহারকারীদের বিভিন্ন বিষয় পরীক্ষা করে। এতে ব্যবহারকারীরা তা ব্যবহার করছে কি না, তাও জানা সম্ভব হয়। এতে দেখা যায়, অ্যাপটি ভেঙে দেওয়ার পরও ব্যবহারকারীরা তা ব্যবহার করে।

মূলত নতুন পরীক্ষাটি করা হচ্ছে গুগলের নির্ভরশীলতা কমানোর উপায় অনুসন্ধানে। গুগল প্লে স্টোর যদি অ্যাপটি ডিস্ট্রিবিউশনে কোনো সমস্যা করে তাহলে তা কিভাবে চালু রাখা যায় এ উপায় খোঁজা হচ্ছে।

এক্ষেত্রে অ্যাপটির কোনো সমস্যা হলে ব্যবহারকারীরা ফেসবুক থেকে চলে যাবে নাকি অন্য কোনো উপায়ে ফেসবুক ব্যবহার করবে এ বিষয়টি জানার চেষ্টা করছে প্রতিষ্ঠানটি। তবে এক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা খুব একটা খারাপ নয় বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। অ্যাপ ভেঙে গেলে কিংবা কাজের অনুপযোগী হয়ে গেলেও ব্যবহারকারীরা মোবাইল ভার্সনের মাধ্যমে কিংবা অন্য কোনো উপায়ে ফেসবুক ব্যবহারে আগ্রহী হয়ে উঠছেন বলে জানা গেছে।

তবে ফেসবুকের এ পরীক্ষা খুব সামান্য ব্যবহারকারীদের ওপরই করা হয়েছে। এছাড়া এ পরীক্ষায় ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হবে না বলেও জানাচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা। এর আগেও ফেসবুক ব্যবহারকারীদের ওপর নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে। এসব পরীক্ষার আগে সংশ্লিষ্ট ব্যবহারকারীদের কোনো তথ্য জানায়নি প্রতিষ্ঠানটি।

ফেসবুকও আপনাকে ১০ দিক থেকে চরম বিপদে ফেলতে পারে!





ফেসবুকের এমন ১০টা জিনিস জেনে নিন, যা আপনাকে সমস্যায় ফেলে।

১) ফেসবুক এসে যাওয়ায়, আপনার মিথ্যে কথা বলা ধরা পড়ে যায় খুব তাড়াতাড়ি। আপনি হয়তো বলেন যে, আপনি পড়াশোনা করছেন এখনও। অথচ, আপনার কোনও বন্ধু অফিস পার্টির ছবিতে আপনাকে ট্যাগ করে দিল। ব্যাস, আপনি ধরা পড়ে গেলেন! আপনি নিজে না হয় কিছু পোস্ট করলেন না। কিন্তু কেউ ট্যাগ করে দিলে আপনি জানবেন কীভাবে!

২) ফেসবুকে মানুষের সম্পর্ক বাড়ে, কমে। সম্পর্ক তৈরি হয়। ভাঙে। তাই যারা ফেসবুক বেশি ব্যবহার করে, তাদের আত্মহত্যা করার প্রবণতা বাড়ছে, গবেষকরা এমনটাই বলছে।

৩) ফেসবুকের জন্য আপনি অনেক কপি রাইটের ঝামেলায় পড়ে যেতে পারেন। এমন অনেক ভিডিও থাকে। যেগুলোর কপিরাইট আছে। আপনি হয়তো না জেনেই কিছু শেয়ার করে ফেললেন। আসলে আপনি নিজের সমস্যা নিজেই ডেকে আনলেন!

৪) ফেসবুকে আপনি বেশি সময় কাটান, তাই ফেসবুকে তো আপনার বন্ধুর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। কিন্তু এতে আপনার বাস্তব জীবনের বন্ধুরা দূরে চেল যায়, যারা ফেসবুকে খুব একটা বসেন না! এটাও তো একটা সমস্যা।

৫) ফেসবুক বেশি ব্যবহার করলে আপনার শরীরের ক্ষতি হয়। কোনওকিছুই বেশি করা ভালো নয়। আর ফেসবুক তো একটা নেশার মতো। বেশি অনলাইন থাকা মানেই, কম ঘুম। কম বিশ্রাম। শরীর খারাপ তো হবেই।

৬) ফেসবুকের জন্য আপনার সম্পর্কে মানুষের ধারণা বদলে যেতে পারে। আপনি হয়তো নিজের ছবি না দিয়ে অন্য ছবি ব্যবহার করেন। কিন্তু যেই মানুষ আপনাকে সামনে থেকে চিনে গেল, আপনার ইমেজে কিন্তু বড় ধাক্কা লাগবে।

৭) ফেসবুকের নেশা আছে যাদের, তাদের অনেকেরই আসল নেশা হল নিত্য নতুন গেমস। এগুলোর জন্য আপনার সব কাজ পণ্ড হতে পারে।

৮) ফেসবুকের জন্য অনেকেরই অবসাদ আসছে। এখানে নতুন সম্পর্ক তৈরি হয়। তেমনই সম্পর্ক নষ্টও তো হয়। তাই বাড়ে অবসাদ।

৯) এমনিতে আপনি হয়তো দুটো সম্পর্ক দিব্যি চালিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু ফেসবুকে এসব করতে গেলে ঠিক ধরা পড়ে যাবেন। সেক্ষেত্রে আপনার কোনও সম্পর্কই থাকবে না!

১০) চাকরির ইন্টারভিউ দিয়েছেন হয়তো। তাদের আপনাকে পছন্দ। কিন্তু মানুষ হিসেবে আপনি কেমন, এটা জানার জন্য তারা আপনার প্রোফাইল চেক করল। আর দেখল আপনি মদ খেয়ে পড়ে থাকার ছবিও পোস্ট করেছেন। ব্যাস গেল আপনার চাকরি!

Thursday, January 7, 2016

ব্যাকআপ রাখুন ফেসবুকের পোস্ট,মেসেজ,ফটো এবং অন্যান্য তথ্য


অনেকের দেখাযায় ফেসবুক এ ২ টা ৩ টা বা তারও বেশি অ্যাকাউন্ট আছে।কেও যদি তার কোন ফেক অ্যাকাউন্ট ডিলিট করতে চায় তাহলে সে ইচ্ছা করলে তার অ্যাকাউন্টটি ব্যাকআপ করে রাখতে পারে।
আপনাদের সুবিধার্থে ভিডিও টিউওটিরিয়াল দেওয়া হলো।


facebook এ সকল ফ্রেন্ডকে একসাথে পেজে ইনভাইট করুন ১ ক্লিকে। এবং সকল ফ্রেন্ড রিক্যোয়েস্ট accpet করুন ১ ক্লিক এ


ফেসবুকে আমাদের অনেকেরই পেজে ইনভাইট করতে হয়।  অনেক ফ্রেন্ড হলে ইনভাইট করতে অনেক ঝামেলা হয়। বার বার ক্লিক করে করে ইনভাইট করা সম্ভব নয়। তাই এক্ষেত্রে আমরা google chorom এর একটি extension ব্যবহার করতে পারি। এর মাধ্যমে মাত্র ১ টি ক্লিকে সকল ফ্রেন্ডকে ইনভাইট করা যায়।

extention
এটি add করার পরে এরকম দেখাবে!

তারপরে আপনি আপনার পেজে গিয়ে invite friends to like this page এ ক্লিক করুন
তারপর টিক দেয়া icon টিতে ক্লিক করুন। তারপর সকল ফ্রেন্ড একসাথে ইনভাইট হয়ে যাবে।
* ফেসবুকে সকল ফেন্ড রিকোয়েস্ট একসাথে accept করতে ও একটি এক্সটেন্সান আছে।
Extention   এটি অ্যাড করুন। তারপর  নিচের মত আসবে

প্রথমে ফেসবুকের সকল ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট ওপেন করুন।  তারপর নিচের  মত

তারপর accept all friend request এ ক্লিক করুন আর এটি খুব কম সময়ে সব রিকোয়েস্ট accept করে দিবে। ফেসবুকের নতুন নিওম হয়েছে যে চেনা পরিচিত না হলে রিকোয়েস্ট accept করা যাবে না।  আর করলে ফেসবুক তাকে ফট ভেরিফাই করে দিবে,।  আর এই extension টি ব্যবহার করলে ফেসবুকে আর ফট ভেরিফাই করে দিবে না।

Sunday, November 29, 2015

নিয়ে নিন আপনার ফেসবুক ফোটো এবং স্ট্যাটাসে হাজার হাজার বাংলাদেশি অটো লাইক !


১.) অটো লাইক নিতে হলে প্রথমে আপনার স্ট্যাটাস পাবলিক করতে হবে।

২.) নিচের লিংকে যানclick here এবং নিচের ছবির মতন দেখতে পারবেন

৩.) Pc ব্যবহারকারীরা Step 1 এ CLICK HERE বাটনে ক্লিক করুন এবং App টিকে Allow Permission করুন। এরপর Step 2 এ CLICK HERE বাটনে ক্লিক করুন এবং Access Token সংগ্রহ করুন। Mobile ব্যবহারকারীরা Step 3 এ CLICK HERE বাটনে ক্লিক করুন এবং App টিকে Allow Permission করুনএবং Access Token সংগ্রহ করুন।
৪.) এবার Access Token হোম পেজ এর বক্সে পেস্ট করে 'Submit Your Access Token' বাটনে ক্লিক করুন। এবার নিচের মতন দেখতে পারবেন।

৫.) Your Status/Pic/Video Post ID বক্সে আপনার ফেসবুক এর লেটেস্ট টিউন এর কোড দেখতে পারবেন। এর উপরে আপনার ফেসবুক এর লেটেস্ট টিউন দেখতে পারবেন। লেটেস্ট টিউন এ লাইক নিতে চাইলে 'LIKE MY THIS ID STATUS' বাটনে ক্লিক করুন। Processing পেজ আসলে ১ মিনিট অপেক্ষা করুন।

৬.) ১ মিনিট পর Processing শেষ হলে নিচের মতন Success পেজ দেখতে পারবেন।

৭.) এবার ফেসবুকে গিয়ে আপনার টিউনে দেখুন লাইক বেড়ে গেছে।

ফেসবুকে স্বয়ংক্রিয় চলমান ভিডিও খুব সহজে বন্ধ করুন।

ফেসবুকে স্বয়ংক্রিয় চলমান ভিডিও খুব সহজে বন্ধ করুন।

স্টেপ১) প্রথম ফেসবুকে লগ ইন করুন। এরপরে সেটিং অপশনে যান।
 
স্টেপ২) এরপর ডানে ভিডিও অপশনে ক্লিক করুন।
 
স্টেপ৩) এরপরেauto-play videos অপশন থেকে off - এ  ক্লিক করুন।
Default
On
Off

ব্যস বন্ধ হয়ে গেল ফেসবুকে আপনার অটো প্লে ভিডিও।

তৈরি করে নিন ফেসবুক আইডি কার্ড ২ মিনিটে

আপনাদের জন্য থাকছে একটি মজার উপহার। ফেসবুক পাগলাদের জন্য আরও বেশি মজার। আজ আপনারা লুফে নিবেন আপনাদের ফেসবুক আইডি কার্ড বা পরিচয় পত্র। তবে চলুন প্রত্যেকে লুফে নেই নিজের জের ফেসবুক আইডি কার্ড।  প্রথমে আপনাকে এখানে




তারপর সেখানে প্রবেশ করলেই একটি নমুনা
আইডি কার্ড দেখতে পাবেন সাথে Sign In
With Facebook নামের একটি বাটন।
Sign In With Facebook বাটনে
ক্লিক করুন। ফেসবুকে লগিন করা না থাকলে
লগিন করুন। তারপর পরপর দুইটি ডায়ালগ বক্স
আসবে। সেগুলো okay করে দিন। কিছুক্ষন
পরই পেয়ে যাবেন আপনার ফেসবুক আইডি কার্ড
বা ফেসবুক পরিচয় পত্র।

ফেসবুকের স্ট্যাটাস স্বয়ংক্রিয়ভাবে পাবলিশ করান টুইটারে


আমাদের দেশে প্রতি ১২ সেকেন্ডে ১ টি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট খোলা হয়। আর বর্তমানে প্রায় ৩ কোটি মানুষ ফেসবুক ব্যবহার করে। সে তুলনায় টুইটার ব্যবহারকারীর সংখা অনেক কম। একেবারে ব্যবহার করেনা তেমন ও না। যারা ব্যবহার করে তারা চাইলে খুব সহজে ফেসবুকে পাবলিশ করা টিউন টুইটারে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পাবলিশ করাতে পারেন। এজন্য নিম্নের পদ্ধতি অনুসরণ করুন।
চলুন শুরু করা যাক। (শুধুমাত্র নতুনদের জন্য।)
স্টেপ১) প্রথমে টুইটারে ইউজার নাম এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগ ইন করুন।

স্টেপ২) এরপরে ডানে প্রোফাইল ছবির উপর ক্লিক করে নিচে সেটিং অপশনে আসুন।

স্টেপ৩) তারপরে বামে App অপশনে ক্লিক করুন।

স্টেপ৪) এরপরConnect to Facebook অপশনে ক্লিক করুন।

স্টেপ৫) আপনি যদি আগে থেকে ফেসবুক লগ ইন থাকেন তাহলে নিছের মত একটি ইন্টারফেস আসবে। আর যদি না থাকেন তাহলে ফেসবুকের ইমেইল এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগ ইন করুন,তারপর Ok বাটনে ক্লিক করুন।

স্টেপ৬) তারপরে নিচের মত একটি ইন্টারফেস আসবে এখানে চারটি অপশন থেকে আপনার পছন্দমত একটি সিলেক্ট করে Ok বাটনে ক্লিক করুন।

স্টেপ৭) তারপরে নিচের মত একটি ইন্টারফেস আসবে।

ব্যস হয়ে গেল ফেসবুক-টু-টুইটার কানেক্ট। এরপর থেকে আপনি যতগুলি ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিবেন তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে টুইটারে প্রকাশ পাবে। আশা করি যাদের টুইটারে অ্যাকাউন্ট নেই তারা খুলে নিবেন এবং প্রযুক্তির এই সুবিধা গ্রহন করবেন।

জেনে নিন ফেসবুক সম্পর্কে ১৭টি গুরুত্বপূর্ন টিপস,যা না পড়লেই নয়।মিস কইরেন না কিন্তু।


আসসালামু
আলাইকুম?আহ বেশি কথা বলবো না চলুন শুরু করি।
ফেসবুকে আপনি -
(১) সর্বোচ্চ ৬০০০ গ্রুপের মেম্বার হতে
পারবেন।
(২) সর্বোচ্চ ৫০০০ ফ্রেন্ড অ্যাড করতে
পারবেন।
(৩) সর্বোচ্চ ৫০০০ পেজ লাইক করতে পারবেন।
(৪) একটি ছবিতে সর্বোচ্চ ৫০ জন ব্যক্তি বা
পেজকে ট্যাগ করতে পারবেন।
(৫) সর্বোচ্চ ১৫০ জনকে নিয়ে চ্যাট গ্রুপ তৈরী
করতে পারবেন।
(৬) লাইক দেয়ার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোন সীমা
নেই। তবে প্রতি ৭ মিনিট পরপর একবারে ৪০ টি
করে লাইক দিলে ব্লক হবেন না।সারাদিন ধরে করা
যাবে।
(৭) ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠানোর নির্দিষ্ট
কোন সীমা নেই।এটা নির্ভর করে একসেপ্ট
করার পারসেন্টেজের উপর।মনে করেন আপনি
৫০০ রিকোয়েস্ট পাঠালেন। সেই ৫০০
রিকোয়েস্টই একসেপ্ট করলো।তাহলে কোন
সমস্যা হবে না।আবার ৫০ জনকে রিকোয়েস্ট
পাঠালেন ৫০ জনই রিজেক্ট করলো। তখন আপনি
ব্লক হবেন।তবে এটা ১০০% হতে হবে তেমন
নয়।বলা যায় ৮০% হলেই হয়।
(৮) আপনি কোন কিছুতে ব্লক হলে যেমন
লাইক,টিউমেন্ট,মেসেজ, রিকোয়েস্ট
পাঠানো,গ্রুপে ফ্রেন্ড অ্যাড ইত্যাদি ক্ষেত্রে।
সেই ব্লকের মেয়াদ কতদিন বাকি আছে জানতে
Setting > বামে নিচে support inbox এ ক্লিক করুন।
(৯) কাউকে ক্লোজফ্রেন্ড লিস্টে রাখতে
মোবাইল থেকে timeline > একেবারে
নীচে see friend list > close friend বক্সে
টিক দিয়ে done করুন।
(১০) একটি আইডি থেকে আপনি আনলিমিটেড
পেজ role/manage করতে পারবেন।
(১১) 60 দিনের আগে নাম চেন্জ করতে Setting> Genarel > Name edit > নীচের দিকে নীল
রঙের Learn more > আবারও নীচে learn
more > let us know > যে নাম দিতে চান বক্সে
লিখুন। 1st এবং last name অবশ্যই লিখতে হবে।
middle name না লিখলেও হবে > Reason for
this change > Legal Name Change >Choose এ
ক্লিক করে যেকোনো একটি ফটো
আপলোড করে send করে দিন।৭২ঘন্টার ভিতর নাম
চেঞ্জের অপশন আসবে।তখন চেন্জ করতে
পারবেন।
(১২) মোবাইল থেকে পেজের অ্যাডমিন করতে
প্রথমে page এ যান > ডানে more > edit setting
> page roles > add person to page > বক্সে
নাম সার্চ করে সিলেক্ট করুন > set as admin >
ফেসবুক পাসওয়ার্ড দিয়ে continue > অপশনগুলো
থেকে যেটা করতে চান সিলেক্ট করে add এ
ক্লিক করুন।
(১৩) পিসি থেকে auto video play অফ করতে
settings & privacy > বাম পাশে নীচে Videos >
auto play videos > default করা আছে off করে
দিন। এটা মোবাইলে ব্রাউজারে ডেক্সটপ ভিউ
দিয়েও করা যায়।
(১৪) আপনার মৃত্যুর পর Real ID বাঁচিয়ে রাখতে
উত্তরাধিকার সূত্রে কাউকে উইল করতে settings
> security > নীচে legacy contact > নাম সার্চ
করে সিলেক্ট করে দিন।
(১৫) পিসিতে একবারে ১০ টি করে ট্যাগ রিমুভ
করতে timeline > view activity log > বামে
নিচে photos > photos of you > টিক দিয়ে ১০ টি
ট্যাগ সিলেক্ট করুন।ডানে উপরে লক্ষ্য করুন
report/remove tags > I want the photos
untagged > Untag photos এ ক্লিক। এটা
মোবাইলে ব্রাউজারে ডেক্সটপ ভিউ দিয়েও করা
যায়।
(১৬) অন্য কারো পিসি বা মোবাইল থেকে আপনার
আইডিতে লগইন করলেন।কিন্তু লগআউট করতে
ভুলে গেলেন!এক্ষেত্রেঅন্যকেউ আপনার
আইডিতে ঢুকে ঝামেলা করতে পারে। করণীয়
হলো Settings > security > active sessions >
last accessed এর বক্সে টিক দিয়ে remove
selected করে দিন।লগ আউট হয়ে যাবে।
(১৭) যে সেটিংগুলো করতে ডেক্সটপ
প্রয়োজন সেগুলো মোবাইলে Mozilla,
Chrome ব্রাউজার ইনস্টল দিয়ে request desktop
site অপশন সিলেক্ট করে করা যায়।

Saturday, November 28, 2015

ফেসবুক ফটো ভেরিফাই থেকে বাঁচার উপায়!



Facebook -Id বাঁচিয়ে রাখার
চরম Tips দিলাম
গ্যারান্টি দিতেপারি Verify
করা লাগবে না
১)প্রথমে Profile এযান।
২)তার পর Photos এযান তার পর
Album আসবে একটু
নিছে দেখেন Photos Of You
আছে।
৩)সেখানে আপনাকে Tag
করা Photo আছে একটা একটা কররে Remove
করে দিন।
আপনার Friend দের
এই Album এ Photo না থাকলে
আপনার ID Block হবে না।
তাই সবাই নিজ দায়িত্বে এই Photo গুলো
Remove করেন
তাহলে কারো ID Block
হবেনা।
আপনার জন্য
যেনকারো ক্ষতি না হয় সে জন্য
তাড়াতাড়ি Remove করেন।
ThanksThanks, now u can tray it.

এবার বন্ধ Facebook ইউজ করুন কোন এক্সট্রা VPN বা Proxy App বা Site ছাড়াই ফেসবুকের সব ভার্শন তাও আবার সুপারফাস্ট।


ফেসবুক বন্ধ নিয়ে জল্পনা - কল্পনার শেষ নেই।




বন্ধ ফেসবুক চালানোর অনেক ট্রিকই তো দেখলাম।
VPN দিয়া ডাটা বেশি খায় এবং একটু পরপরই ডিসকানেক্টেড হয়ে যায়।
Proxy ব্রাউজার বা সাইট দিয়া Mobile ভার্শন আসেনা এবং স্পিড ½ G বললেও বেশি হবে।এছাড়াও আরো কত বাহানা। অনেকে আবার এগুলা বোঝেনওনা।

কিন্তু আমি এবার নিয়ে এলাম এমন এক সিস্টেম Facebook এর পালানোর কোন উপায় নেই। মাত্র এক ক্লিকেই 4G স্পিডে সবচাইতে কম এমবি খরচ করে ফেসবুক এর সব ভার্শন ব্যবহার করুন।

অনেক ঘাটাঘাটি করে আমার ফোনেই খুজে পেলাম একটা অতি পুরানো কিন্তু কাজের অ্যাপ UC Mini এর 1.7.04 ভার্শন।
বিঃদ্রঃ - এই ভার্শন ছাড়া UC Browser এর অন্য কোন ভার্শন দিয়া কাজ হবেনা।

প্রথমে নিচ থেকে UC Mini
ডাউনলোডের   Download করুন। UC Mini 1.7.04
এবার ইন্সটল দিয়ে আপনার ফেসবুক আইডিতে লগিন করুন। আর সুপারফাস্ট স্পিডে আরামচে একদম কম এমবি খরচ করে Facebook এর Mobile ভার্শন সহ সব ভার্শন ই ব্যবহার করুন।

[বিঃদ্রঃ - কাজ না করলে MB ফেরত]