Showing posts with label স্বাস্থ্য পরামর্শ. Show all posts
Showing posts with label স্বাস্থ্য পরামর্শ. Show all posts

Friday, January 15, 2016

গ্রামীণফোনে এখন পাচ্ছ ৩০০ MB ইন্টারনেট মাত্র ৪৫ টাকায়।


নতুন বছরের আনন্দে মেতে ওঠো বন্ধুদের সাথে কারন গ্রামীণফোনে এখন পাচ্ছ ৩০০ MB ইন্টারনেট মাত্র ৪৫ টাকায় (৩% সম্পূরক শুল্ক এবং সম্পূরক শুল্কসহ উল্লিখিত মূল্যের উপর ১৫% ভ্যাট প্রযোজ্য) যার মেয়াদ ৭ দিন। অফারটি পেতে ডায়াল *5000*150# & start enjoying!
বিস্তারিত জানতে কল ১২১

Sunday, January 10, 2016

গোসলে সাবান ব্যবহার শরীরের জন্য ক্ষতিকর !


আপনি রোজ গোসল করেন অনেকটা সময় ধরে। রোজ গায়ে দামি অথবা মাঝারি দামের সাবানও মাখেন?


এই নিয়ে আপনার গর্বের শেষ নেই? সবার মাঝে ফলাও করে বলেন, আপনি কত পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন?

আপনি ভাবেন এর জন্য আপনার ত্বক কত ভাল থাকবে? আপনি কত সুন্দর এবং টানটান হয়ে থাকবেন অনেক বয়স পর্যন্তও!

এক দম ভুল ভাবছেন। ইউরোপের ডাক্তাররা কিন্তু একেবারে ভিন্ন সুরে কথা বলছেন।

তাদের বক্তব্য, গোসল রোজ করছেন এটা খুবই ভাল। কিন্তু যে সাবান দিয়ে আপনি রোজ ঘসে ঘসে গা পরিষ্কার করছেন, চকচকে হচ্ছেন, সেটা কিন্তু মোটেই ভাল নয়।

সাবান মানেই ক্ষার। সেটা কম মাত্রা অথবা বেশি মাত্রা হতে পারে। কিন্তু রোজ আপনার শরীরে খার গেলে তা আপনার শরীরকে মোটেই চিরকাল ভাল রাখবে না। যার সুফল আজ টের পাচ্ছেন, তার অনকে বেশি কুফল কাল টের পেতে চলেছেন।

তাদের পরামর্শ গায়ে মাটি মাখুন। ত্বক আজও ভাল থাকবে। আগামীতেও ভাল থাকবে। মাটির থেকে ভাল গায়ে মাখার আর কিছু নেই। কিন্তু আপনি কি এখনই এসব মানবেন?

Thursday, January 7, 2016

কিভাবে বুঝবেন আলসার এবং গ্যাসট্রিক্স হয়েছে


আলসার এবং গ্যাসট্রিক্সকের লক্ষণ ও উপসর্গ
১. উদর বা তলপেটের উপরিভাগে অস্বস্তিবোধ কিংবা ব্যথা|
২. খাবারের প্রতি অভক্তি|
৩. বিতৃষনাবোধ|
৪. বুক জ্বলাপোড়া করা|
৫. বমি হওয়া|
৬. ঢেকুর ওঠা এবং গ্যাস হওয়া|
৭. কালো বা রক্তমিশ্রিত মল|

আলসার এবং গ্যাসট্রিক্স  হলে কী করা উচিত
১. যদি আপনার মনে হয় যে আলসার কিংবা গ্যাসট্রিটিস হয়েছে সেক্ষেত্রে ডাক্তারের শরণাপন্ন হোন।
২. প্রচুর পরিমাণে পানি এবং অন্যান্য পানীয় পান করুন যাতে করে আপনার শরীর পানি শূন্যতায় আক্রান্ত না হয়, তবে দুধ জাতীয় পানীয় পান থেকে বিরত থাকুন, কেননা এগুলো এসিডের উৎপত্তিতে সহায়ক ভূমিকা রাখে।
৩. এন্টাসিড সেবন করুন।
৪. এ্যাসপিরিন ইবুপ্রুফেন এবং অন্যান্য ননস্টেরোয়ডাল এবং প্রদাহ-নিরোধোক ওষুধ সেবন থেকে বিরত থাকুন।


আলসার এবং গ্যাসট্রিক্স  হলে কখন ডাক্তার দেখাবেন
১. যদি আপনার বমির সাথে রক্ত বের হয় কিংবা অন্য কিছু বের হয় যেটা দেখতে কফির পাতার গুড়োর মতো মনে হয়, সেক্ষেত্রে এটা হয়তো আপনার দেহাভ্যন্তরিণ রক্তপাতের লক্ষণ।
২. যদি আপনার মধ্যে আলসারের লক্ষণগুলো ধরা পড়ে এবং একই সাথে আপনার পিঠে প্রচণ্ড ব্যথা হয়; সেক্ষেত্রে আলসার হয়তো আপনার পাকস্থলী কিংবা গ্রহণী বা ডুডেনামের দেয়াল ছিদ্র করে ফেলছে বা ক্ষত সাধন করছে।
৩. যদি আপনার জ্ঞান হারাবার মতো অবþহা হয়, ঠাণ্ডা লাগে, এবং স্যাঁতস্যাঁতে বোধ হয় এবং আপনি প্রকৃতই জ্ঞান হারান। এগুলো হয়তো প্রচুর রক্ত ক্ষরণের কারনে উদ্ভুত কিছু উপসর্গ।
৪. যদি আপনার আলসার থাকে এবং একই সাথে রক্তশূন্যতার লক্ষণগুলোও দেখা যায়, যেমন অবসাদগ্রস্ততা, গায়ের রঙ্গে মলিনতা; এক্ষেত্রে আলসার থেকে হয়তো রক্তক্ষরণ হচ্ছে।
৫. যদি আপনার মলের সাথে গাঢ় লাল রক্ত বের হয়। কিংবা মলের রঙ রক্তাভ কিংবা কালো হয়।
৬. যদি আপনার পাকস্থলিতে প্রচণ্ড ব্যথা হয়।
৭. যদি আপনার আলসার এবং গ্যাসট্রিটিসের লক্ষণ ও উপসর্গগুলো দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরেও অপসারিত না হয়।

আলসার এবং গ্যাসট্রিক্স  কীভাবে প্রতিরোধ করবেন
১. আপনি যদি ধুমপায়ী হন তবে ধুমপান ছেড়ে দিন|
২. দৈহিক ও মানসিক চাপ থেকে স্বস্তি পেতে যা যা করণীয় করুন।
৩. যদি আপনার মদ বা এ্যালকোহল মিশ্রিত কোন পানীয় পান করার অভ্যাস থাকে তাহলে খুব কম পরিমাণে করবেন।
৪. এ্যাসপিরিন এবং ইবুপ্রোফেনের ব্যবহার যতোটা কমানো সম্ভব করুন।
৫. যেসব খাবার আপনার পাকস্থলিতে সমস্যা করে সেগুলো এড়িয়ে চলুন।
৬. আলসার যাতে আবার না হয়, সে জন্যে যে যে ওষুধগুলো ডাক্তারি পরামর্শ অনুযায়ী আপনি আলসারের চিকিৎসার উদ্দেশ্যে সেবন করছেন সেগুলো সঠিকভাবে সঠিক সময়ে সেবন করুন।

Signs and Symptoms
1. Pain or discomfort the upper part of the abdomen.
2. Loss of appetite.
3. Nausea.
4. Heartburn.
5. Vomiting.
6. Belching or gas.
7. Dark or bloody stools.
What to do now
1. Go to a doctor if you think you have a stomach ulcer or gastritis.
2. Drink lots of water and other liquids to prevent dehydration, but avoid milk, which can increase acid secretion.
3. Take antacids.
4. Avoid aspirin ibuprofen, and other non-steroidal anti-inflammatory drugs.

When to call a doctor
1. If you vomit blood or material that looks like coffee grounds; these symptoms indicate internal bleeding.
2. If you develop symptoms of an ulcer along with severe back pain; your ulcer may be perforating the stomach or duodenum wall.
3. If you feel faint, cold, and clammy, or you actually do faint. These may be symptoms of a shock, usually resulting from massive blood loss.
4. If you have an ulcer and develop symptoms of anemia, such as fatigue and pallid complexion; your ulcer may be bleeding.
5. If you pass stools that appear dark red, Bloody or black.
6. if you have severe stomach pain.
7. If you have symptoms of an ulcer or gastritis that last more than two weeks.

How to prevent it
1. If you smoke, quit.
2. Do what you can to reduce stress.
3. If you drink alcoholic beverages, do so in moderation.
4. Minimize use of aspirin and ibuprofen.
5. Avoid foods that upset your stomach.
6.To prevent an ulcer from recurring, carefully follow instructions for any ulcer drugs you are taking.

Saturday, December 12, 2015

জন্ডিসের লক্ষণসমূহ




‘জন্ডিস রোগ’! না  জন্ডিস কোনো রোগ নয়। এটি রোগের লক্ষণ মাত্র। আমাদের রক্তে বিলিরুবিনের(bilirubin, bil-ih-ROO-bin) মাত্রা বেড়ে গেলে জন্ডিস দেখা দেয়।

হেপাটাইটিস এ, বি, সি, ডি এবং ই ভাইরাসগুলো লিভারে প্রদাহ সৃষ্টি করে যাকে বলা
 হয় ভাইরাল হেপাটাইটিস। লিভারের স্বাভাবিক কর্মকাণ্ড বাঁধাপ্রাপ্ত হলে লিভারের প্রদাহ শুরু হয়। আমাদের দেশসহ সারা বিশ্বেই জন্ডিসের প্রধান কারণ এই হেপাটাইটিস ভাইরাসগুলো। এছাড়াও লিভার সংক্রান্ত রোগ এবং বংশগত কারণসহ আরও কিছু লিভারের রোগেও জন্ডিস হতে পারে। অনেক সময় ওষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার কারনেও জন্ডিস হয়। মাঝে মাঝে রক্তের নানা সমস্যা, পিত্তনালীর পাথর বা টিউমার এবং লিভার বা অন্য কোথাও ক্যান্সার হলেও জন্ডিস হতে পারে। তাই জন্ডিস মানেই লিভারের রোগ এমনটি ভাবা ঠিক নয়।

জন্ডিসের লক্ষণ নিয়ে আমাদের সচেতন থাকা উচিত। যখনই জন্ডিসের লক্ষণ নজরে পড়বে অবহেলা না করে যতো দ্রুত সম্ভব ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হবে। কারণ চিকিৎসায় দেরি হলে বা অবহেলা করলে যে রোগের লক্ষণ হিসেবে জন্ডিস হয়েছে তা মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে। জন্ডিসের লক্ষণগুলো জেনে নিন একনজরে-

জন্ডিসের প্রথম ও প্রধান লক্ষণ হলো চোখ হলুদ হয়ে যাওয়া। চোখের সাদা অংশ, হাত-পা এর তালু, মুখমন্ডল থেকে শুরু করে সমস্ত শরীরই হলুদ বর্ণের হয়ে যেতে পারে।


শরীর অনেক বেশি দুর্বল হয়ে পরা।


বমি বমি ভাব, এবং খাবার দেখলে ও খাবারের গন্ধ পেলে গা গুলিয়ে উঠা

শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে চুলকানি বৃদ্ধি পাওয়া।

পায়খানার রঙ ফ্যাকাসে হয়ে যাওয়া।

এইসকল লক্ষণগুলো দেখা দিলে দেরি না করে অবশ্যই একজন লিভার বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেয়া উচিত। বিশেষজ্ঞ শারীরিক লক্ষণ এবং রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে জন্ডিসের তীব্রতা ও কারণ নির্ণয় করে চিকিৎসার ব্যবস্থা গ্রহন করতে পারেন।

সূত্রঃ mayoclinic, উইকিপিডিয়া

রক্তদানের পূর্বে ও পরে করণীয়


প্রাপ্তবয়স্কঅর্থাৎ ১৮ বছর বয়সের পর সুস্থ স্বাভাবিক সকলেই স্বেচ্ছায় রক্ত দিতে পারেন। এবং পুরোপুরি সুস্থ সকলের রক্ত দেয়াই উচিত। আপনার দেয়া রক্তে হয়তো একজন অসুস্থ মানুষের জীবন বাঁচতে পারে। কিন্তু আপনি যদি নিজেই সম্পূর্ণ সুস্থ না হন তবে রক্ত দেয়ার প্রয়োজন নেই।

কিন্তু শুধু রক্ত দিলেই তো চলবে না, রক্ত দেয়ার ফলে রক্তদাতার যেনো শারীরিক কোনো সমস্যা না হয় সেদিকে নজর রাখতে হবে। রক্ত দেয়ার পূর্বে এবং পরে একজন রক্তদাতার বিশেষ কিছু কাজ করা উচিত নিজের স্বাস্থ্য ঠিক রাখার জন্য। চলুন তবে দেখে নেয়া যাক কি কি কাজ করা উচিত।

রক্ত দেয়ার পূর্বে করনীয়ঃ


১) আপনি যদি কোনো কারণে অসুস্থবোধ করে তবে সেদিনের মতো রক্ত দেয়া থেকে বিরত থাকুন

২) রক্ত দেয়ার পূর্বে পুষ্টিকর খাবার খেয়ে নিন, কিন্তু তৈলাক্ত কিছু খাবেন না।

৩) রক্ত দানের পূর্বে প্রচুর পরিমাণে পানি ও পানি জাতীয় খাবার খাবেন।

৪) যেদিন রক্ত দেবেন তার আগের রাতে অনেকটা সময় ভালো করে ঘুমিয়ে নেবেন।

রক্তদানের পরে করনীয়ঃ


১) অনেকটা সময় শুয়ে থাকবেন। হুট করে উঠে বসবেন না বা উঠে দাঁড়াবেন না।

২) প্রচুর পরিমাণে পানি ও পানি জাতীয় খাবার গ্রহন করুন। এই ব্যাপারে অবহেলা করবেন না মোটেও।

৩) আয়রন, ফোলাইট, রিবোফ্লাবিন, ভিটামিন বি৬ সমৃদ্ধ খাবার যেমন লাল মাংস, মাছ, ডিম, কিশমিশ, কলা ইত্যাদি ধরণের খাবার খাবেন।

৪) কয়েক ঘণ্টার জন্য শারীরিক পরিশ্রমের কাজ করা থেকে বিরত থাকুন। এবং বেশ কিছুদিন সাধারণ সময়ের তুলনায় একটু কম পরিশ্রম করে বিশ্রাম নিন।

৫) রক্তদানের ৩ মাস পর নতুন করে রক্ত দিতে পারবেন। এর আগে পুনরায় রক্ত দেবেন না।


সূত্রঃ emedicinehealth

বেশি বাঁচতে চান? তবে বেশি করে পানি ফোটানো বন্ধ করুন আজই।


বেশিদিন বাঁচতে চান? পানি

অতিরিক্ত ফোটানো বন্ধ করুন আজই পানি বিশুদ্ধ করার সবচেয়ে আদি
পদ্ধতি হল আগুনে ফুটিয়ে নেয়া।

অনেকেই পানিকে ফিলটারিং বা অন্য
কোন উপায়ে বিশুদ্ধ করার চেয়ে পানি
ফোটানোকে বেশি নিরাপদ মনে করে
থাকে।

পানি ফোটানো নিরাপদ হলেও দুই/তিনবার পানি ফোটানো বা দীর্ঘ
সময় যাবত ফোটানো কখনই নিরাপদ নয়। প্রথমবার পানি ফুটানো হলে এর মধ্যে
থাকা ক্ষতিকর উপাদান সব নষ্ট হয়ে
যায়। কিন্তু যখন এটি দুইবার ফোটানো
হয় বা ফোটানো পানি আবারও গরম করা
হয় বা পানি বেশি সময় যাবত ফোটানো
হয়, তখন এর মধ্যে থাকা বিভিন্ন রাসায়নিক উপাদানের পরিবর্তন ঘটে।
এর মধ্যে থাকা স্বাস্থ্যকর
উপাদানগুলো ক্ষতিকর হয়ে উঠে।
দীর্ঘক্ষণ পানি ফোটানোর কারণে
পানি গরম করার পাত্র থেকে কিছু
উপাদান পানিতে মিশিয়ে যায়, যার কারণে কিডনিতে পাথর হতে পারে।

পানি অতিরিক্ত ফোটানোর কারণে
যেসকল স্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্যে আপনি
পড়তে পারেন সেগুলো এক নজরে দেখে
নিন। 


১। নাইট্রেট
মাটি, পানি, বায়ুসহ পৃথিবীর সব
স্থানে নাইট্রেটের দেখা পাওয়া
যায়। পানি অধিক ফোটানোর ফলে এই
নাইট্রেটের রাসায়নিক পরিবর্তন
ঘটে। উচ্চতাপে নাইট্রেট/Nitrate পরিণত হয় nitrosamines-এ , যা
থেকে ক্যান্সার রোগ সৃষ্টি হতে পারে।
জরায়ু, কোলন, অগ্ন্যাশয়, খাদ্যনালী ও
পাকস্থলীর ক্যানসার মত রোগও সৃষ্টি
হতে পারে এর কারণে। 

২। ফ্লোরাইড
গবেষণায় দেখা গেছে, দীর্ঘ সময়
উত্তপ্ত পানির মধ্যে ফ্লোরাইড পাওয়া
যায়। যা মানবদেহের মারাত্মক ক্ষতি
করে থাকে। এটি শিশুদের মস্তিষ্কের
গঠন প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করে থাকে। শিশুদের আইকিউ কম হওয়ার
কারণ হিসেবে পানির ফ্লোরাইডকে
দায়ী করেছে এনভায়রনমেন্ট হেলথ
সায়েন্সেস’ সাময়িকী। ২০১৩ সালে এর
আরেক গবেষণায় পানির ফ্লোরাইডকে
সন্তান জন্মদান ক্ষমতা হ্রাসের কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। 

৩। আর্সেনিক
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে পানি
অধিক ফোটানোর কারণে পানিতে
আর্সেনিকের প্রভাব দেখা দিতে
পারে। আর আর্সেনিক থেকে হতে পারে
ডায়াবেটিস এবং হৃদরোগ ও ফুসফুসের নানা রোগে। আর্সেনিকের বিষক্রিয়া
পরিপাক অঙ্গ এর ওপর ক্ষতিকারক
প্রভাব ফেলে।

Friday, December 11, 2015

খাঁটি মধু যাচাই করতে হবে চারটি উপায়ে



সব মধুর চেহারা একই রকম হওয়ায় বোঝা দায় কোনটি আসল, কোনটি নকল। তবে আপনার যদি কিছু কৌশল জানা থাকে তবে সহজেই চিনে নিতে পারবেন আসল মধুটি। এ জন্য চারটি পদ্ধতির যেকোনো একটি কিংবা ভালোভাবে নিশ্চিত হতে একাধিক পদ্ধতি অবলম্বন করতে পারেন।

১. এক গ্লাস পানিতে এক চামচ পরিমাণ মধু দিন। তারপর আস্তে আস্তে গ্লাসটি নাড়া দিন। মধু পানির সঙ্গে মিশে গেলে নিশ্চিত হবেন সেটা ভেজাল মধু। আর মধু যদি ছোট পিণ্ডের মতো গ্লাসের পানিতে ছড়িয়ে যায়, তাহলে বুঝবেন সেটা খাঁটি মধু।

২. পরিষ্কার সাদা কাপড়ে অল্প একটু মধু লাগিয়ে শুকিয়ে নিন। একটু পর কাপড়টি ধুয়ে ফেলুন। কাপড়ে দাগ থেকে গেলে বুঝতে হবে এই মধু নকল। আর কাপড়ে দাগ না থাকলে সেটা খাঁটি মধু।

৩. মধুর আসল-নকল নির্ধারণ করতে এক টুকরো কাগজে অল্প একটু মধু লাগিয়ে নিন। এবার যেখানে পিঁপড়া আছে সেখানে রেখে দিন। তারপর অপেক্ষা করতে থাকুন। মধুতে যদি পিঁপড়া ধরে তাহলে বুঝে নেবেন আপনার কেনা মধুতে ভেজাল আছে।



৪. মধু ডিপ ফ্রিজে রেখে দিন। ভেজাল মধু হলে এটা জমে যাবে। আর না জমলেও ভেজাল মধুর নিচে জমাট তলানি পড়বে।