Showing posts with label ফেসবুক টিপস. Show all posts
Showing posts with label ফেসবুক টিপস. Show all posts

Friday, January 15, 2016

পাওয়ার ব্যাঙ্ক কেনার আগে জেনে নিন।

ultra-power-bank-in-use-236x236-60x60

স্মার্টফোন ছাড়া তো এখনকার
ছেলেমেয়েদের জীবন অচল।
কিন্তু স্মার্ট ফোন নির্মাতারা মোবাইলকে স্মার্ট
বানালেও ব্যাটারিটাকে স্মার্ট বানাতে পারেনি এখনও।
তাই চার্জ কোনও মোবাইলেই তেমন থাকে না।
আর ইন্টারনেট আর গেম প্রিয়দের কাছে তো
চার্জ থাকেই না!
এখন পাওয়ার ব্যাঙ্ক কেনার কথা ভাবছেন।
Power Bank Tips
আর যারা পাওয়ার ব্যাঙ্ক কেনার কথা ভাবছেন তারা
নিচের কিছু তথ্য জেনে নিন, তারপর যাচাই করে
কিনুন।
পাওয়ার ব্যাঙ্কের ক্যাপাসিটি যেন আপনার ফোনের
ব্যাটারির চেয়ে বেশি হয়: আপনি যে পাওয়ার ব্যাঙ্কটি
কিনবেন, তার ব্যাটারি ক্যাপাসিটি যেন আপনার
ফোনের ব্যাটারির ক্যাপাসিটির চেয়ে বেশি হয়।
মনে করুন, আপনার ফোনের ব্যাটারি যদি ২০০০
mAH হয় তা হলে পাওয়ার ব্যাঙ্কটি অবশ্যই তার
চেয়ে বেশি ক্যাপাসিটির (নিদেন পক্ষে
২৫০০-৩৫০০ mAH) হতে হবে। না হলে ফোনের
বদলে উল্টে পাওয়ার ব্যাঙ্ক-ই ফোনের চার্জ
চলে যেতে পারে।
Current Draw দেখে নিন: পুরনো মোবাইলগুলি
চার্জ করতে ১ অ্যাম্পিয়ারের বেশি কারেন্ট লাগত
না। কিন্তু এখনকার সমস্ত মোবাইলে ২.১ অ্যাম্পিয়ার
কারেন্টে চার্জ করতে হয়। যদি সম্ভব হয়, তা হলে
১ এবং ২.১- এই দু’ ধরনের ইউএসবি পার্টস সাপোর্ট
করে এমন পাওয়ার ব্যাঙ্কই কিনুন। মনে রাখবেন,
পাওয়ার ব্যাঙ্কের ক্যাপাসিটি যাই হোক না কেন, যে
কোনও ডিভাইস চার্জ করতে সব থেকে
গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকে কারেন্ট ড্র-য়ের।
ব্যাটারি কেমন দেখুন: পাওয়ার ব্যাঙ্কে ২ রকমের
ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়। একটি লিদিয়াম আয়ন, অন্যটি
লিদিয়াম পলিমার। এর মধ্যে লিদিয়াম আয়ন অপেক্ষাকৃত
সস্তা এবং সহজলভ্য। লিদিয়াম পলিমার দেওয়ার ব্যাটারি
ওয়ালা পাওয়ার ব্যাঙ্কের দাম একটু বেশি হয়। ভালো
ইলেক্ট্রনিক শো-রুম ছাড়া এগুলো বখোলা
বাজারে খুব একটা মেলে না। এ ধরনের পাওয়ার
ব্যাঙ্কের দাম বেশি হলেও প্রতি ইউনিটে বেশি
চার্জ ডেনসিটি দেয়। যেটা মোবাইলের পক্ষে
ভালো। বাজে-সস্তা ধরনের পাওয়ার ব্যাঙ্ক
থেকে মোবাইল চার্জ করলে তা পারফরম্যান্সের
উপর প্রভাব ফেলে। শুধু তাই নয়, ওভারচার্জ বা
ওভারহিটেড হলে এগুলো ব্লাস্টও করতে পারে।
যেমন, অনেক সময় চার্জ করতে করতে কথা
বলার সময় মোবাইল ব্লাস্ট করে।
আশা করি উপরের তথ্যগুল আপনাকে সাহাজ্য
করবে।
আজকের মত এখানে থাক।

Sunday, January 10, 2016

পাসওয়ার্ড হ্যাক হলেও ফেসবুক আইডি কখনো হ্যাক হবেনা !

বর্তমান সময়ে ফেসবুক এখন অনেক স্পর্শকাতর বিষয় অনেকের জন্য। নানা ধরনের অনেক গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে সমৃদ্ধ আপনার ফেসবুক একাউন্টটি যদি হ্যাক হয়ে যায় আপনার এর থেকে বড় বিপদ আর কি হতে পারে বলুন? হ্যা আজ জানবেন কিভাবে আপনি আপনার ফেসবুক পাসওয়ার্ড হ্যাক হলেও আইডি রক্ষা করতে পারবেন।


– আপনার ফেসবুকের পাসওয়ার্ড যদি সবাই জেনে যায়, তাহলেও কেউ আপনার অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করতে পারবে না। অবিশ্বাস্য মনে হচ্ছে? না এটি বাস্তব, তবে এর জন্য প্রথমে আপনাকে যা করতে হবে, ফেসবুকে লগইন করে ওপরে ডান পাশে Home এর পাশে অ্যারোতে ক্লিক করে Account Settings-এ ক্লিক করুন।

– এবার এখানে বাঁ পাশ থেকে ক্লিক করুন। এখন এর ডান পাশ থেকে ক্লিক করুন। তারপর এই ঘরে টিক চিহ্ন দিন। টিক চিহ্ন দেয়ার সময় নতুন একটি বার্তা এলে ক্লিক করুন।

– এখন বক্সে আপনার মোবাইল নম্বর লিখে Continue তে ক্লিক করুন।

– আপনার মোবাইলে একটি কোড নম্বর আসবে। কোড নম্বরটি কোড বক্সে লিখে Submit Code বাটনে ক্লিক করে Close-এ ক্লিক করুন।

– Login Notifications-এর ডান পাশ থেকে edit-এ ক্লিক করে Email এবং Text message বক্সেও টিকচিহ্ন দিয়ে Save-এ ক্লিক করে রাখতে পারেন। এতে ইমেইলে আপনার কোড সেন্ড হবে।

– এখন ফেসবুক অ্যাকাউন্ট লগআউট করে পুনরায় আবার ফেসবুকে লগইন করুন। দেখবেন Name New Device নামে একটি পেজ এসেছে। সেখানে Device name বক্সে কোনো নাম লিখে Save Device-এ ক্লিক করুন।

ব্যাস হয়ে গেলো! এখন থেকে থেকে প্রতিবার আপনার কম্পিউটার ছাড়া অন্য কারও কম্পিউটার থেকে আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে লগইন করতে চাইলে আপনার মোবাইলে একটি কোড নম্বর আসবে এবং সেই কোড নম্বরটি কোড বক্সে লিখে Continue তে ক্লিক করলেই আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করা যাবে। কাজেই আপনার ফেসবুকের পাসওয়ার্ড সবাই জানলেও কেউ আপনার ফেসবুকে লগইন করতে পারবে না।

ফেসবুকে আমরা যে Poke করি, এর মানে কি জানেন ?

আজকের দিনে ফেসবুক এমন এক জিনিসে পরিনত হয়েছে যা ফেসবুক ছাড়া অনেকের পেটের ভাত হজম হয় না।সারাদিন সুধু ফেসবুক আর ফেসবুক। আজকে এই ফেসবুক এর একটা ফিচার নিয়ে আলোচনা করবো আর সেটা হল poke. আমরা যারা ফেসবুক ব্যবহার করি বা অ্যাকাউন্ট আছে তারা সবাই কম বেশি এই ফিচার সম্পর্কে জানি তবে অনেক এটি ব্যবহার করে আবার অনেকে করে না।

কিন্তু কথা হল আমরা সবাই এই পোক মানে জানি যে কউকে বিরক্ত করা বা গুতা মারা যেটা একদমই ঠিক নয়। poke একটা ফেসবুক এর গুরুত্বপূর্ণ ফিচার। আসলে পোক দিয়ে কারও দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করা হয়। আপনি যদি কাউকে poke করেন আর আপনি জাকে poke করলেন সে যদি poke back করে তাহলে আপনি তার ফেসবুক প্রোফাইল এবং পেজ ৩ দিন এর জন্য দেখতে পারবেন। এখন হয়তো অনেকে ভাবতে পারেন আমিতো এমনিতে

এটা করতে পারি। কিন্তু না এটার দরকার আছে বা কি কাজে লাগে তা বলতেছি।

মনে করেন কেউ একজন আপনার ফ্রেন্ড লিস্ট এ নাই বা তাকে চেনা চেনা মনে হচ্ছে কিন্তু সে

আপনার ফ্রেন্ড লিস্ট এ না থাকার কারনে তার সম্পর্কে জানতে পারছেন না বা তার ইনফর্মেশন

দেখতে পারছেন না বা জানতে পারছেন না। তখন তার সম্পর্কে জানার একটাই উপায় আছে আর সেটা হল poke মারা।

আপনি যদি তাকে poke মারেন আর সে poke back করে তাহলে আপনি তার প্রোফাইল এবং পেজ ৩ দিন এর জন্য দেখতে পারবেন এবং দেখে আপনার পরিচিত হলে ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট করতে পারবেন। তাহলে বুঝলেন তো poke এর মানে বা এর কাজ কি।

ফেসবুকে তারকা হতে চান? এজন্য আপনাকে যা করতে হবে!

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে ফেসবুক এখন সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় এবং ইতোমধ্যে এটি গুগলকে পেছনে ফেলে এলেক্সা রাংঙ্কিংয়ে এক নম্বরে চলে এসেছে। ফেসবুকের ডিজাইন এমনভাবে করা হয়েছে যে ব্যবহারকারীরা খুব সহজে এটা ব্যবহার করতে পারবেন। ফেসবুকে নিজের পরিচিতি বাড়াতে আপনি কী করে থাকেন? একটার পর একটা ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠিয়ে লাগাম ছাড়া বন্ধুর তালিকা তৈরি করেন। না কি সমস্ত বন্ধুর সঙ্গে লাগাতার চ্যাট করেই সারাটা দিন কাটিয়ে দেন। মনে মনে হয়তো ভাবছেন আপনার হাজারো বন্ধুর কাছে এতেই আপনি মোস্ট ফেমাস। কিন্তু মোটেও তা নয়। বরং অপরিচিত বন্ধুদের সঙ্গে অহেতুক চ্যাট করেন বলে আপনার পিছনে বন্ধুরা আপনাকে নিয়ে হাসাহাসি করে, সেই সুযোগটাই বেশি। ফেসবুকে জনপ্রিয় হতে চাইলে মাথায় রাখতে হবে বেশ কিছু জিনিস।

ফেসবুক তারকা হয়ে ওঠার জন্য এগুলো আপনাকে মেনে চলতেই হবে


১. ভেবেচিন্তে বন্ধুত্ব করুন


সুন্দর প্রোফাইলের কাউকে খুঁজে পেলেন, আর অমনি তাঁকে বন্ধু বানানোর সংকল্প নিয়ে নিলেন। সেই মহিলা বা পুরুষ আপনার বন্ধুত্বের অনুরোধ গ্রহণ না করা পর্যন্ত আপনিও ছাড়ার পাত্র নন। একবারে না হলে বারবার অনুরোধ পাঠাতেই থাকেন? এতে কিন্তু হিতে বিপরীত হয়। জনপ্রিয় হওয়ার চেষ্টায় আপনি মজার খোরাক হয়ে উঠতে পারেন।

২. শুধুমাত্র লাইকই যথেষ্ট নয়


অনেকেই আছেন যাঁরা বন্ধুদের সমস্ত পোস্টেই লাইক দেন। এমনকী যদি পোস্ট মনের মতো না-ও হয়। এর থেকে ভাল হতো পোস্টটির সম্পর্কে নিজের মতামত জানালে। এতে যেমন আপনার চিন্তা ভাবনা বন্ধুদের সামনে তুলে ধরতে পারবেন। তেমন বন্ধুরাও খুশি হবেন।

৩. গুরুত্বপূর্ণ তথ্যও বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করুন


কোথায় কোন ফিল্মটা চলছে বা কোন দেশে সন্ত্রাস হামলা চলছে। নিজেকে আপ টু ডেট রাখার সঙ্গে ফেসবুকে বন্ধুদেরও খবর জানাতে থাকুন। পোস্টে লিখে দিন সেই বিষয়ে আপনার মতামতও। এতে জনপ্রিয়তা বাড়তে বাধ্য। তবে অবশ্যই বেশ কিছু বিতর্কিত বিষয়ে মন্তব্য এড়িয়ে চলাই ভাল।

৪. প্রোফাইল পিকচার নির্বাচনের আগে ভাবুন


আপনার প্রথম আকর্ষণ কিন্তু আপনার প্রোফাইল পিকচার। নিজেকে কেমন ভাবে উপস্থাপন করতে চান তা অনেকটাই কিন্তু নির্ভর করে এই প্রোফাইল পিকচারের উপরে। তাই এই ক্ষেত্রে একটু ভেবেচিন্তে বাছাই জরুরি।

৫.অন্যের সাহায্যে এগিয়ে আসুন


বন্ধু হোক বা পরিচিত— বিপদে তাঁদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করুন। যেমন, কারও যদি জরুরিকালীন রক্তের প্রয়োজন হয়। ফেসবুকে সেই বার্তা বন্ধুদের জানান। বন্ধুদের মধ্যে থেকেই দাতা পেয়ে যাবেন। আর বিপদে অন্যের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সাবাসিও পাবেন।

৬. অবশ্যই যেটা করতে ভুলবেন না


সবই তো হল। বন্ধুর জন্মদিন বা বিবাহ বার্ষিকীকে অভিনন্দনটাও জানিয়ে ফেলেছেন তো। তা না করলেই কিন্তু সারা বছর এত খাটাখাটুনির পুরোটাই মাটি। বন্ধুদের অভিনন্দন জানানোটা কিন্তু জরুরী। তাহলে আর দেরি কিসের? আজ থেকেই মেনে চলুন আর ফেসবুক জনপ্রিয় হয়ে যান।

যেসব কারণে ফেসবুক থেকে দূরে সরে থাকা আপনার জন্য দুস্কর !



মনে মনে ভাবছেন ফেসবুকে মগ্ন থেকে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে বহু সময়! আর তাই ফেসবুক থেকে দূরে সরে থাকার কথা ভাবছেন? কিন্তু, কিছুতেই তা পারছেন না। মন চলে যাচ্ছে সেই সেখানেই। কোনও না কোনও অছিলায় খুলে বসছেন ফেসবুক। কিন্তু কেন ? এ নিয়ে গবেষকদের কিছু মতামত রয়েছে।

সেই কারণগুলির জন্যই নাকি চাইলেও অনেকে ফেসবুক থেকে দূরে থাকতে পারেন না।


গবেষকদের মতে, আসক্তি হল যে কোনও জিনিস থেকে দূরে না থাকতে পারার অন্যতম কারণ। তাই কোনও জিনিসের প্রতি আসক্ত না হয়ে পড়াই ভালো। আর এই অতি মাত্রায় আসক্তির জন্যই কেউ কেউ ফেসবুকের নেশা ত্যাগ করার কথা ভেবেও পেরে ওঠেন না।

ফেসবুকের মাধ্যমে নজর রাখা যায় অনেকের উপর। সমাজে ঘটে যাওয়া বহু বিষয়ে অন্যদের ধারণা জানা যায়। যাঁরা ফ্রেন্ডলিস্টে রয়েছেন জানা যায় তাঁদের অ্যাক্টিভিটিস। চোখে পড়ে বিশ্বজুড়ে ঘটে যাওয়া নানা ঘটনার খবরও।

ফলে আপ টু ডেট থাকা যায়। তাই চাইলেও অনেকেই এড়িয়ে যেতে পারেন না এই সোশাল নেটওয়ার্কিং সাইটটি।

আর ফেসবুকের মাধ্যমে অনেকেই পুরনো বন্ধু ফিরে পাওয়ার পাশাাপাশি পাতিয়ে ফেলেন নতুন বন্ধুত্ব। ওই সাইটের মাধ্যমেই ম্যাসেজ করে চ্যাটিং করে নেওয়া যায়। ভালো থাকে মুড।

তাই বন্ধুদের সংস্পর্শে থাকতে ফেসবুক ছেড়ে যেতে পারেন না অনেকেই।

ফেসবুকের পাসওয়ার্ড এখন আপনি চাইলেও আর গোপন করতে পারবেন না !



দৈনন্দিন ব্যাবহারের নানা ধরনের অনেক গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে সমৃদ্ধ আপনার ফেসবুক একাউন্টটির পাসওয়ার্ড যদি কেউ জেনে যায় তবে কি করবেন ? এই কথা শুনে অনেকটাই আঁতকে উঠেছেন তাই না । তবে হ্যাঁ, সত্যিই এবার আপনি চাইলেও আর ফেসবুকের পাসওয়ার্ড গোপন রাখতে পারবেন না ! এখন বাংলাদেশ সরকার চাইলেই সন্দেহভাজন যে কারও ফেসবুকে লগইন করতে পারবে।


সম্প্রতি দেশে ঘটে যাওয়া কয়েকটি হামলার ঘটনার পর নাশকতাকারীরা ফেসবুক ব্যবহার করে তাদের আইডিগুলো নিষ্ক্রিয় করে দেয়। ফলে এ সংক্রান্ত পূর্ণাঙ্গ তথ্য উদ্ধার করতে সক্ষম হয়নি সরকারের সংশ্লিষ্টরা। কিন্তু এখন থেকে আইডি নিষ্ক্রিয় করা হলেও সংশ্লিষ্ট ফেসবুকের যাবতীয় তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা যাবে। এজন্য আনা হয়েছে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি।

এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, আইনশৃংখলা বাহিনী ও সরকারের তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের যে সক্ষমতা আছে তা আরও বৃদ্ধি করা হয়েছে। এ প্রক্রিয়া চলমান থাকবে। আধুনিক বিশ্ব যেভাবে তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর সন্ত্রাস দমন করে, তেমনটি বাংলাদেশেও শুরু হয়েছে। আধুনিক ডাটা সেন্টার স্থাপন, নানা ধরনের সফটওয়্যার ব্যবহার, তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ তৈরি করাসহ এ সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এজন্যই ঢেলে সাজানো হচ্ছে ‘ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার (এনটিএমসি)। তিনি বলেন, ‘সরকার এখন ইচ্ছা করলেই যে কারও ফেসবুকে প্রবেশ করতে পারবে। আশার কথা হচ্ছে, এখন এ ধরনের প্রযুক্তি আমাদের হাতে এসেছে। তবে আমাদের টার্গেট তারাই যারা অপরাধ করবে।’

জানা গেছে, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে তথ্যপ্রযুক্তির ঝুঁকি মোকাবেলায় নানা উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন হামলা ও নাশকতার ঘটনায় গোয়েন্দারা সাইবার সন্ত্রাসীদের দৌরাত্ম্য গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। গোয়েন্দাদের সুপারিশের পর সরকার তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর সংস্থাগুলোকে আরও নজরদারি করতে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা প্রদান, অবকাঠামো নির্মাণ, মনিটরিং সুবিধা প্রদানের লক্ষ্যে সরকার ২৩ কোটি ১৮ লাখ টাকার বরাদ্দও দেয়।

আইনশৃংখলা বাহিনীর সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, গুলশানে ২৮ সেপ্টেম্বর ইতালি নাগরিক সিজারি তাভেল্লা ও এর চারদিন পর রংপুরে জাপানি নাগরিক কুনিও হোশি হত্যার পর কয়েকটি বিষয় সামনে চলে আসে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- যারা বিভিন্ন ধরনের হত্যাচেষ্টা, হত্যা বা হুমকি দিচ্ছে এরা বেশির ভাগ সময় সামাজিক মাধ্যমগুলো ব্যবহার করছে। অপরাধী চক্রের সদস্যরা সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে নানা ধরনের অপপ্রচার চালায়। নাশকতাকারীরা সামাজিক মাধ্যম, ব্লগ ও বিভিন্ন ওয়েবপেজে নিজেদের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান এবং পরামর্শ সভাও করে। এসব সন্ত্রাসীকে আইনের আওতায় আনতে তথ্যপ্রযুক্তির নজরদারি বাড়ানোর ওপর গোয়েন্দারা সরকারের কাছে সুপারিশ করেন। এরপর জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং নতুন প্রজন্মের এসব সাইবার সন্ত্রাস মোকাবেলায় সরকার প্রযুক্তির সক্ষমতা বাড়াতে নানা পদক্ষেপ নেয়। এরই অংশ হিসেবে ফেসবুক নজরদারি করতে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি সংগ্রহ করা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে মনিটরিং সুবিধা প্রদান, টেলিযোগাযোগ খাতের উদীয়মান ঝুঁকি মোকাবেলা, টেলিযোগাযোগ অ্যাপ্লিকেশন/সফটওয়্যারের অপব্যবহার এবং সাইবার ক্রাইম প্রতিরোধে ২০১৪ সালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন ‘ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার (এনটিএমসি) গঠন করা হয়।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) মন্ত্রণালয়ের একটি সুত্রে জানা যায় , বর্তমানে  সাইবার অপরাধীরা মনে করছে যেহেতু মোবাইলে একে অপরের সাথে কথা বললে বা বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ করলে আইনশৃংখলা বাহিনী তাদের নাশকতার তথ্য সহজেই জানতে পায়। তাই তারা ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগের সাইট গুলোতে নিজেদের মধ্যে ক্লোজ গ্রুপে কৌশলগত নানা ধরনের শলাপরামর্শ করে।

এ ধরনের সাইবার অপরাধীদের নিষ্ক্রিয় করতে সরকার কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এখন যদি তারা ফেসবুক যাবতীয় তথ্য নিষ্ক্রিয় করে দেয় এর পরেও তথ্য উদ্ধার করা যাবে। আগেও কিছু তথ্য উদ্ধার করা গেলেও এখন পুরোপুরি তথ্যই উদ্ধার করা সম্ভব। এর সাথে প্রযুক্তি ব্যবহারের সঙ্গে মনিটরিং ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে। এখন যে কারও ফেসবুকে প্রবেশ করার মতো সক্ষমতা রয়েছে সরকারের।

ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা এত বেশি হওয়ার কারণ।



বেধিরভাগ ফেসবুক ব্যবহারকারীরা ফেসবুকের ওপর নির্ভর করে থাকেন। আমেরিকার একটি সমীক্ষার বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে জি-নিউজ। সমীক্ষায় বলা হয়েছে, যারা যতবেশি পরিমাণে ফেসবুক ব্যবহার করে থাকেন তারা ততবেশি নির্ভর করেন ফেসবুকের ওপর।


অ্যাক্রন বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক ১৮ থেকে ৬৮ বছর বয়সী ৩০১ জন ব্যবহারকারীর ওপর সমীক্ষাটি চালান। সেই ব্যবহারকারীর বেশিরভাগই ফেসবুক ব্যবহার করেন ডেট করার জন্য, খবর জানতে, গেম খেলতে, কোনও নতুন ফটো দেওয়ার পর সেই ব্যপারে বন্ধুদের মতামত জানতে। গবেষকদের মত অনুসারে যারা এই সমস্ত কারণের জন্যই ফেসবুক ব্যবহার করে থাকেন তারা ফেসবুকের ওপর খুব বেশি নির্ভর করে থাকেন।

একজন গবেষকের মতে, ‘যে সমস্ত মানুষের আত্মবিশ্বাস কম থাকে তারাই সব থেকে বেশি ফেসবুক করে থাকেন। তারা নিজেদের অনেক কম বোঝেন তাই কোন ড্রেসে তাকে কেমন লাগল তা বন্ধুদের কথার ওপরে নির্ভর করে বুঝে নেন। কোনো বন্ধু যখন ভালো কমেন্ট করে তখন তাদের বিশ্বাস বেড়ে যায় এবং যখন খারাপ কমেন্ট করেন তখনই তাদের বিশ্বাস কমে যেতে শুরু করে।