Showing posts with label গুগল টিপস. Show all posts
Showing posts with label গুগল টিপস. Show all posts

Friday, January 15, 2016

পাওয়ার ব্যাঙ্ক কেনার আগে জেনে নিন।

ultra-power-bank-in-use-236x236-60x60

স্মার্টফোন ছাড়া তো এখনকার
ছেলেমেয়েদের জীবন অচল।
কিন্তু স্মার্ট ফোন নির্মাতারা মোবাইলকে স্মার্ট
বানালেও ব্যাটারিটাকে স্মার্ট বানাতে পারেনি এখনও।
তাই চার্জ কোনও মোবাইলেই তেমন থাকে না।
আর ইন্টারনেট আর গেম প্রিয়দের কাছে তো
চার্জ থাকেই না!
এখন পাওয়ার ব্যাঙ্ক কেনার কথা ভাবছেন।
Power Bank Tips
আর যারা পাওয়ার ব্যাঙ্ক কেনার কথা ভাবছেন তারা
নিচের কিছু তথ্য জেনে নিন, তারপর যাচাই করে
কিনুন।
পাওয়ার ব্যাঙ্কের ক্যাপাসিটি যেন আপনার ফোনের
ব্যাটারির চেয়ে বেশি হয়: আপনি যে পাওয়ার ব্যাঙ্কটি
কিনবেন, তার ব্যাটারি ক্যাপাসিটি যেন আপনার
ফোনের ব্যাটারির ক্যাপাসিটির চেয়ে বেশি হয়।
মনে করুন, আপনার ফোনের ব্যাটারি যদি ২০০০
mAH হয় তা হলে পাওয়ার ব্যাঙ্কটি অবশ্যই তার
চেয়ে বেশি ক্যাপাসিটির (নিদেন পক্ষে
২৫০০-৩৫০০ mAH) হতে হবে। না হলে ফোনের
বদলে উল্টে পাওয়ার ব্যাঙ্ক-ই ফোনের চার্জ
চলে যেতে পারে।
Current Draw দেখে নিন: পুরনো মোবাইলগুলি
চার্জ করতে ১ অ্যাম্পিয়ারের বেশি কারেন্ট লাগত
না। কিন্তু এখনকার সমস্ত মোবাইলে ২.১ অ্যাম্পিয়ার
কারেন্টে চার্জ করতে হয়। যদি সম্ভব হয়, তা হলে
১ এবং ২.১- এই দু’ ধরনের ইউএসবি পার্টস সাপোর্ট
করে এমন পাওয়ার ব্যাঙ্কই কিনুন। মনে রাখবেন,
পাওয়ার ব্যাঙ্কের ক্যাপাসিটি যাই হোক না কেন, যে
কোনও ডিভাইস চার্জ করতে সব থেকে
গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকে কারেন্ট ড্র-য়ের।
ব্যাটারি কেমন দেখুন: পাওয়ার ব্যাঙ্কে ২ রকমের
ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়। একটি লিদিয়াম আয়ন, অন্যটি
লিদিয়াম পলিমার। এর মধ্যে লিদিয়াম আয়ন অপেক্ষাকৃত
সস্তা এবং সহজলভ্য। লিদিয়াম পলিমার দেওয়ার ব্যাটারি
ওয়ালা পাওয়ার ব্যাঙ্কের দাম একটু বেশি হয়। ভালো
ইলেক্ট্রনিক শো-রুম ছাড়া এগুলো বখোলা
বাজারে খুব একটা মেলে না। এ ধরনের পাওয়ার
ব্যাঙ্কের দাম বেশি হলেও প্রতি ইউনিটে বেশি
চার্জ ডেনসিটি দেয়। যেটা মোবাইলের পক্ষে
ভালো। বাজে-সস্তা ধরনের পাওয়ার ব্যাঙ্ক
থেকে মোবাইল চার্জ করলে তা পারফরম্যান্সের
উপর প্রভাব ফেলে। শুধু তাই নয়, ওভারচার্জ বা
ওভারহিটেড হলে এগুলো ব্লাস্টও করতে পারে।
যেমন, অনেক সময় চার্জ করতে করতে কথা
বলার সময় মোবাইল ব্লাস্ট করে।
আশা করি উপরের তথ্যগুল আপনাকে সাহাজ্য
করবে।
আজকের মত এখানে থাক।

Sunday, January 10, 2016

পাসওয়ার্ড জানলেও আর হ্যাক হবে না আপনার মুল্যবান জিমেইল অ্যাকাউন্ট !



জিমেইলের পাসওয়ার্ড যদি সবাই জেনে যায়, তাহলেও কেউ চাইলেও আপনার অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করতে পারবে না। এর জন্য প্রথমে জিমেইল লগইন করে ওপরে ডানপাশে আপনার ছবির আইকনে ক্লিক করে তারপর My Account-এ ক্লিক করুন বা সরাসরি https://myaccount.google.com ঠিকানায় যান। তারপর Sign-in & security-তে ক্লিক করুন। নতুন পেজ এলে একটু নিচে ডানপাশে 2-step verification: off-এ ক্লিক করুন।


তারপর Start Setup বাটনে ক্লিক করুন। পুনরায় আবার লগ-ইন করার পেজ এলে লগইন করুন। এখন Phone number: বক্সে আপনার মোবাইল নম্বর লিখে Send Code বাটনে ক্লিক করুন। আপনার মোবাইলে একটি কোড নম্বর আসবে। কোড নম্বরটি কোড বক্সে লিখে Verify-এ ক্লিক করুন। এখন Next-এ ক্লিক করুন। তারপর Confirm-এ ক্লিক করুন।

এখন থেকে প্রতিবার আপনার কম্পিউটার ছাড়া অন্য কোনো কম্পিউটার থেকে আপনার জিমেইল অ্যাকাউন্টে লগইন করতে চাইলে আপনার মোবাইলে একটি কোড নম্বর আসবে এবং সেই কোড নম্বরটি কোড বক্সে লিখে Verify-এ ক্লিক করলেই আপনার জিমেইল অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করা যাবে। আপনার ফোন নম্বর যদি হারিয়ে ফেলেন, তাহলে যেকোনো সময় আপনার কম্পিউটার থেকে জিমেইলে লগইন করে ফোন নম্বর পরিবর্তন করতে পারবেন বা এই সুবিধা বাদ দিতে পারবেন।

অনেক সময় মোবাইলে এসএমএসের সাহায্যে কোড আসতে দেরি হতে পারে। এ জন্য চাইলে Google Authenticator নামের একটি অ্যাপ নামিয়ে নিতে পারেন। এসএমএসে কোডের বাইরে এ অ্যাপে ৩০ সেকেন্ড পরপর একটি কোড আসবে। সেটি দিয়েও চাইলে Verify করতে পারবেন। তবে আপনি এসএমএস কোড না অ্যাপের মাধ্যমে আসা কোড ব্যবহার করবেন, তা শুরুতে নির্বাচন করে নিতে হবে। অ্যাপটি অ্যান্ড্রয়েড এবং আইওএস দুই সংস্করণেই পাওয়া যাবে।